বাংলাদেশের প্রাক-প্রাথমিক ও প্রাথমিক শিক্ষা
বাংলাদেশের শিক্ষানীতির ইতিহাস ব্রিটিশ শাসনামল থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত নানা রূপান্তরের মধ্য দিয়ে গেছে। ১৯৪৪ সালের সার্জেন্ট রিপোর্ট এবং ১৯৪৭ সালের পর পাকিস্তান আমলের করাচি ও শরীফ কমিশন এবং স্বাধীনতার পর ১৯৭৪, ১৯৮৮ ও ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিতে প্রাথমিক শিক্ষার উন্নয়নে নানা ধরনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবুও বাস্তবায়নের অভাব ও রাজনৈতিক অস্থিরতা শিক্ষাব্যবস্থার স্থায়িত্ব নিশ্চিত করতে পারেনি।
বাংলাদেশের প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষার বাস্তবতা : নীতিগত অঙ্গীকার ও বাস্তব প্রয়োগের ব্যবধান
শিশুর জীবনের প্রথম ছয় বছরকে জীবনের সোনালি সময় বলা হয়ে থাকে। এই সময়ের শিক্ষাই শিশুর মানসিক, শারীরিক ও সামাজিক বিকাশের ভিত্তি গড়ে দেয়। প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পূর্বপ্রস্তুতি নয়, বরং এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনভিত্তিক শিক্ষাপ্রক্রিয়া। অতীতের বিভিন্ন সরকার এই গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়কে গুরুত্ব দিয়ে একাধিকবার নীতিমালায় অন্তর্ভুক্ত করলেও বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে এখনো রয়েছে স্পষ্ট অসামঞ্জস্য, সীমাবদ্ধতা ও চর্চাগত দুর্বলতা।
নীতিগত উদ্যোগ : প্রতিশ্রুতির আলো
২০০৩ সালে জাতীয় শিক্ষানীতির খসড়ায় প্রথম প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাকে আলাদাভাবে উল্লেখ করা হয়। এরপর ২০১০ সালের জাতীয় শিক্ষানীতিতে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক করার সুস্পষ্ট নির্দেশনা প্রদান করা হয়। নীতিতে বলা হয়, ‘প্রতিটি শিশুকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি করার আগে কমপক্ষে এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করতে হবে।’ এই সিদ্ধান্ত একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ হলেও এর বাস্তবায়নে গতি ছিল শ্লথ।
২০১৪ সালে কিছু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরীক্ষামূলকভাবে এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা হয়। তবে পর্যাপ্ত পরিকাঠামো, প্রশিক্ষিত শিক্ষক ও উপযুক্ত পাঠ্যসামগ্রীর অভাবে এই কর্মসূচি তেমন কোনো সাফল্যের মুখ দেখতে পায়নি। বরং একে বোঝা হিসেবে দেখেছেন অনেক শিক্ষক ও অভিভাবক।
২০২১ সালের প্রস্তাবিত শিক্ষা কাঠামোয় আবারও দুই বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালুর কথা বলা হয়। এতে প্রথম বছর শিশুর সামাজিকীকরণ, আত্মোপলব্ধি ও ভাষাগত দক্ষতার ওপর এবং দ্বিতীয় বছর একাডেমিক প্রস্তুতির ওপর গুরুত্ব দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বাস্তবে তার কোনো দৃশ্যমান রূপায়ণ হয়নি।
বাস্তব চিত্র : সীমাবদ্ধ বাস্তবায়ন
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যমতে, বর্তমানে বাংলাদেশে মাত্র ৩ হাজার ২১৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম চালু রয়েছে, যা দেশের প্রায় ৬৫ হাজারের বেশি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় এবং ৪৯ হাজারের বেশি বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তুলনায় অত্যন্ত নগণ্য। অর্থাৎ, অধিকাংশ শিশু এখনো এই গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাধারার বাইরে রয়েছে।
