হোম > শিক্ষা

সরকারের ১২ দফা বাস্তবায়নে সমন্বিত শিক্ষা আইন করতেই হবে

প্রেস ব্রিফিংয়ে রাশেদা কে চৌধুরী

স্টাফ রিপোর্টার

বর্তমান নতুন সরকারের শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষা সংস্কারের যে ১২ দফা প্রস্তাবনা দিয়েছে, তা বাস্তবায়নে সমন্বিত একটি শিক্ষা আইন করতেই হবে বলে মন্তব্য করেছেন গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক এবং সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী।

তিনি বলেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তড়িঘড়ি করে যে শিক্ষা আইন করা হয়েছে, তা গ্রহণযোগ্য বলে মনে করি না। সেটার সঙ্গে আমরা একমত হয়নি। এ সময় সরকার ঘোষিত ১২ দফার সঙ্গে সমন্বয় করে গণসাক্ষরতা অভিযানের পক্ষ থেকেও প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। এসব প্রস্তাবনা শিক্ষামন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে তারা আলোচনার উদ্যোগ নিচ্ছেন বলেও জানান রাশেদা কে চৌধুরী।

শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা জানান।

এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমিরেটাস অধ্যাপক ড. মনজুর আহমদ বলেন, নতুন সরকার ঘোষিত ১২ দফায় আমাদের কথাও আছে, তবে তা পূর্ণাঙ্গ শিক্ষা সংস্কার পরিকল্পনা নয়। এজন্য বড় ধরণের পরিকল্পনা, টাস্কফোর্স গঠন এবং রাজনৈতিক অঙ্গীকার নিয়ে সরকার এগোবে বলে প্রত্যাশা করি। শিক্ষা যে অবহেলা হয়েছে, তার অবসান ঘটবে বলে আশা করি।

প্রেস ব্রিফিংয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় ঘোষিত ১২ দফার সঙ্গে সমন্বয় করে গণসাক্ষরতা অভিযানের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়।

প্রথম দফা-‘বাজেটের এনভেলপ বাড়ানো-শিক্ষা খাতে বরাদ্দ জিডিপির ৫ শতাংশে নিয়ে যাওয়া এবং তিন বছরে ধাপে ধাপে "ফিসক্যাল আপলিফট" পরিকল্পনা’ প্রসঙ্গে বলা হয়-এই বরাদ্দ কোথায় কিভাবে কাদের জন্য ব্যয় হবে তা সুনির্দিষ্ট করা প্রয়োজন। বিশেষ করে ঝরে পড়া, বাল্যবিবাহের শিকার, পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী (প্রতিবন্ধী, আদিবাসী, চা বাগানের অধিবাসী) ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ চর, হাওর, পাহাড়ী এলাকার শিক্ষা উন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব প্রদানের ব্যবস্থা করতে হবে।

‘উন্নয়ন বাজেটের বাস্তবায়ন- ইলেকট্রনিক সরকারি ক্রয় ব্যবস্থা বাধ্যতামূলকভাবে আগেভাগে চালু’-প্রসঙ্গে বলা হয়, উন্নয়ন বাজেটের বাস্তবায়নে ইলেকট্রনিক ক্রয় ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর বাজেট অনুযায়ী ব্যয় করার সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিতকরণের জন্য যথাযথ মেন্টরিং ও মনিটরিং জোরদার করতে হবে।

‘উন্নয়ন ব্যয়কে অগ্রাধিকার-মিড-ডে মিল, আধুনিক ল্যাব এবং নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত স্যানিটেশন নিশ্চিত করা’ প্রসঙ্গে গণসাক্ষরতার প্রস্তাবে বলা হয়-মিড-ডে মিল এর ক্ষেত্রে স্থানীয় কৃষক ও খামারীদের উৎসাহিত করতে তাঁদের নিকট থেকে নিরাপদ খাদ্য পণ্য ও উপকরণ সংগ্রহ করা। পণ্য ও উপকরণ সরবরাহে যেন কোন সিন্ডিকেট গড়ে না উঠে সেব্যাপারে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা। মিড-ডে মিল যেন ধাপে ধাপে সব বিদ্যালয়গামী শিশুর জন্য হয় তা নিশ্চিত করা এবং যেসমস্ত উপজেলায় ইতিমধ্যে চালু হয়েছে সেখানকার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করা।

