শিক্ষিত তরুণদের বড় অংশই বেকার, আর প্রযুক্তি খাতেও বাড়ছে না চাকরির সুযোগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়োগ। দক্ষতা উন্নয়ন, পরামর্শদান ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সংযোগ তৈরিতে জোর দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বিশেষজ্ঞরা। তরুণদের প্রতিভা ও সম্ভাবনা ইতিমধ্যেই রয়েছে। এখন প্রয়োজন সেই সম্ভাবনাকে বাস্তব কর্মসংস্থানে রূপ দেওয়ার কার্যকর ব্যবস্থা।
কর্মসংস্থানে ভূমিকা রাখতে পারে কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগ
তরুণদের বেকারত্ব মোকাবিলায় প্রচলিত উদ্যোগগুলোর মধ্যে রয়েছে আরো বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, নতুন কর্মসূচি চালু এবং বিভিন্ন কমিটি গঠন। কিন্তু প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ বাস্তবায়নে সময় লাগে। অথচ যেসব তরুণের এখনই সহায়তা প্রয়োজন, তাদের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় দ্রুত পেরিয়ে যাচ্ছে।
এ ক্ষেত্রে কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগ কিছুটা আশার আলো দেখাচ্ছে। আফ্রিকার ১১টি দেশে কর্পসআফ্রিকা নামের একটি প্রতিষ্ঠান স্থানীয়ভাবে নির্ধারিত উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালনার জন্য তরুণ স্নাতকদের নিয়োগ ও প্রশিক্ষণ দেয়। তাদের স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়, প্রকল্পের দায়িত্ব বুঝিয়ে দেওয়া হয় এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার মাধ্যমে দক্ষতা বাড়ানো হয়। প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় যেসব ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনের সুযোগ সীমিত, এ ধরনের উদ্যোগ সেগুলো বিকাশে সহায়তা করে।
পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশেও একই ধরনের চিন্তা থেকে একটি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাইক্রোসফট লার্ন স্টুডেন্ট অ্যাম্বাসেডর কর্মসূচি ও গ্লোবাল শেপার্স পেশোয়ার হাবের মাধ্যমে গড়ে তোলা হয়েছে একটি তৃণমূলভিত্তিক প্রশিক্ষণ মডেল, যার মূল ধারণা হলো—একজনকে প্রশিক্ষণ দিয়ে তাকে আরও কয়েকজনকে প্রশিক্ষণ দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া।
এ উদ্যোগের লক্ষ্য শুধু এক হাজার তরুণকে প্রশিক্ষণ দেওয়া নয়; বরং এমন এক হাজার তরুণকে সক্রিয় করা, যারা প্রত্যেকে আরো ১০ জনের কাছে নিজেদের অর্জিত জ্ঞান পৌঁছে দেবেন। গত চার বছরে এই পদ্ধতিতে খাইবার পাখতুনখাওয়ার এক হাজারের বেশি তরুণের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়েছে। কোনো সরকারি কর্মসূচি বা বড় বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে নয়, বরং শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবীদের পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে এই কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।
কম খরচে পরিচালনাযোগ্য, স্থানীয় জনগোষ্ঠীনির্ভর এবং এক ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তির কাছে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার এই মডেলকে বড় পরিসরে সম্প্রসারণ করা সম্ভব। ওপর থেকে চাপিয়ে দেওয়া অনেক কর্মসূচির তুলনায় এ ধরনের উদ্যোগ স্থানীয় চাহিদার সঙ্গে দ্রুত খাপ খাওয়াতে পারে। এর জন্য প্রাতিষ্ঠানিক পরিবর্তনের অপেক্ষায় থাকারও প্রয়োজন নেই।