শুধু স্কুলের সংখ্যাই নয়, শিক্ষকের সংকট, প্রশিক্ষণের অভাব, শিশুদের উপযোগী ক্লাসরুম ও পাঠ্যবইয়ের অপ্রতুলতাও শিক্ষার মান উন্নয়নে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ছাড়া সরকারি স্কুলগুলোয় অধিক শিক্ষার্থীর চাপ এবং একক শিক্ষক দ্বারা একাধিক শ্রেণি পরিচালনার চাপে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা অনেক সময় গুরুত্ব হারিয়ে ফেলে।
বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক ও ফ্রি। নব্বইয়ের দশক থেকে প্রাথমিক শিক্ষা প্রসারে ধারাবাহিক কার্যক্রম, যেমন বিনা মূল্যে পাঠ্যপুস্তক, উপবৃত্তি ও বিদ্যালয়ভিত্তিক মিড ডে মিল প্রবর্তনের ফলে বাংলাদেশ উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধন করেছে। কিন্তু গুণগত মান, অভ্যন্তরীণ বৈষম্য ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা এখনো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। শিক্ষাবিদ ব্লুমের তিনটি ডোমেইন—জ্ঞানগত (Cognitive), আবেগিক (Affective) ও দক্ষতা-ভিত্তিক (Psychomotor) এবং বিভিন্ন শিক্ষণতত্ত্বের ভিত্তিতে আমরা এই আলোচনাকে আরো গভীরে নিতে পারি।
বর্তমান অবস্থা ও শিক্ষার মৌলিক স্বরূপ (Cognitive Domain—Knowledge & Comprehension)
বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় দুই কোটি শিশু প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করে। প্রশ্ন থেকে যায়, এই সংখ্যাটি কি মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করে? এ প্রশ্নের উত্তর খোঁজার জন্য Constructivism (গঠনবাদ) তত্ত্ব কাজে লাগানো জরুরি। এই তত্ত্ব বলে, শিক্ষা হচ্ছে একটি সক্রিয় প্রক্রিয়া, যেখানে শিশু তার পূর্বজ্ঞান ও বাস্তব অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে শেখে। কিন্তু আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা এখনো Teacher-centered, যেখানে মুখস্থনির্ভরতা বিদ্যমান, যা Bloom-এর cognitive domain-এর উপরিভাগে (Application, Analysis, Synthesis) পৌঁছাতে ব্যর্থ হয়। উদাহরণস্বরূপ, জাতীয় পাঠ্যক্রমে পরিবেশ শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত থাকলেও অধিকাংশ শিশু বাস্তবে পরিবেশ রক্ষার জন্য কোনো বাস্তব উদ্যোগ গ্রহণ করে না। কারণ তারা শিখছে ‘জানার’ জন্য, ‘ব্যবহার করার’ জন্য নয়। একই কথা প্রযোজ্য বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেও। Jean Piaget-এর জ্ঞানের স্তর উন্নয়ন তত্ত্ব অনুসারে শিশুদের উপযোগী শিক্ষার উপকরণ ও পদ্ধতি তৈরি না হলে তারা গভীরভাবে শেখে না।
মানসিক দৃষ্টিভঙ্গি ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহ (Affective Domain—Attitudes, Values & Motivation)
শুধু পাঠ্যবই দিয়ে শিক্ষা নয়, বরং শিক্ষার প্রতি মনোভাব, আগ্রহ ও নৈতিকতার বিকাশ জরুরি। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা যদি শিক্ষক বা বিদ্যালয় পরিবেশ থেকে মানসিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকে, তাহলে তারা শিখতে আগ্রহ হারায়। Humanism শিক্ষণ তত্ত্ব এ জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ। এটি বলে, শিক্ষার্থীকে ভালোবাসা, সম্মান ও আত্মবিশ্বাসের মাধ্যমে শিক্ষায় সম্পৃক্ত করতে হয়। কিন্তু অনেক বিদ্যালয়ে এখনো শিশুকে শারীরিক শাস্তি, মানসিক নির্যাতন ও অবহেলার শিকার হতে হয়।
