হোম > বিনোদন

চলচ্চিত্রের সংগীতে ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালা

বিনোদন রিপোর্টার

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভশন ইনিস্টিটিউট এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে আয়োজনে শুক্রবার ও শনিবার দুটি চলচ্চিত্র বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত শুক্রবার “প্রেক্ষাপট সাংস্কৃতিক সমরূপতা: চলচ্চিত্রের সংগীতে ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’” শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয় বাংলদেশে বিসিটিআইয়ের সভাকক্ষে। চলচ্চিত্রে সংগীতের গুরুত্ব, সাংস্কৃতিক পরিচয় নির্মাণে এর ভূমিকা এবং বিশ্বায়নের প্রভাবের মধ্যে দেশীয় সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য রক্ষার বিষয়গুলো কর্মশালায় গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ মো. নিসতার জাহান কবীর। তাঁর প্রবন্ধে বাংলাদেশের চলচ্চিত্র সংগীতকে সাংস্কৃতিক সমরূপতা ও বৈশ্বিক প্রভাবের প্রেক্ষাপটে বিশ্লেষণ করা হয়। তিনি বলেন, চলচ্চিত্রে সংগীত শুধু আবেগ বা বিনোদনের উপাদান নয়; এটি সাংস্কৃতিক পরিচয় নির্মাণ এবং স্থানিক বাস্তবতা প্রকাশের একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

অতিথি আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন সিনিয়র সাংবাদিক খন্দকার কাওসার হোসেন, একুশে পদক ও জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত সুরকার ও সংগীত পরিচালক শেখ সাদী খান এবং বাচসাস পুরস্কারপ্রাপ্ত বিশিষ্ট সংগীতশিল্পী রফিকুল আলম।

শেখ সাদী খান বলেন, সিনেমা মূলত জীবনের প্রতিচ্ছবি। দৃশ্য ও পরিস্থিতির সঙ্গে সংগীতের সামঞ্জস্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সংগীত নির্বাককে সবাক করে তোলে এবং গল্পকে এগিয়ে নিয়ে যায়।

রফিকুল আলম বলেন, সিনেমায় সংগীত পরিস্থিতির আবেগ ও অনুভূতিকে ফুটিয়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অনেক সময় দর্শকদের মানসিক স্বস্তি দিতেও গান প্রয়োজন হয়। গান আমাদের সংস্কৃতি ও অনুভূতির গভীরে প্রোথিত।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. ইয়াসীন বলেন, ভারত যেভাবে চলচ্চিত্র ও সংগীতের মাধ্যমে বিশ্ববাজার তৈরি করেছে, সেটি দীর্ঘ সাধনা ও পরিকল্পনার ফল। বাংলাদেশেরও সেই সম্ভাবনা রয়েছে। এই ক্ষেত্রে বিসিটিআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই)-এর প্রধান নির্বাহী আবুল কালাম মোহাম্মদ শামসুদ্দিন।

গতকাল বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন ও বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ইনস্টিটিউট (বিসিটিআই)-এর যৌথ উদ্যোগে “বিশেষ শ্রেণীর চলচ্চিত্র নির্মাণ, প্রদর্শন ও এর মাধ্যমে পেশাদারিত্ব বৃদ্ধি, সমস্যা ও সম্ভাবনা” শীর্ষক একটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকার আগারগাঁওস্থ পরমাণু ভবনে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের সভাকক্ষে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালস (বিইউপি)-এর গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক মো. আল আমিন রাকিব।

মূল প্রবন্ধে বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্রের গুরুত্ব, নির্মাণ কৌশল, ব্যাবহারিক প্রয়োগ এবং সম্ভাবনা তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, সাধারণ বিনোদনধর্মী বা শিক্ষামূলক চলচ্চিত্রের তুলনায় বিশেষ শ্রেণির চলচ্চিত্র নির্দিষ্ট পেশাজীবী ও বিশেষজ্ঞদের জন্য নির্মিত হয়ে থাকে। বিশেষ করে চিকিৎসা ও সার্জারি শিক্ষায় এসব চলচ্চিত্র গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

চিকিৎসা-সংক্রান্ত জটিল প্রক্রিয়া, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নে এ ধরনের চলচ্চিত্র কার্যকর অবদান রাখতে সক্ষম। আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন জাতীয় গণমাধ্যম ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত সচিব ও মহাপরিচালক মো. হিরুজ্জামান এনডিসি, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শাহ মো. নিসতার জাহান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. এম. মঈনুল ইসলাম।

নায়িকা নয়, গায়িকা হয়ে নজর কাড়ছেন নাজিফা তুষি

নজরুল জন্মজয়ন্তীতে ‘কালো হরিণ চোখ’

স্বর্ণপাম পেলেন রোমানিয়ান মুঙ্গিউ

শুধু সোশ্যাল মিডিয়াতেই হুমকি: ন্যান্সি

ঈদে দেখা মিলবে ‘টিকটক বউ’

দুরন্ত টিভিতে পাঁচ দিনব্যাপী ঈদ আয়োজন

নজরুল সংগীত দিয়ে ফিরছে কোক স্টুডিও বাংলা

খেলা অতটা বুঝি না, না বুঝেই ব্রাজিল সাপোর্ট করি: হিমি

বিসিবি ও ক্রীড়া সাংবাদিকদের নিয়ে আসিফের বিস্ফোরক মন্তব্য

নয় জাতিগোষ্ঠীর পরিবেশনায় ‘পাহাড়ে ঈদ’