এছাড়াও অতি সম্প্রতি আদালত কর্তৃক শিক্ষার্থীদের থেকে "পুনঃভর্তি ফি" গ্রহণ না করার নির্দেশনাকে পূর্ণাঙ্গভাবে বাস্তবায়নের অনুরোধ জানাচ্ছি।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, আমরা মনে করি স্কুলগুলোতে বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলে নারী শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা সামগ্রী (বিশেষ করে স্যানিটারি প্যাড) সম্বলিত বিশেষ "ভেন্ডিং মেশিন" সরবরাহের উদ্যোগ নেয়া প্রয়োজন। সেক্ষেত্রে এধরনের সামগ্রী প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান (যেমন স্কয়ার ফার্মাসিটিউক্যাল, এসিআই, এসএমসি, আকিজ বা এধরনের কোম্পানি) কে পার্টনারশীপে উদ্বুদ্ধ করা যেতে পারে। এছাড়া যেসব জায়গায় ওয়াশ ব্লক আছে সেখানে সুপেয় পানিসহ হাত ধোয়ার পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে সরকারি, বেসরকারি সংগঠনসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে যুক্ত করা প্রয়োজন।

‘ওয়ান টিচার ওয়ান ট্যাব- শিক্ষকদের জন্য ডিজিটাল পাঠ পরিকল্পনা ও লার্নিং এভিডেন্স ট্র্যাকিং সিস্টেম চালু’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এ কর্মসূচি শিক্ষা ব্যবস্থাপনায় নতুন গতি আনবে, সন্দেহ নেই। তবে এক্ষেত্রে শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, মেন্টরিং, মনিটরিং এবং ট্যাব সংক্রান্ত মেইনট্যানেন্স নিশ্চিত করতে হবে।

‘বহুভাষিক বাংলাদেশ-বাংলা ও ইংরেজির পাশাপাশি চাহিদা অনুযায়ী তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা’ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, শ্রমবাজার ও পেশাভিত্তিক উচ্চ শিক্ষার (যেমন মেডিকেল, ইঞ্জিনিয়ারিং ইত্যাদি) চাহিদা বিবেচনায় বাংলা ও ইংরেজি ভাষার পাশাপাশি তৃতীয় ভাষা শিক্ষা বাধ্যতামূলক হলে আমাদের সন্তানদের জন্য সারাবিশ্বে বিচরণের নতুন দ্বার উন্মোচিত হওয়ার সম্ভাবনা ব্যাপক। তবে এই তৃতীয় ভাষা শিক্ষা ৮ম শ্রেণি থেকে শুরু করা সংগত বলে মনে করছি আমরা।

এদিকে বাংলা ও ইংরেজিতে শিক্ষার্থীদের চলমান দুর্বলতা কাটিয়ে উঠার ব্যবস্থা জোরদার করা প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ভাষা শিক্ষায় অনলাইন রিসোর্স ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ সুবিধা সম্প্রসারণ এবং আদিবাসীদের ভাষাকে গুরুত্ব দিয়ে মাতৃভাষাভিত্তিক প্রাথমিক শিক্ষা প্রদানের বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা প্রয়োজন।

‘ইনোভেশন স্পেস-প্রতিটি উপজেলায় স্কুলে 'রোবোটিক্স ও মেকার কর্ণার' স্থাপন’ প্রসঙ্গে রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, স্কুলগুলোতে 'ইনোভেশন স্পেস' প্রদানের বিষয়টি গুরুত্ব বহন করে। পিকেএসএফ এর উদ্যোগে একসময় দেশের অনেক স্কুলে শিক্ষার্থীদের সৎ ও মানবিক করে তোলার লক্ষ্যে "সততা স্টোর" এর মতো যে উদ্যোগ নেয়া হয়েছিল সেগুলোকেও উৎসাহিত করা যেতে পারে।

‘খেলাধুলা বাধ্যতামূলক- মানসিক ও শারীরিক বিকাশে মাধ্যমিক স্তরের টাইমটেবিলে স্পোর্টস পিরিয়ড অন্তর্ভুক্ত করা’ বিষয়ে প্রস্তাবে বলা হয়-মানসিক স্বাস্থ্য, শৃঙ্খলা ও মেধা বিকাশের জন্য খেলাধুলা, জাতীয় সংস্কৃতি ও নতুন কুঁড়িসহ সৃজনশীল প্রতিভা বিকাশের নানাবিধ উদ্যোগ খুবই প্রয়োজন বলে আমরা মনে করি। এইখানে সুনিদিষ্ট করে ধাপে ধাপে দক্ষ শিক্ষক দেয়া আবশ্যক হবে। স্কাউট বা গার্লস গাইড এর শিক্ষকগণকে আপাতত বিকল্প হিসেবে এই দায়িত্ব প্রদান করা যেতে পারে।

