হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

দুর্নীতি-অনিয়মে ৬ বছর বন্ধের পর বেরোবির তিন প্রকল্প আবারো চালু

ইমন আলী, বেরোবি

দীর্ঘ ৬ বছর ধরে অনিয়ম-দুর্নীতির কারণে স্থগিত হয়ে পড়ে থাকা বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) প্রকল্পের নির্মাণাধীন দশতলা বিশিষ্ট ছাত্রী হল ও ‘ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স’এর পুনরায় কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে উপাচার্য ড. মো: শওকাত আলী আনুষ্ঠানিকভাবে এ কাজের উদ্বোধন করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা, সাংবাদিকবৃন্দ এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিন প্রকল্প ১০ তলাবিশিষ্ট ছাত্রী হল, ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স ভবন এবং স্বাধীনতা স্মারকের নির্মাণকাজ দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগে ৬ বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল।

জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা কাজে গতি আনতে এবং আবাসন সংকট নিরসনের জন্য ২০১৭ সালের ৪ জানুয়ারি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়াল কনফারেন্সের মাধ্যমে ওই তিন প্রকল্পের নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। কিন্তু পরে প্রকল্পের নকশা ও পরামর্শক পরিবর্তন এবং নির্মাণ ব্যয় বাড়িয়ে নতুন করে বরাদ্দের আবেদন জানানোর পর দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ইউজিসি নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয়।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপাচার্য ড. একেএম নূর-উন নবীর সময়ে প্রকল্পের কাজ দ্রুত এগোচ্ছিল। তিন মেগা প্রকল্পের কাজে বেশ গতি ছিল। পরবর্তী উপাচার্য প্রফেসর ড. মেজর নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহ, বিএনসিসিও সময়ে নির্মাণাধীন দুটি ভবনের নকশা পরিবর্তন ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন করে তিনগুণ পর্যন্ত বাড়তি বরাদ্দের আবেদন করেন।

ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স ভবন নির্মাণ ব্যয় ২৬ কোটি ৮৭ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৬০ কোটি ৯৯ লাখ, ছাত্রী হলের বরাদ্দ ৫১ কোটি ৩৫ লাখ থেকে বাড়িয়ে ১০৬ কোটি ৯৩ লাখ টাকা এবং স্বাধীনতা স্মারকের নির্মাণ ব্যয় ১ কোটি ৩০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা প্রস্তাব করেন ড. কলিমউল্লাহ।

এ ঘটনায় দুর্নীতির অভিযোগ উঠলে ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে নির্মাণকাজ বন্ধ করে ইউজিসিকে তদন্তের নির্দেশ দেয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পেয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রকল্পগুলোর কাজ বন্ধ হয়ে দেয়। এরপর থেকে অনিশ্চয়তায় ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের এই তিন মেগা প্রকল্পের কাজ। তবে বর্তমান প্রশাসনের উদ্যোগে আবারো এই প্রকল্প গুলোর কাজ শুরু হচ্ছে।

উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. শওকাত আলী বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় অনিয়মের কারণে কাজটি স্থগিত করে দেয় এবং এ সংক্রান্ত বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনে একটি মামলা চলমান রয়েছে। আমি দায়িত্ব গ্রহণের পর নির্মাণ কাজ স্থবির থাকা দশতলা বিশিষ্ট মেয়েদের হল এবং দশতলা বিশিষ্ট ইনস্টিটিউট অব রিসার্চ এক্সিলেন্স-এই দুই ভবনের কার্যক্রম শুরু করার জন্য আবেদন করি। আবেদনের প্রেক্ষিতে তৎকালীন পরিকল্পনা উপদেষ্টা অধ্যাপক ওয়াহিদুল মাহমুদ এবং শিক্ষা উপদেষ্টার সঙ্গে আলোচনা করি। তারা বিষয়টি ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করেন এবং কাজটি পুনরায় চালুর নীতিগত অনুমোদন প্রদান করেন। তারা নির্দেশনা দেন যে, ইতোমধ্যে যতটুকু কাজ সম্পন্ন হয়েছে, সেটিকে কিভাবে ব্যবহারোপযোগী করা যায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে।

উল্লেখ্য, ভবনগুলোর নামকরণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত সিন্ডিকেট সভায় গৃহীত হবে। তবে বিভিন্ন মহল থেকে দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার নামে ছাত্রী হলের নামকরণ করার জন্য প্রস্তাব করা হয়েছে।

নতুন প্রজন্মকে দেশপ্রেম ও নৈতিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

সব বিশ্ববিদ্যালয়কে ডিজিটাল নেটওয়ার্কে আনার পরিকল্পনা

শাবিপ্রবির প্রধান প্রকৌশলীর নিয়োগ বাতিল

চবির রেলস্টেশনে দুই পথশিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে যুবক আটক

মানারাত স্টেম ফেস্টে পুরস্কৃত খুদে বিজ্ঞানীরা, উদ্ভাবনে মানবকল্যাণের বার্তা

ঢাবির মাস্টারদা সূর্যসেন হল অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন

কক্সবাজারে রিসোর্টে আগুন, প্রাণ গেল জবি শিক্ষার্থী নাবিলার

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ১০৭ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী পেলেন সাদা ছড়ি

আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী ফুটবলে চ্যাম্পিয়ন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

ক্যাম্পাসে সম্প্রীতি রক্ষায় জবি ছাত্রদলের আহ্বান