হোম > জাতীয়

নির্বাচনে জিতলেন ভিন্ন ধর্মের যে ৪ প্রার্থী

আমার দেশ অনলাইন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের চার প্রার্থী জয়লাভ করেছেন। তারা সবাই বিএনপি–মনোনীত প্রার্থী।

২৯৯টি সংসদীয় আসনে গতকাল বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পাশাপাশি গণভোটের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়। ২৯৯টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ২৯৭টির আনুষ্ঠানিক ফলাফল ইতিমধ্যে ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আসনগুলোর ফলাফল বিশ্লেষণ করে এমন তথ্য পাওয়া যায়।

ঢাকা–৩ আসন থেকে জয় পেয়েছেন বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি ঢাকার কেরানীগঞ্জের স্থায়ী বাসিন্দা। কেরানীগঞ্জ উপজেলার জিনজিরা, আগানগর, তেঘরিয়া, কোন্ডা ও শুভাঢ্যা এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা–৩ আসন।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় পেয়েছেন ৯৮ হাজার ৭৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. শাহীনুর ইসলাম। তিনি পেয়েছেন ৮২ হাজার ২৩২ ভোট।

মাগুরা-২ আসনে জয়ী হয়েছেন বিএনপির নেতা নিতাই রায় চৌধুরী। তিনি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান। তিনি গয়েশ্বর চন্দ্র রায়ের বেয়াই। নিতাই রায় চৌধুরী ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৮৯৬টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের প্রার্থী মো. মুশতারশেদ বিল্লাহ। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ১৭ হাজার ১৮ ভোট।

বান্দরবান থেকে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করেছেন সাচিং প্রু। তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৫৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী আবু সাঈদ মো.সূজা উদ্দীন। তিনি পেয়েছেন ২৬ হাজার ১৬২ ভোট। সাচিং প্রু বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক। ২০১৮ সালের নির্বাচনেও তিনি বিএনপির মনোনয়নে ভোট করেছিলেন।

রাঙ্গামাটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচনে জয়লাভ করেছেন দীপেন দেওয়ান। তিনি পেয়েছেন ২ লাখ ১ হাজার ৫৪৪ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমা। তিনি ফুটবল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩১ হাজার ২২২ ভোট।

বিএনপি এবার ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে ছয় ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়েছিল। তাদের মধ্যে দুজন পরাজিত হয়েছেন। তারা হলেন বাগেরহাট–১ আসনের কপিল কৃষ্ণ মণ্ডল ও বাগেরহাট–৪ আসনের সোমনাথ দে।

এবারের নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি একজন করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী দিয়েছিল। তারা দুজনই পরাজিত হয়েছেন। তারা হলেন খুলনা–১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী এবং মৌলভীবাজার–৪ আসনে এনসিপির প্রার্থী প্রীতম দাশ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অন্তত ৭৯ জন ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। নিবন্ধিত ৬০টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২২টি দল সংখ্যালঘু সম্প্রদায় থেকে ৬৭ জনকে মনোনয়ন দিয়েছিল। এর বাইরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ১২ জন প্রার্থী নির্বাচন করেন।

জানা গেল কবে খুলবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান

সংবাদ সম্মেলন ডেকেছে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং

বিজয়ী সর্বকনিষ্ঠ নারী কে এই পুতুল

মন্ত্রিসভার বিষয়ে যা জানালেন সালাহউদ্দিন

তারেক রহমানকে চীনের অভিনন্দন

বিএনপির জয়ে তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানালেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

যে ৪২ দলের নির্বাচিত হয়নি কেউই

গেজেট প্রকাশের বিষয়ে যা জানালেন ইসি সচিব

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী: কী কী সংস্কার হবে?

নতুন সরকার ও মন্ত্রিপরিষদ গঠন কবে?