হোম > শিক্ষা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার দৌড়ে এগিয়ে যারা

মাহির কাইয়ুম, ঢাবি

ওপর সারির বাঁ দিক থেকে ড. মামুন আহমেদ, ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান, ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম; দ্বিতীয় সারির বাঁ দিক থেকে ড. বোরহান উদ্দিন খান ও ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান পদত্যাগের আবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার পর শীর্ষ এই পদে নতুন নিয়োগ নিয়ে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। রোববার সকালে তিনি শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র হস্তান্তর করেন। সরকার তার পদত্যাগপত্র গ্রহণ করলে বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক পদটি শূন্য হবে এবং নতুন উপাচার্য নিয়োগে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে সম্ভাব্য কয়েকজন জ্যেষ্ঠ শিক্ষকের নাম নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।

উপাচার্য পদে নিয়োগের আলোচনায় এগিয়ে রয়েছেন বর্তমান উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ। প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের এই অধ্যাপক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং বিএনপিপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দলের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এবং দলের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গসংগঠন জাসাসের সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন।

আলোচনায় রয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মোর্শেদ হাসান খান। তিনি সাদা দলের বর্তমান আহ্বায়ক এবং ইউট্যাবের মহাসচিব। পাশাপাশি তিনি বিএনপির নির্বাহী কমিটির গণশিক্ষা সম্পাদক ও মিডিয়া সেলের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

আলোচনায় রয়েছেন পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব)-এর সভাপতি। শিক্ষক সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও সাদা দলের সাবেক আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি। বর্তমানে বিএনপির শিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্বে রয়েছেন।

আলোচনায় রয়েছেন বর্তমান কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) ফিন্যান্স বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক। তিনি একই সাথে সেন্ট্রাল ফর মাইক্রোফাইন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের নির্বাহী পরিচালক এবং শিক্ষা-গবেষণায় অভিজ্ঞ ব্যক্তি। জুলাই অভ্যুত্থানে সাহসী ভূমিকা রেখে তিনি বিশেষভাবে আলোচিত।

আলোচনায় রয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. বোরহান উদ্দিন খান। তিনি আইন বিভাগের সাবেক ডিন হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

এছাড়া জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মো. লুৎফর রহমান; কলা অনুষদের ডিন ও ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ছিদ্দিকুর রহমান খান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক আমিনুল ইসলাম তালুকদার, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের জ্যেষ্ঠ অধ্যাপক ড. দিল রওশন জিন্নাত আরা নাজনীন, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক পরিচালক অধ্যাপক ড. তাহমিনা আখতারের নামও আলোচনায় উঠে এসেছে।

এদিকে গত ১০ ফেব্রুয়ারি এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খান দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সময় পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করতেও তিনি প্রস্তুত।

২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩০তম উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান উন্নয়ন অধ্যয়ন বিভাগের এই অধ্যাপক। এর আগে তিনি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর ভারপ্রাপ্ত উপাচার্যের দায়িত্ব পালন করেছিলেন।

আবারো ঢাকা কলেজের ফুটপাত দখলের চেষ্টা, রশি টানালেন শিক্ষার্থীরা

ঈদের আগে শতভাগ উৎসব ভাতার দাবি নিয়ে যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

এআই সতর্কবার্তা, বিশ্বে ৪০ শতাংশ চাকরি ঝুঁকিতে

পদত্যাগপত্র জমা দিলেন ঢাবি উপাচার্য

মোনাজাতে শহীদ জিয়ার নাম না নেওয়ায় ছাত্রদলের প্রতিবাদ, হট্টগোল

শহীদ মিনারে শিক্ষক সমিতির ‘বিতর্কিত’ শ্রদ্ধা, সাদা দ‌লের প্রতিবাদ

শিক্ষাব্যবস্থা কর্মমুখী ও যুগোপযোগী করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

ঢাবিতে মঞ্চায়িত হলো ‘ভাষার ক্ষুধা’ নাটক

নিজে দুর্নীতি করব না, কাউকে করতেও দেব না: শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

নকল, মাদক, সন্ত্রাস ও কিশোরগ্যাংমুক্ত দেশ গড়ে তোলা হবে: শিক্ষামন্ত্রী