তৃণমূলের উদ্যোগের বাইরেও প্রয়োজন স্থায়ী ব্যবস্থা
তবে সহপাঠী ও কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগের কিছু সীমাবদ্ধতা রয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে আগ্রহী ব্যক্তিরা এগিয়ে এলেও দীর্ঘ মেয়াদে এসব কার্যক্রমের গতি কমে যেতে পারে। দায়িত্ব হস্তান্তরের সুস্পষ্ট ব্যবস্থা থাকে না, ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কাঠামোও অনুপস্থিত থাকে। ফলে সময়ের সঙ্গে অনেক উদ্যোগের অর্জন হারিয়ে যায় এবং প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থাও থাকে না।
তাই কমিউনিটিভিত্তিক উদ্যোগই কর্মসংস্থান অবকাঠামোর বিকল্প হতে পারে না। তবে এসব উদ্যোগ প্রমাণ করে, সঠিক পরিবেশ পেলে তরুণেরা একে অপরকে সহযোগিতা করতে আগ্রহী হন। পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হলে পারস্পরিক শিক্ষার সুফলও বাড়তে পারে। স্থানীয় পর্যায়ের উদ্যোগ অনেক ক্ষেত্রে বড় প্রতিষ্ঠানের তুলনায় দ্রুত কাজ করতে পারে।
এই অনানুষ্ঠানিক নেটওয়ার্কগুলো স্বাভাবিকভাবে যে কাজ করে, সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার লক্ষ্যে বর্তমানে একটি কর্মসূচি তৈরি করা হচ্ছে। এর শুরু নির্দিষ্ট কোনো দক্ষতা শেখানোর মধ্য দিয়ে নয়, বরং তরুণদের ক্যারিয়ার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়ার মাধ্যমে। কোন পথে এগোলে ভালো হবে, শ্রমবাজারে কোন দক্ষতার চাহিদা রয়েছে এবং বাস্তবে কী কী সুযোগ পাওয়া যেতে পারে—এসব বিষয়ে তাদের ধারণা পরিষ্কার করা হবে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইয়ের কারণে শ্রমবাজারে পরিবর্তন আসায় এ বিষয়গুলো আরো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। কোন দক্ষতা অর্জন করা প্রয়োজন, কোন চাকরির সুযোগ বাস্তবসম্মত এবং এআইয়ের কারণে কর্মসংস্থানে কী ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে—এসব বোঝা এখন নতুন কর্মজীবনে প্রবেশ করতে যাওয়া তরুণদের জন্য জরুরি। পাকিস্তানের অনেক তরুণের সমস্যা সম্ভাবনার অভাব নয়; বরং তাদের সম্ভাবনা কোন ক্ষেত্রে কাজে লাগানো সম্ভব, সে বিষয়ে সঠিক দিকনির্দেশনা না পাওয়া।
এআইয়ের যুগে বিশ্বনেতাদের সামনে প্রশ্ন
বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের গবেষণা অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে তরুণ কর্মীদের এক-তৃতীয়াংশের বেশি এমন পেশায় নিয়োজিত, যেখানে এআইয়ের কারণে কাজের ধরনে মাঝারি থেকে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। এআইয়ের অগ্রগতি কর্মজীবনের প্রাথমিক পর্যায়ের এমন কিছু সুযোগও সংকুচিত করতে পারে, যেগুলোর মাধ্যমে তরুণেরা ঐতিহাসিকভাবে কাজ শিখেছেন, অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন এবং অর্থনৈতিকভাবে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছেন।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ভবিষ্যতের কর্মসংস্থান নিয়ে আলোচনায় সাধারণত বিদ্যমান কর্মীদের নতুন দক্ষতা শেখানোর ওপর জোর দেওয়া হয়। অর্থাৎ, প্রযুক্তির কারণে যাদের কাজের ধরন বদলে যাচ্ছে, তাদের নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার প্রস্তুতি দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু পাকিস্তানের মতো দেশে সমস্যা আরো মৌলিক। সেখানে তরুণদের কর্মজীবন শুরুর জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়ন ও সহায়তার অবকাঠামো পুরোপুরি গড়ে ওঠার আগেই এআইয়ের প্রভাব এসে পড়েছে।