‘পরীক্ষা পদ্ধতির সংস্কার (কারিকুলাম ও পরীক্ষা)- মুখস্থনির্ভরতা কমিয়ে আইটেম ব্যাংক ও লার্নিং ট্রাজেক্টরির মাধ্যমে দক্ষতা পরিমাপ’ প্রসঙ্গে রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, কারিকুলাম ও পরীক্ষা পদ্ধতি রিভিউ করার সময় শ্রেণিকক্ষভিত্তিক ধারাবাহিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করার ব্যবস্থা রাখা প্রয়োজন। এর ভিত্তিতে দূর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ক্লাসের ব্যবস্থা করা এবং সেইসব ক্লাসের শিক্ষকদের অতিরিক্ত প্রণোদনা/ভাতা প্রদান করা যেতে পারে।

কারিকুলাম রিভিউ করার ক্ষেত্রে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক এবং নাগরিক সমাজসহ সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামতের ভিত্তিতে চূড়ান্ত করার সুপারিশ করছি। আমাদের শিক্ষার্থীরা যেন কোনভাবেই অসংখ্য পরীক্ষার বেড়াজালে আবদ্ধ হয়ে কোচিং ও গাইডনির্ভর হয়ে না উঠে, সেদিকে দৃষ্টি দেয়া সরকারের অগ্রাধিকারে থাকা উচিত বলে আমরা মনে করি।

‘শিক্ষায় মানদণ্ড নির্ধারণ- সাধারণ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষার বৈচিত্র্য বজায় রেখে 'ন্যূনতম শিখন মান' এক করা’ প্রসঙ্গে গণসাক্ষরতার প্রস্তাবে বলা হয়-বাংলাদেশে শিক্ষা প্রদানকারী বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, ধর্মীয় (কওমীসহ), ইংরেজি মাধ্যম এবং এনজিও পরিচালিতসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে একটি বাধ্যতামূলক নিবন্ধনের আওতায় আসতে হবে। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যাতে তাদের প্রয়োজনীয় মনিটরিং এবং মেন্টরিং সাপোর্ট দিতে পারে সেই ব্যবস্থাও রাখা প্রয়োজন। এ জন্য একটি 'সমন্বিত শিক্ষা আইন' সময়ের দাবি। নীতিমালা দিয়ে কাজ হবে না।

‘ব্রিজ কোর্স- এক শিক্ষা ধারা থেকে অন্য ধারায় যাওয়ার পথ (স্কিল ক্রেডিট) সুগম করা ও মাধ্যমিক পর্যায়ে কারিগরি শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত’ প্রসঙ্গে প্রস্তাবে বলা হয়-ব্রিজ কোর্স চালু করা একটি সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত। তবে শুরুতে প্রাথমিক শিক্ষাকে ৮ম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নীত করে সেটিকে অবৈতনিক ও বাধ্যতামূলক করা প্রয়োজন। এরপর তাদের অ্যাপিটিউড অনুযায়ী যে কোন ধরণের প্রফেশনাল অথবা বৃত্তিমূলক কোর্সে যুক্ত করা যেতে পারে।

‘উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা- বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে 'জ্ঞান প্রতিষ্ঠানে' রূপান্তরের লক্ষ্যে স্টুডেন্ট লোন ও ইনোভেশন গ্র্যান্ট প্রদান’প্রসঙ্গে বলা হয়- গবেষণায় বরাদ্দ বরাবরই অপ্রতুল ছিল। তবে নতুন বরাদ্দের ক্ষেত্রে বেসরকারি পর্যায়ে গবেষণায় অভিজ্ঞ এবং ক্রেডিবল প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিবেচনায় নেয়া যেতে পারে। যেখানে সরকারি, বেসরকারি এবং ব্যক্তি পর্যায়ে পরিচালিত উন্নতমানের গবেষণাগুলোর মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই বাছাই করে জাতীয়ভাবে একটি "ডাটা ব্যাংক" তৈরি করার উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি যা আমাদের শিক্ষার মানোন্নয়নে যথাযথ পরিকল্পনা গ্রহণে সহায়ক হবে।

সর্বশেষ দফা ‘পাবলিক ড্যাশবোর্ড (জবাবদিহিতা)- মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে মাসিক ড্যাশবোর্ডের মাধ্যমে প্রকল্পের অগ্রগতি ও ক্লাসঘন্টার জবাবদিহি নিশ্চিত করা’ প্রসঙ্গে গণসাক্ষরতার প্রস্তাবে বলা হয়েছে-এক্ষেত্রে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের তথ্যবহুল নাগরিক ড্যাশবোর্ডটির মানোন্নয়ন এবং একইরকম ড্যাশবোর্ড সংশ্লিষ্ট সব দপ্তর/মন্ত্রণালয় অনুসরণ করার প্রস্তাব রাখছি।

