হোম > জাতীয়

জলবায়ু খাতে দুর্নীতির খতিয়ান দিলো টিআইবি

স্টাফ রিপোর্টার

ছবি: আমার দেশ

জলবায়ু খাতে ২০১০ সালে থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত ৮৯১ প্রকল্পে মোট ২ হাজার ১১০ কোটি টাকার দুর্নীতি হয়েছে।

২০১০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত সময়ে ৮৯১টি প্রকল্পে সংঘটিত দুর্নীতির প্রাক্কলিত পরিমাণ ২৪৮.৪ মিলিয়ন ডলার, যা প্রায় ২ হাজার ১১০.৬ কোটি টাকা।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি আয়োজিত সাংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০১০ থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ক্লাইমেট চেঞ্জ ট্রাস্ট ফান্ড (বিসিসিটি) থেকে মোট ৪৫৮ দশমিক ৫ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ অনুমোদিত হয়। এর মধ্যে ৫৪ শতাংশ বরাদ্দ দুর্নীতিগ্রস্ত হয়েছে বলে প্রাক্কলন করা হয়েছে। ট্রাস্টি বোর্ড ও কারিগরি কমিটির সদস্যদের যোগসাজশে এবং রাজনৈতিক বিবেচনায় প্রকল্প অনুমোদনের প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। অথচ তহবিল ব্যবস্থাপক হিসেবে বিসিসিটির কর্মকর্তারা এসব অনিয়ম প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন।

জলবায়ু মোকাবিলায় প্রতিবছর বাংলাদেশের প্রয়োজন ১২ হাজার ৫০০ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু ২০১৫ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক তহবিল মিলিয়ে বছরে গড়ে বরাদ্দ দেয়া হয়েছে মাত্র ৮৬ দশমিক ২ মিলিয়ন ডলার, যা প্রয়োজনের মাত্র শূন্য দশমিক ৭ শতাংশ।

জাতীয় তহবিল থেকে বরাদ্দ প্রতিবছর গড়ে ৮ দশমিক ২ শতাংশ হারে হ্রাস পাচ্ছে, যদিও আন্তর্জাতিক তহবিল থেকে বরাদ্দ বেড়েছে ৪৩ দশমিক ৮ শতাংশ হারে।

নিবন্ধিত ৬০ দলের মধ্যে অংশ নিচ্ছে কতটি, জানাল ইসি

প্রার্থীদের প্রতীক বরাদ্দ শুরু

এক নজরে ৩০০ আসনের চূড়ান্ত প্রার্থীদের ছবি দেখুন

শীতলতম মাসেও স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি বেশি তাপমাত্রা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নামে রাজশাহীর ডিসিকে বার্তা পাঠানো যুবক গ্রেপ্তার

বাংলাদেশের পরিবর্তন করতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে

৮০ লাখ টাকা খরচে যুক্তরাষ্ট্রে, ৩৬ বাংলাদেশি ফিরলেন খালি হাতে

পদ্মা সেতুর টোল থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা আয়

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনে প্রায় ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ

রমজানের আগে এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