হোম > চাকরি > ক্যারিয়ার পরামর্শ

আইইএলটিএস স্কোরের মেয়াদ কেন গুরুত্বপূর্ণ

ভর্তি, ভিসা ও অভিবাসন

নিবরাজ বিনতে কবির

বিদেশে উচ্চশিক্ষা, চাকরি কিংবা অভিবাসনের জন্য আবেদন করার ক্ষেত্রে আইইএলটিএস পরীক্ষার স্কোর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শর্ত। কিন্তু অনেকেই পরীক্ষা দেওয়ার পর একটি বিষয় ভুলে যান—এই স্কোর চিরদিনের জন্য কার্যকর থাকে না। নির্দিষ্ট সময় পার হলে অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয়, নিয়োগকর্তা ও অভিবাসন কর্তৃপক্ষ পুরোনো স্কোর আর গ্রহণ করে না। তাই বিদেশে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলে আইইএলটিএস স্কোরের বৈধতার মেয়াদ সম্পর্কে আগে থেকেই পরিষ্কার ধারণা থাকা প্রয়োজন।

আইইএলটিএস স্কোর কত দিন বৈধ

বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, আইইএলটিএস পরীক্ষার ফল প্রকাশের তারিখ থেকে সাধারণভাবে দুই বছর পর্যন্ত বৈধ থাকে। পরীক্ষার ফলের সঙ্গে দেওয়া টেস্ট রিপোর্ট ফর্মে (TRF) পরীক্ষার্থীর ওভারঅল ব্যান্ড স্কোর, চারটি মডিউলের পৃথক স্কোর এবং ফলের তথ্য উল্লেখ থাকে।

দুই বছর পার হয়ে গেলে সেই স্কোর সাধারণত বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, শিক্ষার্থী ভিসা, চাকরি কিংবা পেশাগত নিবন্ধনের জন্য গ্রহণযোগ্য থাকে না। তখন নতুন করে আইইএলটিএস পরীক্ষায় অংশ নিয়ে নতুন স্কোর অর্জন করতে হয়।

বিভিন্ন দেশে কী নিয়ম

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের অধিকাংশ বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দুই বছরের বেশি পুরোনো আইইএলটিএস স্কোর গ্রহণ করে না। ফলে আবেদন করার সময় স্কোরের মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে কি না, সেটি আগে থেকেই যাচাই করা জরুরি। কানাডায় স্থায়ী বসবাসের আবেদন করার ক্ষেত্রেও আবেদনপত্র জমা দেওয়ার সময় আইইএলটিএস স্কোর বৈধ থাকতে হয়। মেয়াদ শেষ হয়ে গেলে নতুন পরীক্ষার ফল জমা দিতে হয়।

অন্যদিকে সাধারণ পড়াশোনা বা চাকরির জন্য আইইএলটিএস স্কোর তিন বছর বৈধ—এমন কোনো সাধারণ নিয়ম নেই। তবে অস্ট্রেলিয়ার কিছু স্কিলড মাইগ্রেশন কর্মসূচিতে নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তিন বছর পর্যন্ত পুরোনো স্কোর বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে।

ওয়ান স্কিল রিটেকের নিয়ম কী

আইইএলটিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য এখন ওয়ান স্কিল রিটেক (One Skill Retake) সুবিধা চালু রয়েছে। এর মাধ্যমে লিসেনিং, রিডিং, রাইটিং অথবা স্পিকিং—এই চারটি অংশের মধ্যে যেকোনো একটি আবার পরীক্ষা দেওয়া যায়। ফলে পুরো পরীক্ষা আবার দেওয়ার প্রয়োজন হয় না। এই সুবিধা নিতে হলে মূল আইইএলটিএস পরীক্ষার ৬০ দিনের মধ্যে ওয়ান স্কিল রিটেক বুক করতে হবে। রিটেকের পর নতুন একটি টেস্ট রিপোর্ট ফর্ম দেওয়া হয়, যা নির্ধারিত ক্ষেত্রে পড়াশোনা ও অভিবাসনের জন্য ব্যবহার করা যায়।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি—সব বিশ্ববিদ্যালয়, পেশাগত সংস্থা বা অভিবাসন কর্তৃপক্ষ ওয়ান স্কিল রিটেকের ফল গ্রহণ করে না। তাই আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নীতিমালা দেখে নেওয়াই ভালো।

পরীক্ষা দেওয়ার সময় পরিকল্পনা করুন

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ হলো, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সময়সূচি, বৃত্তির আবেদন এবং ভিসা প্রক্রিয়ার সঙ্গে মিল রেখে আইইএলটিএস পরীক্ষা দেওয়া উচিত। এতে আবেদন চলাকালে স্কোরের মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে না।

ধরুন, কোনো শিক্ষার্থী ২০২৬ সালের ১ আগস্ট আইইএলটিএস পরীক্ষায় অংশ নিলেন। সে ক্ষেত্রে তার স্কোর সাধারণভাবে ২০২৮ সালের ৩১ জুলাই পর্যন্ত বৈধ থাকবে। এরপর নতুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদন, ভিসা কিংবা অন্যান্য কাজে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নতুন করে আইইএলটিএস পরীক্ষা দিতে হবে।

তাই আইইএলটিএস পরীক্ষার প্রস্তুতির পাশাপাশি নিজের উচ্চশিক্ষা, চাকরি বা অভিবাসনের সময়সূচিও পরিকল্পনা করা জরুরি। সঠিক সময়ে পরীক্ষা দিলে স্কোরের মেয়াদ নিয়ে অনাকাঙ্ক্ষিত জটিলতায় পড়তে হবে না এবং আবেদন প্রক্রিয়াও আরো সহজ হবে।

যুদ্ধের শুরুতেই ইরানের ৩ পাইলটকে আটক করে কাতার

কচুর পাতা কাটাকে কেন্দ্র করে বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ

খালেদা জিয়ার জন্মদিনে ছিন্নমূল মানুষের মাঝে ছাত্রদলের খাবার বিতরণ

সদরঘাটে চাঁদাবাজির টাকা ভাগাভাগি নিয়ে সংঘর্ষ, স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী নিহত

পেশাদার আমলাতন্ত্র ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়

পরিসংখ্যানে বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া টেস্টের তৃতীয় দিন

‘আজান আমেরিকান সংস্কৃতির অংশ নয়’

হজযাত্রীদের নিয়ে আল-কিবলাহ হজ কাফেলার পুনর্মিলনী

মিরাজ বললেন মিটমাট হয়ে গেছে

জেতা সম্ভব ভাবছে অস্ট্রেলিয়াও