এই প্রজন্মের শ্রোতাপ্রিয় এস কে সাগর শান। পাশাপাশি তিনি একজন সুরকার, সংগীত পরিচালক ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার। আজ থেকে এক যুগেরও বেশি সময় আগে একজন পেশাদার সংগীতশিল্পী হিসেবে গানের ভুবনে তার যাত্রা শুরু হয় আধুনিক, পপ, মেলো, রক ও মডার্ন ফোক ঘরানার গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে।
২০১২ সালে এস কে সাগর শান প্রতিষ্ঠা করেন ব্যান্ড দল ‘পাঞ্জেরী’। তিনি ব্যান্ডটির প্রতিষ্ঠাতা ও লিড ভোকালিস্ট। শিগগিরই প্রকাশ পেতে যাচ্ছে দেলোয়ার আরজুদা শরফের লেখা ও সাগরের সুর সংগীতে তার নিজেরই ‘পরকীয়া প্রেম’ গানটি।
এই গানটি নিয়ে ভীষণ আশাবাদী তিনি। সাগরের বাবা মো. আব্দুল কাদের এবং মাতা মরহুম শাহিদা পারভীন। সাগর বলেন, ‘আজীবন গানে গানেই নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই, কখনো গান গেয়ে কখনো সুর সৃষ্টি করে। সারা বিশ্বের প্রবাসী বাংলা ভাষীরা আমার গানে আরো মুগ্ধ হবে, বাংলাদেশের গানকে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে আরো সমাদৃত করার স্বপ্ন আমার। আর স্বপ্ন নিজ ব্যান্ডদল পাঞ্জেরীকে নিয়ে।’
বিগত এক যুগেরও বেশি সময় তিনি একজন পেশাদার সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক হিসেবে বাংলাদেশের অডিও ইন্ডাস্ট্রি, সিনেমা ও নাটকের আবহ সংগীতেও কাজ করেছেন বেশ সফলতার সঙ্গেই। লেজার ভিশন থেকে প্রকাশিত হয় তার প্রথম একক মৌলিক গান ‘মায়াবী রাত’।
প্রথম গান দিয়েই শ্রোতাদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেন সাগর। ২০১৯ সাল থেকে তিনি পেশাদারভাবে মিউজিক ডিরেক্টর ও সাউন্ড ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ শুরু করেন। সংগীতের পাশাপাশি ২০১০ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত দেশের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’তে প্রতিবেদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। ‘ডেড বডি’ ও ‘ভালোবাসি তোমায়’ (মুক্তি প্রতীক্ষিত) সিনেমার সংগীতায়োজনের পাশাপাশি ‘ভালোবাসি তোমায়’ সিনেমায় দুটি গানও গেয়েছেন তিনি।
সাগরের গাওয়া উল্লেখযোগ্য গানগুলো হচ্ছে ‘মায়াবী রাত’, ‘মায়ায় পড়িস না’, ‘এসো মিলি প্রাণের টানে’, ‘বউ ছিনতাই’, ‘মনের আঙিনা’, ‘ও পাগলা রে জাদু রে’, ‘ঐ চোখে তাকালে’, ‘রঙিলা বৈশাখ’, ‘ভালোবাসার একটা নদী’ ইত্যাদি।