পরিবেশ সুরক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের প্রাতিষ্ঠানিক অবকাঠামোকে আরও আধুনিক ও কার্যকর করার লক্ষ্যে সেতু ভবন প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও নবনির্মিত অডিটোরিয়ামের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।
সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বেলা ১টা ৩০ মিনিটে সেতু ভবন প্রাঙ্গণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, এমপি।
সেতু বিভাগের সচিব ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আবদুর রউফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানের শুরুতে সেতু ভবন প্রাঙ্গণে একটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালিত হয়। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, সবুজায়ন বৃদ্ধি এবং একটি নান্দনিক ও পরিবেশবান্ধব কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রধান অতিথি ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দ চারা রোপণ করেন।
বৃক্ষরোপণ শেষে সেতু ভবনে নবনির্মিত আধুনিক অডিটোরিয়ামের শুভ উদ্বোধন করা হয়। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত ও আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন এই অডিটোরিয়ামটি দাপ্তরিক সভা, সেমিনার, কর্মশালা, প্রশিক্ষণ ও মতবিনিময় সভাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রমে ব্যবহার করা হবে। এর ফলে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ, জ্ঞানবিনিময় ও দাপ্তরিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের উন্নয়ন কার্যক্রম, উদ্ভাবনী উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে একটি আকর্ষণীয় প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করা হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সুরক্ষাকে আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ শুধু বড় বড় সেতু বা অবকাঠামো নির্মাণেই নয়, বরং প্রাতিষ্ঠানিক দক্ষতা বৃদ্ধি এবং পরিবেশবান্ধব সংস্কৃতি গড়ে তোলার ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা পালন করবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘আজকের এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি এবং আধুনিক অডিটোরিয়াম উদ্বোধন আমাদের টেকসই উন্নয়ন ও দাপ্তরিক গতিশীলতা অর্জনের যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অনুকূল কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং সেবার মান আরও দ্রুত জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।’ এ সময় তিনি প্রতিষ্ঠানের কর্মকাণ্ডে গতিশীলতা আনয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেন।