হোম > জাতীয়

সীমান্তে গুলিবিদ্ধ হুজাইফার মৃত্যুঝুঁকি থাকায় বের করা যাচ্ছে না গুলি

স্টাফ রিপোর্টার

কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে আহত শিশু হুজাইফা আফনানকে (৯) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস (নিনস) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। শারীরিক অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন। অবস্থার উন্নতি না হলে মাথায় থাকা গুলি এখনই বের যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

বুধবার হুজাইফার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাত পৌনে ১১টার দিকে নিউরোসায়েন্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয় শিশুটিকে।

হুজাইফার উন্নত চিকিৎসার জন্য নিউরোট্রমায় অভিজ্ঞ চিকিৎসকদের নিয়ে একটি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে ৯ সদস্যের কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- হাসপাতালটির যুগ্ম পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. বদরুল আলম মন্ডল, অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মনিরুল ইসলাম, সহযোগী অধ্যাপক হুমায়ুন কবীর হিমু, সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ্ত কুমার মুখার্জি, সহযোগী অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম ও সহযোগী অধ্যাপক ফরহাদ হোসেন চৌধুরী।

আজ সকাল ১১টায় বৈঠকে বসে মেডিকেল বোর্ড। তার আগে শিশুটির সিটি স্ক্যান ও এনজিওগ্রাম করা হয়। বৈঠকে চিকিৎসকেরা মতামত দেন, হুজাইফার শারীরিক অবস্থা এখনো আশঙ্কাজনক। মস্তিষ্কে গুলি থাকায় একপাশের রক্তনালি বন্ধ হয়ে গেছে। জ্ঞানের মাত্রা অর্ধেকে নেমেছে। এখনই অস্ত্রোপচার করলে মৃত্যুঝুঁকি রয়েছে।

কমিটির সদস্য নিউরোসার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. মাহফুজুর রহমান আমার দেশকে বলেন, ‘মঙ্গলবার ভর্তির পর থেকে এইচডিইউতে (হাই ডিপেন্ডেন্সি ইউনিট) নিবিড় তত্ত্বাবধানে হুজাইফার চিকিৎসা চলছে। মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্ত হয়েছে আপাতত ওষুধের মাধ্যমে চিকিৎসা চলবে। কিছু ওষুধ নতুন যুক্ত করার পাশাপাশি আগের কিছু ওষুধ বাদ দেওয়া হয়েছে। শিশুটির একটি রক্তনালি বন্ধ পাওয়া গেছে। যার ফলে মস্তিষ্কের একটি অংশ রক্ত প্রবাহের অভাবে নষ্ট হয়ে যাওয়ার পথে আছে। তবে আশার কথা হলো, ঢাকায় আনার আগে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি গুরুত্বপূর্ণ সফল অস্ত্রোপচার হয়েছে। সেই অস্ত্রোপচারের জন্য আমরা আশাবাদী শিশুটি ফিরবে।’

তিনি বলেন, ‘যে গুলিটা এখনো মস্তিষ্কে এখন রয়ে গেছে, তা অত্যন্ত সংবেদনশীল জায়গায় রয়েছে। এটি এখনই বের করলে শিশুটির জীবন বিপন্ন হতে পারে। ফলে অবস্থার উন্নতি না হওয়ায় পর্যন্ত গুলি যেখানে আছে, সেখানে রেখেই চিকিৎসা চলবে। উন্নতির পর সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, গুলিটি বের করার প্রয়োজন রয়েছে কিনা।’

মাহমুফুজুর রহমান বলেন, ‘সাধারণত মানুষের জ্ঞানের মাত্রা ১৫ থাকে, সেখানে তার রয়েছে ৭ থেকে ৮। সাধারণ, এই মাত্রা ছয়ের নিচে গেলে সুস্থ হবে কিনা সেই শঙ্কায় ভয় পাই আমরা। যেহেতু সেটির থেকে বেশি, তাই অনেকটা আশাবাদী আমরা।’

টেকনাফের হোয়াইক্যং সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে আরাকান আর্মি ও আরসার মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। সীমান্তের ওপারের ব্যাপক গোলাগুলির প্রভাবে এপারেও পড়ছে। গত ১১ জানুয়ারি সকালে মিয়ানমার থেকে আসা গুলিতে হোয়াইক্যং তেচ্ছাব্রিজ এলাকায় গুলিবিদ্ধ হয় হুজাইফা। শিশু হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল গ্রামের জসিম উদ্দিনের মেয়ে। ওই দিন মেয়েটিকে চট্টগ্রাম মেডিকেলে আনে লাইফ সাপোর্টে রাখা হয়। ওই দিন রাতেই অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মস্তিষ্কের ভিতরে থাকা গুলিটি বের করার চেষ্টা করেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ হোন। গুলির কারণে হুজাইফার মস্তিষ্কের একপাশে চাপ অনেক বেড়ে যায়। চিকিৎসার প্রয়োজনে তার মাথার খুলির ডান পাশ অপারেশন করে খুলে রাখা হয়েছে।

জুলাই হত্যাকাণ্ডের মামলার জব্দ আলামত প্রদর্শিত হবে জুলাই স্মৃতি জাদুঘরে

পিকে হালদারসহ ৩৫ জনের নামে মামলা

পাহাড় কাটায় দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ নৌ উপদেষ্টার

একুশে বইমেলার সময়সূচি নির্ধারণ

শিক্ষানবিশ ৯৬ এএসপিকে বদলি

গণভোটে ‘হ্যাঁ’, ‘আপত্তিসহ হ্যাঁ’ এবং ‘না’ রাখার দাবি

প্রতিদিন পানিতে ডুবে প্রায় ৪০ শিশুর মৃত্যু

বাংলাদেশে ‘অন অ্যারাইভাল ভিসা’ আপাতত বন্ধ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধান বিচারপতির সাক্ষাৎ, কী আলোচনা হলো

নিউ ইয়র্ক আন্তর্জাতিক বাংলা বইমেলা ২২–২৫ মে