বৃহত্তর ঢাকার যানজট নিরসন ও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম সমন্বয়ের লক্ষ্যে সড়ক, গণপরিবহন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও নগর পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত ২৪টি সংস্থার প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি কমিটি করেছে সরকার।
কমিটির সভাপতি করা হয়েছে রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রীকে আর সদস্য সচিব হয়েছেন ঢাকা পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষের (ডিটিসিএ) নির্বাহী পরিচালক। সমন্বয়হীনতা কাটিয়ে যানজটের কারণ চিহ্নিত করে স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করবে এই কমিটি।
সোমবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন প্রকাশ জারি করে। কমিটির সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন— সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব, বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের কমিশনার, ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ, নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র বা প্রশাসক, বিআরটিএ চেয়ারম্যান, বিআরটিসির চেয়ারম্যান, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, বিআইডব্লিউটিসির চেয়ারম্যান, ঢাকা ওয়াসার এমডি, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী, রাজউক চেয়ারম্যান, বুয়েটের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের অধ্যাপক, বিআইডব্লিউটিএ চেয়ারম্যান, ডিএমটিসিএলের এমডি, জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, ঢাকা বাস র্যাপিড ট্রানজিটের এমডি এবং তিতাস গ্যাসের এমডি।
প্রজ্ঞাপনে কমিটির কার্যপরিধিতে নয়টি বিষয় নির্ধারণ করা হয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে— পরিবহন খাতের চলমান সমস্যাগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আলোচনা করা; যানজটের মূল কারণ চিহ্নিত ও বিশ্লেষণ; স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন; বিভিন্ন পরিবহন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় ও সহযোগিতা বৃদ্ধি; গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন ও আধুনিকায়নের সুপারিশ; আধুনিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও প্রযুক্তির ব্যবহারের সুপারিশ; নাগরিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ট্রাফিক আইন বিষয়ে প্রচারণা জোরদার করা; পরিবহন বিশেষজ্ঞ ও সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের মতামত নেওয়া এবং গৃহীত উদ্যোগগুলোর কার্যকারিতা মূল্যায়ন ও নিয়মিত পর্যবেক্ষণ।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, প্রতিমাসের প্রথম রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। ওই দিন সরকারি ছুটি থাকলে পরবর্তী কর্মদিবসে সভা হবে।