হোম > জাতীয়

ছুটির দিনে বিদ্যুৎ ঘাটতি কিছুটা কমেছে

স্টাফ রিপোর্টার

চাহিদা কম থাকায় শুক্রবার ছুটির দিনে সারা দেশে বিদ্যুতের লোডশেডিং কিছুটা কম ছিল। ঢাকায় এলাকাভেদে এক থেকে দুই ঘণ্টা এবং ঢাকার বাইরে ছয় থেকে আট ঘণ্টা লোডশেডিং হয়েছে। একইভাবে বাসাবাড়ির চুলা এবং সিএনজি পাম্পেও প্রেশার কিছুটা ভালো ছিল। তবে সামগ্রিক পরিস্থিতির তেমন পরিবর্তন না হওয়ায় গ্যাস-বিদ্যুতের চাহিদা, সরবরাহ ও ঘাটতির ক্ষেত্রে তেমন উন্নতির সম্ভাবনা নেই বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্যানুযায়ী, গত বৃহস্পতিবার বিকাল তিনটায় দেশে বিদ্যুতের চাহিদা ছিল ১৬ হাজার ৯৪৬ মেগাওয়াট। এর বিপরীতে সরবরাহ ও ঘাটতি ছিল যথাক্রমে ১৩ হাজার ২৮২ ও ৩,৬৬৪ মেগাওয়াট। আর গতকাল একই সময়ে চাহিদা নেমে আসে ১৪ হাজার ৬৮৪ মেগাওয়াটে। স্বাভাবিক কারণে সরবরাহ ও ঘাটতি নেমে আসে যথাক্রমে ১৩ হাজার ২০১ এবং ১,৪৮৩ মেগাওয়াটে। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় চাহিদা ২,২৬২ ইউনিট কমেছে। ফলে সরবরাহ ৮১ ইউনিট কম হওয়া সত্ত্বেও সামগ্রিক ঘাটতি গতকাল কমেছে ২,১৮১ মেগাওয়াট।

পেট্রোবাংলা সূত্রে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, গতকাল শুক্রবার দেশে গ্যাসের মোট চাহিদা প্রায় ৪,০০০ মিলিয়ন ঘনফুটের বিপরীতে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) ও দেশীয় খনিগুলো মিলিয়ে মোট সরবরাহ হয় ২,৩৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। দেশজুড়ে মোট ঘাটতি ছিল ১,৪৫০ থেকে ১,৬৫০ মিলিয়ন ঘনফুট। গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানি সংকটের কারণে দেশের ৬২টি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। তীব্র গ্যাস সংকটের কারণে সাভার, গাজীপুর ও নারায়ণগঞ্জের টেক্সটাইল মিল এবং পোশাক কারখানাগুলোর উৎপাদন ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে। লাইনে গ্যাসের চাপ কম থাকায় কারখানা মালিকরা বিকল্প হিসেবে ডিজেল জেনারেটর এবং আবাসিক গ্রাহকরা বৈদ্যুতিক চুলার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছেন।

এদিকে দীর্ঘদিন গ্যাস সংকটে ভুগতে থাকা সিএনজি অটোরিকশার চালকরা জানান, শুক্রবার তারা পাম্পে গ্যাসের তুলনামূলক ভালো প্রেশার পেয়েছেন। গত এক মাস ধরে যেখানে একটি সিএনজি অটোরিকশায় সর্বোচ্চ ৪০ থেকে ৬০ টাকার গ্যাস ঢুকত, সেখানে গতকাল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা পর্যন্ত গ্যাস পেয়েছেন তারা। আর প্রাইভেটকারের চালকরা নিতে পেরেছেন ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা পর্যন্ত গ্যাস । তবে গ্যাসের জন্য গাড়ির দীর্ঘ লাইন গতকালও অব্যাহত ছিল।

চালক ও সিএনজি পাম্পের কর্মীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বাভাবিক সময়ে আকারভেদে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ৬০০ টাকা এবং প্রাইভেটকারে এক হাজার টাকা পর্যন্ত গ্যাস নেওয়া যায়। গত প্রায় এক মাস ধরে রাজধানীতে গ্যাসের তীব্র সংকট চলছে। লাইনে গ্যাসের অভাবে অনেক পাম্প গ্যাস দেওয়া বন্ধও করে দিয়েছে। আর যেসব পাম্পে গ্যাস পাওয়া যাচ্ছিল, সেগুলোতেও প্রেশার ছিল খুবই কম। অর্থাৎ একটি সিএনজিতে ৪০ থেকে ৬০ টাকার গ্যাস ঢুকত। এই গ্যাস নিতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়েছে।

সমাজে শান্তির পরিবেশ নিশ্চিত করা জরুরি: প্রধানমন্ত্রী

৯ মাসে প্রধানমন্ত্রীকে ঘিরে ৪১০টি অপতথ্য ছড়ানো হয়েছে: প্রেস সচিব

হিলারি ক্লিনটন অ্যাওয়ার্ড পেলেন ড. ইউনূস

সাবেক সেনা কর্মকর্তা গুলশান আরা ও দেবাশীষ কারাগারে

ফল প্রকাশ পর্যন্ত নিয়োগ প্রক্রিয়া তদারকি করবেন প্রতিমন্ত্রী

জাতীয় প্রতিযোগিতার সেরা তরুণদের জাতিসংঘের সদর দপ্তরে পাঠানো হবে: মাহ্দী আমিন

ডেঙ্গুতে আরো ৪ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ১১৮১

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১২১০

দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণদের সোচ্চার হওয়ার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের

চলতি বছর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ: অর্থমন্ত্রী