Bloom-এর affective domain-এর Receiving এবং Responding পর্যায়েই অনেক শিক্ষার্থী আটকে থাকে, ফলে তারা Valuing পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে না। এর ফলে শিশুর মধ্য থেকে নাগরিক দায়িত্ব, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, দেশপ্রেম—এসব মানসিক গুণ গড়ে ওঠে না। এ ছাড়া পরিবার ও সমাজ থেকেও শিশুদের শিক্ষার প্রতি অনুপ্রেরণা কম থাকে, বিশেষত দরিদ্র পরিবারগুলোয়, যেখানে শিশুশ্রম একটি বাস্তবতা।
দক্ষতার চর্চা ও হাতে-কলমে শিক্ষা (Psychomotor Domain—Skills, Practice & Performance)
শিক্ষা তখনই বাস্তব হয়, যখন তা বাস্তবে প্রয়োগযোগ্য হয়। দুর্ভাগ্যজনকভাবে বাংলাদেশে অধিকাংশ প্রাথমিক বিদ্যালয়ে experiential learning বা হাতে-কলমে শেখার সুযোগ সীমিত। শিক্ষার্থীরা সৃজনশীল কর্মকাণ্ড, খেলাধুলা, হস্তশিল্প বা STEM কার্যক্রমে পর্যাপ্তভাবে অংশগ্রহণ করতে পারে না। ফলে Bloom-এর psychomotor domain-এর Guided Response বা Mechanism পর্যায়ে তাদের উন্নয়ন হয় না।
Kolb-এর Experiential Learning Model অনুসারে শেখা হচ্ছে Concrete Experience, Reflective Observation, Abstract Conceptualization ও Active Experimentation—এই চারটি ধাপে ভাগ করা। কিন্তু আমাদের পাঠ্যক্রম ও ক্লাসরুম পদ্ধতি অনেক ক্ষেত্রেই এই ধাপগুলোকে উপেক্ষা করে। শিক্ষার্থীরা যেমন শেখে, সেই অনুপাতে সুযোগ পায় না।
আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপট
ভারতে ICDS (Integrated Child Development Services)-এর মাধ্যমে ‘অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র’তে শিশুদের পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা প্রদান করা হয় এবং কারিকুলাম হিসেবে ‘National Early Childhood Care and Education (ECCE)’ নির্দেশিকায় শিশুকেন্দ্রিক ও খেলাভিত্তিক শিক্ষা কার্যক্রম নির্ধারিত।
সুবিধা : সরকারি নেটওয়ার্কের বিস্তৃতি, স্থানীয় ভাষাভিত্তিক ও সংস্কৃতি-পরিচিত উপকরণ ব্যবহার ও সম্প্রদায়ভিত্তিক অভিভাবকের অংশগ্রহণ।
জাপানে ‘Yochien’ (Ministry of Education) ও ‘Hoikuen’ (Ministry of Health & Welfare) দুটি পৃথক বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত। Yochien হলো একাডেমিক ভিত্তিক শিক্ষা এবং Hoikuen বেশি সামাজিক বিকাশ ও পরিচর্যাভিত্তিক শিক্ষা।
মূলনীতি : শিশুর আত্মনিয়ন্ত্রণ, সামাজিক দায়িত্ববোধ ও শৃঙ্খলা গঠনে গুরুত্ব, খেলা, গান, শিল্প ও প্রকৃতি পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে শেখানো, অত্যন্ত নিয়মানুবর্তী ও পরিচ্ছন্নতাভিত্তিক সংস্কৃতি।
যুক্তরাজ্যে EYFS (Early Years Foundation Stage) ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় ০–৫ বছর বয়সি শিশুদের জন্য শিক্ষা, যত্ন ও বিকাশ নিশ্চিত করা হয়।
কারিকুলাম : সাতটি ‘লার্নিং অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এরিয়া’
১. যোগাযোগ ও ভাষা, ২. শারীরিক বিকাশ, ৩. ব্যক্তিগত, সামাজিক ও আবেগীয় বিকাশ, ৪. পঠন ও লেখন, ৫. গাণিতিক ধারণা, ৬. বিশ্ব সম্পর্কে জ্ঞান ও ৭. সৃজনশীল প্রকাশ
বিশেষ দিক : নির্দিষ্ট শিক্ষাগত লক্ষ্যমাত্রা, শিক্ষক-শিশু অনুপাত নির্ধারিত নিয়মিত মূল্যায়ন (progress check at age 2, EYFS profile at age 5)
