ইসলামের ইতিহাসে হজ অনন্য ও গভীর তাৎপর্যপূর্ণ ইবাদত। কাবাগৃহ নির্মাণ শেষে ‘রাব্বানা তাকাব্বাল মিন্না’ বলে ইবরাহিম (আ.) যে দোয়া করেছিলেন, তার গুঞ্জরন আজও মুসলিম মানসে দোলা দিয়ে যায়। এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে পৃথিবীর নানা প্রান্ত থেকে মানুষ ছুটে আসে কাবার দিকে। যুগে যুগে বহু মানুষ হজ করেছেন। বাইতুল্লাহ জিয়ারত করেছেন। তাদের অনেকেই পরবর্তী প্রজন্মের জন্য হজের সফরনামা লিখে গেছেন। ফলে ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে ‘হজের সফরনামা’ নামে এক স্বতন্ত্র সাহিত্যধারা।
আজ দুই ভিন্ন যুগের দুটি হজ-সফরের বিবরণ তুলে ধরা হবে। তাদের একজন বিশ্বখ্যাত পর্যটক ইবনে বতুতা, যিনি ৭২৬ হিজরি (১৩২৬ খ্রিষ্টাব্দ) সনে হজে গমন করেন। অন্যজন হলেন মিসরের খ্যাতিমান পর্যটক ও ইতিহাসবিদ মুহাম্মদ লাবিব বাতনুনি, যিনি ১৩২৭ হিজরি (১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ) সালে মক্কাভূমি জিয়াতর করেন।
ইবনে বতুতা
ইবনে বতুতা ৭২৬ হিজরি (১৩২৬ খ্রিষ্টাব্দ) সনে শামের কাফেলার সঙ্গে হেজাজের উদ্দেশে যাত্রা করেন। সে বছরের শাওয়াল মাসে তিনি মদিনায় পৌঁছান। সেখান থেকে পরে তিনি মক্কায় আসেন।
বাইতুল্লাহ দর্শন : জিলকদ মাসের ২০ তারিখে ইবনে বতুতা বাইতুল্লায় প্রবেশ করেন। প্রথমবার বাইতুল্লাহ দর্শনের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে তিনি বলেন, ‘আমরা কাবা শরিফ জিয়ারত করলাম। আল্লাহতায়ালা এর মহিমা আরো বৃদ্ধি করে দিন। কাবাঘর দেখে মনে হচ্ছিল, মহিমার মঞ্চে উন্মোচিত, সৌন্দর্যের বস্ত্রে আচ্ছাদিত হয়ে আছে। আর তার চারপাশে পরিবেষ্টিত রয়েছেন রহমানের মেহমানরা।
জিলহজ মাসের সূচনা : জিলহজ মাস শুরু হলে ইবনে বতুতা অদ্ভুত এক রীতি দেখতে পেলেন। তিনি দেখলেন, হজের মোবারক মাসের ঘোষণা হিসেবে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় ঢোল ও দফ বাজিয়ে আওয়াজ করা হচ্ছে। আরাফা দিবস পর্যন্ত এই রীতি অব্যাহত থাকে।
হজের প্রস্তুতি ও মিনা আরাফায় অবস্থান : জিলহজ মাসের ৭ তারিখে জোহরের নামাজের পর খতিব সাহেব তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণ দেন। তিনি উপস্থিত সবাইকে হজের বিধিবিধান ও আরাফায় অবস্থানের গুরুত্ব বুঝিয়ে দেন। ৮ তারিখ ভোরবেলা সবাই মিনায় চলে যান। মিসর, শাম ও ইরাকের আমির-ওমারা এবং জ্ঞানী ব্যক্তিরা সেই রাতটি সেখানেই অবস্থান করেন। এ সময় মিসর, শাম ও ইরাকের লোকদের মধ্যে প্রদীপ (শামা) প্রজ্বালনকে কেন্দ্র করে প্রতিযোগিতা ও গৌরব প্রদর্শনের প্রবণতা দেখা যায়। ৯ তারিখ হাজিরা আরাফার ময়দানে উপস্থিত হন। মিনা থেকে আরাফায় যাওয়ার পথে সবাই দ্রুত হেঁটে ওয়াদি মুহাসসির অতিক্রম করেন, যা আল্লাহর রাসুলের সুন্নত।
খাদ্যের প্রাচুর্য : ইবনে বতুতা অনুর্বর মক্কায় খাদ্যের প্রাচুর্য ও ফলমূলের সমাহার প্রত্যক্ষ করেছিলেন। তিনি বলেন, ‘আমি সেখানে আঙুর, ডুমুর, পিচ ও খেজুর খেয়েছি—যার কোনো তুলনা দুনিয়ায় নেই। সেখানে আনা তরমুজের স্বাদও অতুলনীয়। মাংস ছিল চর্বিযুক্ত ও অত্যন্ত সুস্বাদু। বিভিন্ন দেশ থেকে ভোজ্যপণ্য এখানে আমদানি করা হয়। এটি আল্লাহর পক্ষ থেকে পবিত্র হারামের অধিবাসী ও কাবাগৃহের প্রতিবেশীদের জন্য এক বিশেষ অনুগ্রহ।’
আরাফার বিবরণ : আশপাশের পাহাড় থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে আরাফার ময়দানের জাবালে রহমত বিস্তৃত সমতল ভূমির মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে। পাহাড়টি বিচ্ছিন্ন পাথরখণ্ড দিয়ে গঠিত। এর শীর্ষে উম্মে সালামা (রা.)-এর নামে একটি গম্বুজ রয়েছে এবং মাঝামাঝি স্থানে একটি মসজিদ আছে। এই পাহাড়ের নিচে, কাবার দিকে মুখ করে দাঁড়ালে বাম পাশে একটি প্রাচীন স্থাপনা দেখা যায়। বলা হয়, এটি আদম (আ.)-এর বাড়ি। এর পাশেই নবীজি (সা.) যে পাথরে বসতেন, সেই পাথরগুলো রয়েছে। এর চারপাশে পানি সংরক্ষণের জন্য হাউস ও কূপ রয়েছে।
কাবায় গিলাফ : মিসরের কাফেলা নিজেদের সঙ্গে কাবার গিলাফ নিয়ে এসেছিল। কোরবানির দিন ইবনে বতুতা দেখলেন, গিলাফটি কাবার ছাদে রাখা হয়েছে। কোরবানির পর তৃতীয় দিনে কাবার খাদেম শায়বা গোত্র কাবায় গিলাফ পরিয়ে দেয়। গিলাফের ওপর নকশা করে সাদা অক্ষরে লেখা ছিল—جَعَلَ ٱللَّهُ ٱلْكَعْبَةَ ٱلْبَيْتَ ٱلْحَرَامَ قِيَـٰمًا لِّلنَّاسِÑআল্লাহ সম্মানিত গৃহ কাবাকে মানুষের কল্যাণের জন্য প্রতিষ্ঠা করেছেন। (সুরা মায়েদা : ৯৭) এই আয়াতটি গিলাফের চারপাশেও সাদা অক্ষরে নকশা করে লেখা ছিল।
দানের প্রভাবে দ্রব্যমূল্য হ্রাস : ইবনে বতুতা লক্ষ করেন, ইরাকি কাফেলা মক্কার দরিদ্র ও অভাবগ্রস্তদের মধ্যে বিপুল পরিমাণ স্বর্ণ দান করছে। তাদের বিপুল দানের প্রভাবে মক্কায় পণ্যের বাজারদর পর্যন্ত কমে গিয়েছে।
হজ শেষে বিশ্ব ভ্রমণ : হজ সম্পন্ন করার পর ২০ জিলহজ, ১৩২৬ খ্রিষ্টাব্দ (১৭ নভেম্বর) তিনি ইরাকের কাফেলার সঙ্গে যাত্রা করেন। এরপর তার ভ্রমণ ধীরে ধীরে বিশ্বজুড়ে বিস্তৃত হতে থাকে। ধারাবাহিকভাবে ২০ বছরেরও বেশি সময় তিনি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেন।
মুহাম্মদ লাবিব বাতনুনি
১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দে মিসরের খেদিভ (শাসক) আব্বাস হিলমি (দ্বিতীয়) হজ পালন করার উদ্দেশ্যে বহু সরকারি আমলা ও সামরিক নেতা নিয়ে হজের সফরে যান। তার কাফেলার সঙ্গে মিসরীয় ইতিহাসবিদ ও ভ্রমণলেখক মুহাম্মদ লাবিব বাতনুনিও ছিলেন। বাতনুনি ভ্রমণপ্রিয় ছিলেন এবং সংস্কৃতি ও সামাজিক মর্যাদায়ও ছিলেন উচ্চস্থানে অধিষ্ঠিত।
বাতনুনির হজের সফরনামা ইতিহাস, সামাজিক জীবন ও হজ-সংক্রান্ত ফিকহি বিষয়ের একটি সমন্বিত রচনা। তিনি মক্কার অধিবাসী ও তৎকালীন শাসনব্যবস্থার কথা উল্লেখ করেছেন। পাশাপাশি খাদিজা (রা.)-এর গৃহ, দারুল আরকাম, আইন জায়দা, মসজিদুল হারাম ও কাবার গিলাফসহ নানা ঐতিহাসিক নিদর্শনের কথাও তুলে ধরেছেন। শেষে তিনি জেরুসালেম, আল-আকসা মসজিদ, হেবরন ও বেথলেহেম সম্পর্কেও আলোচনা করেছেন।
যাত্রার সূচনা : ১৩২৭ হিজরির ২৯ জিলকদ (১১ ডিসেম্বর ১৯০৯ খ্রিষ্টাব্দ) তারা কায়রো থেকে ট্রেনে করে সুয়েজে পৌঁছান। সেখান থেকে খেদিভের ইয়ট ‘আল-মাহরুসা’তে আরোহণ করে লোহিত সাগর পাড়ি দিয়ে রাবিগে পৌঁছান। মিসরের হাজিরা এখানে ইহরাম বাঁধেন। সেখান থেকে ইহরাম বেঁধে তারা আবার জাহাজে চড়ে জেদ্দার উদ্দেশে রওনা হন এবং জিলহজের প্রথম দিনে সেখানে পৌঁছান।
জেদ্দা বন্দর : বাতনুনি জেদ্দার বর্ণনায় বলেন, হজের মৌসুমে শহরটি দিনরাত অবিরাম গতিশীল থাকে। হাজিরা যখন বন্দরে পৌঁছাতেন, তখন কাস্টমসের প্রবেশপথে তাদের জন্য ‘মুতাওয়িফ’ বা গাইডরা অপেক্ষা করতেন এবং হাজিদের নাম ধরে ডাকতেন। দলের সন্ধান পেলে গাইডরা দ্রুত এগিয়ে এসে সাহায্য করতেন এবং তাদের কাছ থেকে পাসপোর্ট নিয়ে নিবন্ধন করাতেন। জেদ্দায় এক-দুই দিন বিশ্রাম ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার পর হাজিরা উট, গাধা বা ঘোড়ায় চড়ে মক্কার দিকে যাত্রা করতেন। সে সময় গাড়ি বা মোটরযানের প্রচলন ছিল না।
প্রথম তাওয়াফ : ১৩২৭ হিজরির ৩ জিলহজ রাতে (১৪ ডিসেম্বর ১৯০৯) আব্বাস হিলমি (দ্বিতীয়) মিসরের কাফেলার সঙ্গে ঘোড়ায় চড়ে মক্কার উপকণ্ঠে পৌঁছান। মক্কার শাসক শরিফ হুসাইন ও সেখানকার বিশিষ্ট ব্যক্তিরা তাকে অভ্যর্থনা জানান। এরপর খেদিভ হারামে প্রবেশ করেন। তাওয়াফে কুদুম (প্রথম তাওয়াফ) করেন।
মক্কায় জুমার দিন : বাতনুনি বলেন, ‘খতিব যখন মিম্বরে আরোহণ করলেন, তখন তার সঙ্গে একজন আগাও উঠে তার পায়ের কাছে মেহরাবের নিচের ধাপে বসে পড়ল। খুতবা প্রদানকালে খতিবকে সুরক্ষা দেওয়ার এটি একটি প্রাচীন প্রথা। খুতবা শেষে উচ্চপদস্থদের থেকে খতিবকে সম্মানসূচক পোশাক দেওয়া হয়। তার গায়ে পোশাক পরিয়ে দেন হুসাইন মুহাররম পাশা। এরপর খতিব কাবা শরিফের দেয়ালের কাছে দাঁড়িয়ে মানুষকে নিয়ে নামাজ আদায় করেন।
মক্কায় যোগাযোগের অব্যবস্থাপনা : বাতনুনি সে সময় টেলিগ্রাফ ও ডাকঘরের মতো মক্কার পুরোনো যোগাযোগব্যবস্থার সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, ‘এই শহরে টেলিগ্রাফের কোনো শৃঙ্খলাই নেই। অধিকাংশ বার্তাই প্রাপকের কাছে পৌঁছায় না। সম্ভবত হজের সময়ের অতিরিক্ত চাপের কারণে এমনটি ঘটে। আর পোস্ট অফিসের কথা না-ই বা বললাম। হজের মৌসুমে জেদ্দা থেকে উটের পিঠে বস্তায় ভরে চিঠিপত্র মক্কায় নিয়ে আসা হয়। এরপর সেগুলো ডাকঘরের সরুপথে ফেলে রাখা হয়। পরে মুতাওয়িফরা, তাদের ছেলেরা বা হাজিরা নিজেরাই এসে সেগুলো ঘেঁটে দেখেন। ফলে অধিকাংশ চিঠিই তাদের প্রকৃত প্রাপকের কাছে পৌঁছায় না।’
মক্কার বাজার : হজের মৌসুমে ব্যবসায়ীদের কোনো বিরাম ছিল না। এ সময় সবচেয়ে বেশি বিক্রি হতো বিভিন্ন ধরনের আতর, তসবিহ, গালিচা ও জায়নামাজ এবং ভারতীয় ও শামি রেশেমের পোশাক। তার বর্ণায় সে সময় বাজারের অবস্থা ছিল এমনÑ
