৪৯তম বিসিএসে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে ৬১১ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সুপারিশের পর বুধবার এ প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। এর আগে পিএসসি ৬৬৮ জনকে নিয়োগের চূড়ান্ত সুপারিশ করেছিল। ফলে চূড়ান্ত সুপারিশের মধ্যে ৫৭ জন বাদ পড়েছে।
প্রজ্ঞাপনে নিয়োগপ্রাপ্তদের আগামী ১২ অক্টোবরের মধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের নির্ধারিত কার্যালয়ে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থী চাকরিতে যোগদানে সম্মত নন বলে গণ্য হবেন এবং তার নিয়োগপত্র বাতিল হবে।
নিয়োগপ্রাপ্তদের বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারের প্রবেশ পদে জাতীয় বেতনস্কেল, ২০২৬ অনুযায়ী ৪৪ হাজার থেকে ১ লাখ ৫ হাজার ৯০০ টাকা বেতনক্রমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, নিয়োগপ্রাপ্তদের দুই বছর শিক্ষানবিস হিসেবে কাজ করতে হবে। প্রয়োজন হলে সরকার এ শিক্ষানবিসকাল আরও দুই বছর বাড়াতে পারবে। শিক্ষানবিসকালে কোনো প্রার্থীকে চাকরিতে বহাল রাখার অনুপযোগী মনে হলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই এবং সরকারি কর্ম কমিশনের সঙ্গে পরামর্শ ছাড়াই তাকে চাকরি থেকে অপসারণ করা যাবে।
এদিকে শিক্ষা ক্যাডারে মেধা তালিকায় প্রথম হয়েও চূড়ান্ত গেজেটে নিয়োগ না পাওয়ার দাবি করেছেন চাকরিপ্রার্থী সোহেল রানা। বুধবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি লেখেন, ‘ধন্যবাদ, বাংলাদেশ ৪৯ তম বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারে ১ম হয়েও আমাকে গ্যাজেট থেকে বঞ্চিত করার জন্য।’ তার এ দাবির বিষয়ে প্রজ্ঞাপনে পৃথক কোনো কারণ উল্লেখ করা হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
এর আগে ২০২৫ সালের ১৯ অক্টোবর ৪৯তম বিশেষ বিসিএসের ফল প্রকাশ করে পিএসসি। এতে শিক্ষা ক্যাডারের জন্য ১ হাজার ২১৯ জন প্রার্থী উত্তীর্ণ হন। পরে পিএসসি ৬৬৮ জনকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করেছিল। বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে সাধারণ শিক্ষা ও শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজের জন্য মোট ৬৮৩টি পদ নির্ধারিত ছিল। যোগ্য প্রার্থী না পাওয়ায় ১৫টি পদে কোনো সুপারিশ করতে পারেনি পিএসসি।