বিশ্বের মোট শ্রমশক্তির ৮০ শতাংশের বসবাস গ্লোবাল সাউথ বা বৈশ্বিক দক্ষিণের দেশগুলোতে। অথচ কর্মসংস্থানে এআইয়ের প্রভাব নিয়ে বৈশ্বিক আলোচনা মূলত উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোকে ঘিরেই আবর্তিত হয়। বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের ফিউচার অব জবস রিপোর্ট ২০২৫ অনুযায়ী, ২০৩০ সালের মধ্যে কাঠামোগত পরিবর্তনের কারণে বর্তমান বৈশ্বিক কর্মশক্তির ২২ শতাংশ প্রভাবিত হতে পারে। কিন্তু উন্নয়নশীল বিশ্বের বেশির ভাগ দেশে এই পরিবর্তন সামাল দেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়ন অবকাঠামো এখনো সীমিত।
যেসব অঞ্চলে মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রয়োজনীয় কাঠামো কখনোই গড়ে ওঠেনি, সেখানে তা তৈরির দায়িত্ব কার? এর উত্তর শুধু দাতব্য সহায়তা নয়। লাখো তরুণকে দেশে যথাযথ দিকনির্দেশনা দেওয়ার ব্যবস্থা না করে মাত্র ৫০ জনকে বিদেশে পাঠানোর মতো আরেকটি বৃত্তি কর্মসূচিও এ সমস্যার সমাধান করতে পারবে না।
প্রয়োজন প্রতিভা ও কর্মসংস্থানের সুযোগের মধ্যে সংযোগ তৈরিতে পরিকল্পিত ও দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগ। এর মধ্যে থাকতে হবে পরামর্শদানব্যবস্থা, ক্যারিয়ার উন্নয়নের অবকাঠামো এবং কর্মজীবনে প্রবেশের বাস্তবসম্মত ও স্বচ্ছ পথ। এসব ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করে, যাতে তারা নিজেরাই উদ্যোগগুলোর মালিকানা ও দায়িত্ব নিতে পারে।
লেখক রোহাইল ইকবাল গ্লোবাল শেপার্স কমিউনিটির পেশোয়ার হাবের কিউরেটর। চলতি অক্টোবরে দুবাইয়ে অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল ফিউচার লিডার্সের প্রথম বার্ষিক সম্মেলনে প্রতিনিধি হিসেবে অংশ নিয়ে তিনি এ প্রশ্নগুলো বিশ্বনেতাদের সামনে তুলে ধরতে চান। তার মতে, যেসব এলাকায় কর্মসংস্থানের সহায়ক অবকাঠামো নেই, সেখানে তা গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় নেটওয়ার্ক, সম্পদ ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা সম্মেলনে অংশ নেওয়া নেতাদের রয়েছে।
পাকিস্তানে বেকারত্বের চিত্র
পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি এখন আর চাকরি পাওয়ার নিশ্চয়তা নয়; বরং চাকরি খোঁজার যাত্রার শুরু। গ্যালাপ পাকিস্তানের পাকিস্তান লেবার ফোর্স সার্ভে ২০২৪-২৫ বিশ্লেষণ অনুযায়ী, দেশটিতে ২০ থেকে ২৪ বছর বয়সী স্নাতকদের মধ্যে বেকারত্বের হার ৩২ দশমিক ৮ শতাংশ। অর্থাৎ, এই বয়সী স্নাতকদের প্রায় প্রতি তিনজনের একজন বেকার। এর কারণ তাদের সক্ষমতার অভাব নয়; বরং যে কর্মব্যবস্থায় তারা প্রবেশ করছেন, সেটি তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ দেওয়ার উপযোগী করে গড়ে ওঠেনি।
দেশজুড়ে স্নাতকদের বেকারত্বের হার ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ, যা সব শিক্ষাগত যোগ্যতার মানুষের সামগ্রিক বেকারত্বের হার ১৪ দশমিক ৭ শতাংশের চেয়েও বেশি। পরিসংখ্যান বলছে, যারা পড়াশোনায় বেশি সময় ও শ্রম দিয়েছেন, তাদেরই চাকরির অপেক্ষায় থাকার আশঙ্কা তুলনামূলক বেশি। এটি প্রতিভার সংকট নয়, বরং কর্মসংস্থানব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতার প্রতিফলন।
