হোম > শিক্ষা

প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্ন ফাঁস, যা জানাল অধিদপ্তর

গাজী শাহনেওয়াজ ও সাইদুর রহমান রুমী

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের কোনো প্রমাণ পায়নি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানিয়েছেন অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশন বিভাগের পরিচালক এ কে মোহাম্মদ সামছুল আহসান।

তিনি জানান, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস, অনিয়ম ও কর্তৃপক্ষের দায়িত্বহীনতায় অভিযোগ উঠলেও এর কোনো বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। দ্রুত নিয়োগ পরীক্ষার ফল প্রকাশ করার জন্য কাজ চলছে।

তিনি জানান, প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের প্রশ্নপত্র ফাঁস নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে। এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।

প্রশ্নপত্র ফাঁস ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতিসহ বিভিন্ন অভিযোগে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন একদল নিয়োগপ্রত্যাশী। তাদের এ দাবি আমলে নিয়ে তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

আন্দোলনকারীদের দাবি

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিল করে দ্রুত পরীক্ষা নিতে হবে; সব চাকরির পরীক্ষা ঢাকায় নিতে হবে এবং প্রতিটি কেন্দ্রে ডিভাইস চেকার ও নেটওয়ার্ক জ্যামার রাখতে হবে; স্বতন্ত্র কমিটি গঠন করতে হবে এবং তার আওতায় সব পরীক্ষা নিতে হবে; একই দিনে একই সময়ে একাধিক পরীক্ষা নেওয়া যাবে না; যেসব প্রতিষ্ঠানে বিগত সালে পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের রেকর্ড আছে, তাদের কোনোভাবেই প্রশ্ন প্রণয়ন করার দায়িত্ব দেওয়া যাবে না; প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার তথ্য প্রমাণিত হলে জড়িত সবাইকে সর্বোচ্চ শাস্তির আওতায় আনতে হবে।

হাবিপ্রবিতে বিদ্যুৎ বিভ্রাটে চলমান পরীক্ষা মাঝপথেই বাতিল

রাবি ছাত্র উপদেষ্টাকে ছাত্রদল নেতার হুমকি, শিবিরের নিন্দা

তরুণদের মাঝে ধৈর্য ও বিশ্লেষণের ক্ষমতা কমছে: শিক্ষামন্ত্রী

রাজশাহীতে নারী শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন

‘শিক্ষকের মতো থাকেন, না হলে কান বরাবর পড়বে’, অধ্যাপককে ছাত্রদল নেতা

আপনাদের মিউজিয়ামে রাখলে টিকিট কেটে মানুষ দেখতে আসত!

শিক্ষার্থীরা নৈতিকতাবিবর্জিত জায়গায় যাচ্ছে, তারা ভাইরাল হতে চায়

এভেরোজ ইন্টারন্যাশনাল স্কুল উত্তরা শাখার প্রথম হিফজ সমাবর্তন অনুষ্ঠিত

প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা অসত্য, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত

প্রচণ্ড গরমে শ্রেণিকক্ষে আরো দুই শিক্ষার্থী অসুস্থ