রাশেদা কে চৌধুরী বলেন, আমাদের সংবিধানে শিক্ষা রাষ্ট্রের দায়িত্ব হিসেবে স্বীকৃত হলেও নাগরিকের অধিকার হিসেবে এখনও স্বীকৃতি পায়নি। সার্বিকভাবে শিক্ষা সংস্কারের লক্ষ্যে বিএনপির নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লেখিত "শিক্ষা সংস্কার কমিশন" গঠনের জন্য দেশি ও প্রবাসী শিক্ষাবিদ, অভিভাবক, গবেষক, পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞসহ সব অংশীজনদের সমন্বয়ে "বিশেষজ্ঞ কমিটি" অতিদ্রুত গঠনের বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। এক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার কর্তৃক গঠিত 'কনসালটেশন কমিটি'গুলোর রিপোর্টে উল্লেখিত সুপারিশগুলো বিবেচনা করা যেতে পারে।

তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার নানামুখী চ্যালেঞ্জের মুখে দেশের দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যয় সাশ্রয় এবং শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে বিনিয়োগের কোন বিকল্প নেই। শিক্ষার সব স্তরে সামগ্রিকভাবে প্রয়োজনীয় সংস্কার করে শিক্ষার মানকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে জাতীয় বাজেটে ঘাটতি পূরণে কর্পোরেট সোস্যাল রিস্পনসিবিলিটি (সিএসআর)-এর ৩০ শতাংশ ব্যবহার ও এডুকেশন সেস (সারচার্জ) চালু করা যেতে পারে।

প্রতিবেশি দেশ ভারতে এডুকেশন সেস প্রবর্তন করে লক্ষাধিক কোটি টাকার 'শিক্ষা সহায়তা তহবিল' গঠন করা হয়েছে। যার মাধ্যমে তাদের শিক্ষা বাজেটের অনেক ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব হয়েছে। বাংলাদেশ পরীক্ষামূলকভাবে এ ধরণের উদ্যোগ নিতে পারে। তবে আমরা মনে করি, বরাদ্দ বাড়ানোই যথেষ্ট নয়। বরাদ্দকৃত অর্থের সুষ্ঠু ও যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে অপচয় ও দুর্নীতি বন্ধ করার জন্য সঠিক পদক্ষেপ/পরিকল্পনা গ্রহণের কোনো বিকল্প নেই।

সাবেক এই উপদেষ্টা আরো বলেন, রাজনৈতিক অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করাসহ জনঅংশগ্রহণভিত্তিক পরিকল্পনা, সুনির্দিষ্ট কৌশল, যথাযথ বিনিয়োগ ও এর যথার্থ ব্যবহার নিশ্চিত করা হলে বাংলাদেশকে একটি সাক্ষর, মানবিক, সাম্যভিত্তিক, ভ্রমৃদ্ধ দেশে উন্নীত করা সম্ভব। শিক্ষা নিয়ে কোন রাজনীতি চলবে না। শিক্ষাঙ্গন হোক মানবসক্ষমতা বিনির্মাণের কেন্দ্রবিন্দু, কোন রাজনৈতিক মঞ্চ নয়।

প্রেস ব্রিফিংয়ে স্বাগত বক্তব্য দেনে গণসাক্ষরতা অভিযানের উপ-পরিচালক তপন কুমার দাশ। বক্তব্য রাখেন এডুকেশন ওয়াচের আহবায়ক ড. আহমদ মোশতাক রাজা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক শাহ শামীম আহমেদ প্রমুখ।

আমি এমন কোনো অপরাধ করিনি যে এভাবে শোকজ করতে হবে

দেশজুড়ে ধর্ষণ ও সহিংসতার প্রতিবাদে জাকসুর বিক্ষোভ মিছিল

সিমাগো র‌্যাঙ্কিংয়ে ১৪ ধাপ এগিয়ে শীর্ষ দশে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে ছাত্রদল নেতা হামিমকে শোকজ

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে সাড়ে ৩ হাজার শিক্ষার্থী নিয়ে ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল

সারা দেশে ধর্ষণ-হত্যার প্রতিবাদে রাকসুর বিক্ষোভ মিছিল

ধর্ষকদের বিচারে অগ্রগতি না হলে গণআন্দোলন গড়ে তোলা হবে

মধ্যরাতে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দিল ডাকসু

রাবি ক্যাম্পাসে খোলা আকাশের নিচে সম্প্রীতির ইফতার

এবার শিবিরের বিরুদ্ধে মিথ্যাচারের অভিযোগ জকসুর সেই নেতার