মক্কার হারামের উত্তরে ছিল শামি বাজার। এটি অনেকটা তুর্কি বাজারের মতোই। মিসরের খান খলিল বাজারের মতো এর ছাদও কাঠের ছিল। তবে এই বাজারের রাস্তাগুলো ছিল খুবই সংকীর্ণ; উট চলাচল করলে মানুষের হাঁটার জায়গা থাকত না। এই বাজারে তসবিহ, ভারতীয়, তুর্কি কাপড়সহ নানা পণ্য বিক্রি হতো। এছাড়া ফিরোজা, ইয়াকুত ও আকিক পাথরেরও প্রচুর বেচাকেনা চলত। ইয়েমেনি হাজিরা শহরের রাস্তায় এগুলো খুব সস্তায় বিক্রি করতেন।
আরাফায় অবস্থান : তিনি বলেন, ‘আরাফার দিন আসরের নামাজের পর মিসর ও শামের কাফেলা জাবালে রহমতের ঢালে অবস্থান নেয়। এরপর হজের ইমাম উট নিয়ে পাহাড়ের চূড়ায় চলে আসেন। সেখান থেকে তিনি হজের খুতবা দেন, মানুষকে হজের বিধিবিধান শিক্ষা দেন। আর তখন উসমানি সালতানাতের পক্ষ থেকে যিনি মক্কার কাজি নিযুক্ত হতেন, তিনিই হজের খুতবা দিতেন।
মুজদালিফার উদ্দেশে যাত্রা : আরাফার দিন শেষ হলে হজের খতিবের পক্ষ থেকে তোপধ্বনি করে উকুফ (আরাফায় অবস্থান) সমাপ্তির ঘোষণা করেন। তখন কাফেলাগুলো চলতে শুরু করে। চারপাশ থেকে শোনা যায় কান্নার আওয়াজ, সংগীতের গুঞ্জন, কান্নার শব্দ আর দোয়া ও প্রার্থনার ধ্বনি। তোপধ্বনির আগেই হাজিরা প্রস্তুতি সম্পন্ন করে মুজদালিফার উদ্দেশে রওনা হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকেন।
মিনায় কোরবানি : কোরবানির দিন হাজিরা সবাই মিনায় চলে আসেন। সে বছর মিসরের কাফেলা মক্কার শরিফের শিবিরের উত্তরে এবং শামের কাফেলা মসজিদে খাইফের কাছে অবস্থান করছিল। মিনায় পৌঁছেই হাজিরা সরাসরি জামরায় পাথর নিক্ষেপ করেন, এরপর কোরবানি দেন, মাথা মুণ্ডন বা চুল ছাঁটেন এবং ইহরাম খুলে স্বাভাবিক পোশাক পরিধান করেন। এর মাধ্যমে তাদের জন্য স্ত্রী-সংসর্গ ও সুগন্ধি ব্যবহার ছাড়া সবকিছু বৈধ হয়ে যায়।
মিনায় উসমানী সালতানাতের ফরমান পাঠ : মিনায় বাতনুনি উসমানী সালতানাতের ফরমান পাঠের অনুষ্ঠানও প্রত্যক্ষ করেন। এই ফরমানে উসমানীয় সুলতান মক্কার শরিফ ও শাসককে হাজিদের দেখভালের নির্দেশ দিতেন। এর সঙ্গে সম্মানসূচক পোশাক এবং অর্থের থলিও পাঠানো হতো। ফরমান পাঠের জন্য নির্দিষ্ট আচার-অনুষ্ঠান ছিল। বাতনুনি বর্ণনা করেন, ‘দুজন কর্মকর্তা ফরমানের দুই প্রান্ত ধরে রাখলেন আর তুর্কি ভাষায় তা পাঠ করা হলো। এরপর শরিফের সচিব আরবিতে এর অনুবাদ পাঠ করলেন। সে বছরের ফরমানের সারমর্ম ছিল—সুলতান মুহাম্মদ পঞ্চম মক্কার শাসককে হাজিদের সহায়তা করা, তাদের নিরাপত্তা ও স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করা, পথঘাট নিরাপদ রাখা, যোগাযোগ সহজ করা এবং পথভ্রষ্টদের দমন করার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি বেতন ও অনুদান সুষ্ঠুভাবে বণ্টনের বিষয়ে সতর্ক থাকতে এবং সরকারি কর্মচারীদের দায়িত্ব পালনে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান।’