প্রস্তাবিত বাজেটে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ জন্য সামগ্রিকভাবে ২ হাজার ১৮৮ কোটি টাকা এবং সুপ্রীম কোর্টের জন্য ২৯১ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করা হয়েছে। সুপ্রীম কোর্টের জন্য আগের সংশোধিত বাজেটে ছিল ২৭০ কোটি টাকা। বিদায়ী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে আইন ও বিচার বিভাগের জন্য বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৭৫ কোটি টাকা।
এদিকে বাণিজ্যিক মামলা, বিশেষ করে পুঁজিবাজার সংক্রান্ত মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তিতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার পুঁজিবাজার সংক্রান্ত বিরোধের জন্য একটি বিশেষায়িত বিরোধ নিষ্পত্তি ব্যবস্থা পর্যালোচনা করছে, যার মধ্যে সিদ্ধান্ত কার্যকর করার আইনি ক্ষমতা সম্পন্ন একটি বিশেষ ট্রাইব্যুনাল বা ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনাও রয়েছে।
অর্থমন্ত্রী বাজেট বক্তৃতায় বলেন, ব্যাবসায়িক পরিবেশ ও বিচারিক দক্ষতা উন্নত করতে এবং বিনিয়োগকারীদের আইনি সুরক্ষা জোরদার করার লক্ষ্যে অর্থমন্ত্রী দ্বিপাক্ষিক বিনিয়োগ চুক্তি সম্প্রসারণ এবং দ্বৈত কর পরিহার চুক্তি হালনাগাদ করার পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছেন।
মন্ত্রী তার বক্তৃতায় আরো বলেন, আনুষ্ঠানিক আপিল ছাড়াই সহজ সমাধানের সুযোগ করে দিতে আয়কর বিরোধে বিকল্প বিরোধ নিষ্পত্তি (এডিআর)-এর পরিধি বাড়ানো হবে।
তিনি বলেন, দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া কমাতে এবং আদায়ের কার্যকারিতা বাড়াতে সরকার খেলাপি ঋণ আদায়ের জন্য মামলা-পূর্ব মধ্যস্থতার ব্যবহারকে উৎসাহিত করবে।
এমএমআর