ধর্মীয় শিক্ষার সংযোজন : শিশুশিক্ষা মানেই কেবল সংখ্যা চেনা, বর্ণ শেখা, কিংবা সাধারণ জ্ঞান অর্জন নয়; বরং এটি হলো শিশুদের নৈতিক, মানসিক ও সামাজিক ভিত্তি গঠনের সূচনা। এই পর্যায়ে ধর্মীয় শিক্ষা যুক্ত না থাকলে শিশুর পূর্ণাঙ্গ বিকাশ অসম্পূর্ণ থেকে যায়। বর্তমান সময়ে সামাজিক অবক্ষয়, পারিবারিক বন্ধনের দুর্বলতা এবং মূল্যবোধের অভাবের যে চিত্র ফুটে উঠছে, তা রোধে প্রাথমিক স্তরেই ধর্মীয় শিক্ষার সূচনা অপরিহার্য।
প্রি-প্রাইমারি ও প্রাইমারি স্তরে ধর্মীয় শিক্ষার তাৎপর্য
নৈতিক বিকাশের ভিত্তি নির্মাণ
ধর্মীয় শিক্ষা শিশুকে ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় ও সত্য-মিথ্যা সম্পর্কে বোধ তৈরি করতে সাহায্য করে। প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ‘ধন্যবাদ’, ‘ক্ষমা’, ‘সহানুভূতি’, ‘অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা’—এসব মৌলিক মূল্যবোধ ধর্মীয় শিক্ষার মাধ্যমে শেখানো অত্যন্ত কার্যকর।
বাংলাদেশের বাস্তবতা ও সীমাবদ্ধতা
বাংলাদেশের জাতীয় শিক্ষানীতিতে (২০১০) ধর্মীয় শিক্ষা একটি নির্ধারিত বিষয় হলেও প্রি-প্রাইমারি স্তরে তা নেই এবং প্রাইমারিতে শুধু তৃতীয় শ্রেণি থেকে শুরু হয়। ফলে তিন বছরের শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশের প্রাথমিক ধাপে নৈতিক শিক্ষা প্রদানের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হারিয়ে যাচ্ছে।
সীমাবদ্ধতা : ধর্মীয় শিক্ষকদের অভাব, ধর্মীয় শিক্ষার কেবল ‘তত্ত্ব’-নির্ভরতা, বাস্তব জীবনে ধর্মীয় মূল্যবোধ প্রয়োগের অপ্রতুলতা এবং মাদরাসা ও সাধারণ শিক্ষাব্যবস্থার ব্যবধান।
করণীয় ও নীতিগত সুপারিশ
ক. শিক্ষাকেন্দ্রিক পদক্ষেপ : শিক্ষক প্রশিক্ষণে ব্লুম ট্যাক্সোনমি এবং শিক্ষণতত্ত্ব-ভিত্তিক কর্মশালা চালু করা।
পাঠ্যক্রমে শিক্ষার্থীদের যুক্তি, বিশ্লেষণ ও সৃজনশীলতা বৃদ্ধির উপকরণ সংযোজন।
খ. পরিবেশভিত্তিক পদক্ষেপ : বিদ্যালয়ে ছাত্রবান্ধব, নিরাপদ ও উৎসাহজনক পরিবেশ নিশ্চিত করা।
মিড ডে মিল এবং স্কুল হেলথ প্রোগ্রাম আরো জোরদার করা।
গ. ব্যবস্থাপনাগত পদক্ষেপ : বিদ্যালয় পর্যায়ে স্কুল পরিদর্শন ও মূল্যায়ন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা।
বাজেট বৃদ্ধির মাধ্যমে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো, উপকরণ ও প্রযুক্তি সংযোজন করা।
ঘ. সামাজিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন : পরিবার ও সমাজে শিশুদের শিক্ষার প্রতি সচেতনতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ করা। স্থানীয় সরকার ও স্কুলের সহযোগিতায় অভিভাবক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা।
ঙ. প্রি-প্রাইমারি স্তরেই ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক শিখন বিষয়বস্তু যুক্ত করা।
চ. অভিভাবক ও শিক্ষকের যৌথ অংশগ্রহণে ধর্মীয় মূল্যবোধের অনুশীলন বাড়ানো।
ছ. সব ধর্মের শিশুদের জন্য অন্তর্ভুক্তিমূলক ও সম্মানজনক পদ্ধতিতে শিক্ষা প্রদান।
জ. ইসলামি শিক্ষা ও সাধারণ শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় করে একটি একীভূত ধর্মীয় মূল্যবোধভিত্তিক কারিকুলাম চালু।
লেখক : আব্দুল্লাহ জামান, প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ, উইটন ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ও গাইডেন্স ইন্টারন্যাশনাল স্কুল