হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

শহীদ শামসুজ্জোহার মৃত্যুবার্ষিকীতে রাবিতে ‘শিক্ষক দিবস’ পালিত

প্রতিনিধি, রাবি

ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে দেশের প্রথম শহীদ বুদ্ধিজীবী ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রক্টর ড. সৈয়দ মুহম্মদ শামসুজ্জোহার ৫৭তম মৃত্যুবার্ষিকী ছিল বুধবার।

প্রতি বছরের মতো এবারও দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় ‘শিক্ষক দিবস’ হিসেবে পালন করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) কর্তৃপক্ষ। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে দিবসটি পালন করে।

এ উপলক্ষে সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীবের নেতৃত্বে শহীদ ড. শামসুজ্জোহার সমাধি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকে স্থাপিত জোহা স্মৃতিফলকে ফুল দেওয়া হয়।

এ সময় উপাচার্য বলেন, প্রতি বছরের মতো এবারও আমরা শিক্ষক দিবসে শহীদ শামসুজ্জোহা স্যারের স্মরণে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছি। বিভিন্ন হল ও বিভাগ থেকে র‍্যালি করা হয়েছে। কেবল আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েই আজকের এ দিবস পালন করছি।

তিনি আরো বলেন, আমরা চাই আমাদের মতো দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এ দিবসটি যথাযথ গুরুত্ব ও মর্যাদার সঙ্গে পালন করুক। আমরা মনে করি, দিবসটি দেশব্যাপী পালনের জন্য সরকার এ বিষয়ে আরো গুরুত্ব দেবে।

শহীদ শামসুজ্জোহা স্মরণে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থী তাসীন খান বলেন, আজ সেই ১৮ ফেব্রুয়ারি। আমাদের ইতিহাসের এক অবিস্মরণীয় দিন, বিশেষ করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে। শহীদ শামসুজ্জোহার আত্মত্যাগ আমাদের স্বাধীনতাযুদ্ধের পথ প্রশস্ত করেছিল।

ফলে আজ আমরা এক স্বাধীন দেশের নাগরিক। আজ যখন আমরা একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ দেশ গড়ার স্বপ্ন দেখি, তখন ড. জোহার সে আদর্শ ও নৈতিকতা আমাদের প্রধান পাথেয় হওয়া উচিত বলে মনে করি।

গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী তাসীন সিদ্দিকা রুপা বলেন, জোহা স্যারের বিষয়ে বলতে গেলে প্রথমেই বলতে হয়, স্যারের চেতনাবোধ। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আর কোনো জোহা স্যারকে পাবে বলে মনে হয় না। বর্তমানে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্কের মান আগের মতো সেই উঁচু স্থানে নেই বললেই চলে। জোহা স্যারের ত্যাগ আমাদের বারবার উদ্বুদ্ধ করলেও তা কতটুকু ধারণ করা হচ্ছে সেটাই প্রশ্ন।

ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী সজিবুর রহমান বলেন, আমাদের জোহা স্যার, যিনি ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের স্বপ্নদ্রষ্টা, যিনি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণাদানকারী শহীদ শিক্ষক। স্বাধীন বাংলাদেশে যত গণআন্দোলন ও অভ্যুত্থান হয়েছে, তার প্রতিটিতেই শহীদ জোহা স্যারের আত্মত্যাগ অনুপ্রেরণা হয়ে আছে।

তারপরও বাংলাদেশ সরকার তার সম্মানে ১৮ ফেব্রুয়ারি, তার শাহাদতের দিনকে জাতীয় শিক্ষক দিবস হিসেবে ঘোষণা করেনি। এটি শহীদ জোহা স্যারের প্রতি একটি বৈষম্য। নতুন সরকারের কাছে আমাদের আহ্বান থাকবে, তারা যেন দ্রুত সময়ে জোহা স্যারের সম্মানে ১৮ ফেব্রুয়ারিকে শহীদ জোহা দিবস হিসেবে জাতীয়ভাবে ঘোষণা করেন।

মাহে রমজানকে স্বাগত জানিয়ে চাকসুর মিছিল, সাংস্কৃতিক সন্ধ্যা

বাংলাদেশ সরকারের নতুন প্রধানমন্ত্রীকে শাবিপ্রবি উপাচার্যের অভিনন্দন

জাবি প্রেসক্লাবের বর্ষসেরা সাংবাদিক হলেন আমার দেশের তাওহীদ

হামলার বর্ষপূর্তিতে পুনরায় উত্তপ্ত কুয়েট, রাতের অন্ধকারে ভাংচুর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও মন্ত্রিসভাকে জবি সাদা দলের অভিনন্দন

নিজে বাঁচতে রেজিস্ট্রারকে অব্যাহতির অভিযোগ উপাচার্যের বিরুদ্ধে

কুবিসাসের বেস্ট কন্ট্রিবিউটার অব দ্য ইয়ার হলেন মামুন

রুয়েটে যৌন নিপীড়নের দায়ে ৯ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তি

তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভাকে ঢাবি সাদা দলের অভিনন্দন

বিএনপি জোট সংবিধান সংস্কারে শপথ না নেওয়ায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ ডাকসুর