নতুন করে তালিকা করবে মন্ত্রণালয়
অন্তর্বর্তী সরকারের চূড়ান্ত করা তালিকা থেকে এক হাজার ৭১৯টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পূর্বের তালিকা পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের আওতায় আনা হবে এবং একই সঙ্গে নতুন করে আবেদন গ্রহণ করা হবে। এরপর পুরানো ও নতুন সব আবেদন একত্রে মূল্যায়ন করে চূড়ান্ত তালিকা নির্ধারণ করা হবে।
মন্ত্রণালয় ও মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতররে (মাউশি) কর্মকর্তাদের সূত্রে জানা গেছে, ৩ হাজার ৬১৫টি আবেদন যাচাই-বাছাই করতে মাত্র আট কর্মদিবস সময় নেওয়া হয়েছিল। দিনে গড়ে ৪৫২টি প্রতিষ্ঠান মূল্যায়ন করা প্রায় অসম্ভব।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, আগের তালিকাটি নিয়ে বিতর্ক ওঠায় এবং বড় ধরনের আর্থিক লেনদেনের অভিযোগ থাকায় সরকার এই কঠোর অবস্থানে গেছে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে গত ৫ ফেব্রুয়ারি ৬৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়েছিল।
সংশ্লিষ্ট তথ্য অনুযায়ী, ৪৭১টি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে বছরে ব্যয় হবে ১৮৩ কোটি ৮৮ লাখ টাকা, ৬২৩টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ৯২ কোটি ৫৯ লাখ টাকা, ১৩৫টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০২ কোটি ২২ লাখ টাকা, ১৪৫টি উচ্চ মাধ্যমিক কলেজে ১২৭ কোটি ১১ লাখ টাকা, ২৩২টি স্নাতক (সম্মান) কলেজে ১২৫ কোটি টাকা, স্নাতক (পাস) কলেজে ৩৯ কোটি ৩৩ লাখ টাকা।
এ প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘আগের তালিকাটি বাতিল করা হয়নি, তবে সেগুলোকে নতুন আবেদনের সঙ্গে একত্রে পুনর্মূল্যায়ন করা হবে। এরপর প্রয়োজনীয় বাজেট বরাদ্দ সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’