বাড়ছে স্নাতকের সংখ্যা, বাড়ছে না নিয়োগ
পাকিস্তানে কম্পিউটারবিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে স্নাতক তৈরি হওয়ার হার দ্রুত বাড়ছে। পি@এসএইচএ স্কিলস সার্ভে ২০২৫ অনুযায়ী, উচ্চশিক্ষা কমিশন (এইচইসি) অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কম্পিউটারবিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে স্নাতক হওয়ার সংখ্যা ২০২৪ সালের ২৮ হাজার ৯১ থেকে বেড়ে ২০২৮ সালে প্রায় ৬২ হাজারে পৌঁছাতে পারে। অর্থাৎ, আগের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ তরুণ এই বিষয়ে পড়াশোনা শেষ করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
কিন্তু প্রযুক্তি খাতে নিয়োগের গতি সেই অনুপাতে বাড়ছে না। ২০২৪ সালে পাকিস্তানের প্রযুক্তি খাতের গুরুত্বপূর্ণ নিয়োগদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন পি@এসএইচএর সদস্য কোম্পানিগুলো আনুমানিক ৭২ হাজার ৯৫২ জন নবীন স্নাতকের মধ্য থেকে মাত্র ১৩ হাজার ৩৫০ জনকে নিয়োগ দেয়। ফলে এই খাতে নতুন স্নাতকদের কর্মসংস্থানের হার ছিল মাত্র ১৮ দশমিক ৩ শতাংশ। অর্থাৎ, পাঁচজন স্নাতকের মধ্যে প্রায় চারজনই তাদের প্রশিক্ষণসংশ্লিষ্ট খাতে কাজ পাননি।
শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের মধ্যে প্রয়োজনীয় সংযোগের অভাবই এ পরিস্থিতির অন্যতম কারণ। শিক্ষার্থীরা ভুল বিষয়ে পড়ছেন—বিষয়টি এমন নয়। বরং কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের আগে তাদের পর্যাপ্ত পরামর্শ, নিয়োগদাতাদের প্রত্যাশা সম্পর্কে ধারণা এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ তৈরি হচ্ছে না। ফলে ডিগ্রি থাকলেও চাকরির বাজারে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করা অনেকের জন্য কঠিন হয়ে পড়ছে।
পাকিস্তানের মাত্র ৭ শতাংশ তরুণ আনুষ্ঠানিক কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের সুযোগ পান। আঞ্চলিক গড় এ ক্ষেত্রে ২২ শতাংশ। গ্র্যান্ড রিভিউতে প্রকাশিত এক বিশ্লেষণে বিশ্বব্যাংকের হিসাব উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, দক্ষতার এই ঘাটতির কারণে উৎপাদনশীলতা হ্রাস ও রপ্তানির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে না পারায় পাকিস্তানের বছরে ৩১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার ক্ষতি হয়।
১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সী তরুণদের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ শিক্ষা, কর্মসংস্থান বা প্রশিক্ষণের কোনো ক্ষেত্রেই যুক্ত নন। তরুণীদের মধ্যে এই হার অর্ধেকেরও বেশি। অর্থাৎ, বিপুলসংখ্যক তরুণের সম্ভাবনা কাজে লাগানোর মতো কার্যকর ব্যবস্থা দেশটিতে এখনো গড়ে ওঠেনি।
সমস্যাটি তরুণদের পরিশ্রম বা আগ্রহের অভাব নয়। বরং প্রতিভাকে কর্মসংস্থানের সুযোগের সঙ্গে যুক্ত করার জন্য প্রয়োজনীয় পরামর্শদান, ক্যারিয়ার নির্দেশনা, শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যোগাযোগ এবং শ্রমবাজার সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্যের মতো অবকাঠামো দেশের বেশির ভাগ এলাকায় অনুপস্থিত।
সূত্র: www.weforum.org