মানব পাচার ও অবৈধ অভিবাসনের শিকার বাংলাদেশি নাগরিকদের বিদেশ থেকে দেশে ফেরানোর প্রক্রিয়া আরও কার্যকর ও সমন্বিত করতে রিপ্যাট্রিয়েশন ডাটা ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (আরডিএমএস) চালু করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
রোববার রাজধানীর একটি হোটেল এক অনুষ্ঠানে এই ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের উদ্বোধন করা হয়। এতে কারিগরি সহযোগিতা দেয় জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার, বাংলাদেশ। সিস্টেমটির উন্নয়ন ও আপগ্রেডেশনে সহায়তা করেছে অস্ট্রেলিয়া সরকার।
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক ও বহিরাগমন) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ বলেন, মানবপাচার প্রতিরোধ এবং উদ্ধার করা ব্যক্তিদের পুনরেকত্রীকরণ প্রক্রিয়া বেগবান করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ডোমেইনে আরডিএমএস অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, দেশে ফিরে আসা ব্যক্তি ও মানবপাচারের শিকার সারভাইভারদের পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংরক্ষণের জন্য প্ল্যাটফর্মটি ইতোমধ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) ডাটাবেজের সঙ্গে সংযুক্ত করা হয়েছে। এছাড়া শিশুদের সঠিকভাবে শনাক্ত করতে জন্ম ও মৃত্যু নিবন্ধন এবং পাসপোর্ট সেবার সঙ্গেও সিস্টেমটি সমন্বয়ের কাজ চলছে।
এসময় অবৈধ অভিবাসন রোধে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) কার্যক্রমের প্রশংসা করে তিনি বলেন, আন্তঃসংস্থা সমন্বয়ের এই উদ্যোগ মানবপাচারের শিকার ব্যক্তিদের সুরক্ষা নিশ্চিত এবং অবৈধ অভিবাসন প্রতিরোধে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
অনুষ্ঠানে আরডিএমএসের বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য তুলে ধরে বাংলাদেশের জাস্টিস অ্যান্ড কেয়ার জানায়, সিস্টেমটির মাধ্যমে প্রত্যাবাসন-সংক্রান্ত কেসের তথ্য কেন্দ্রীয়ভাবে সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনা করা যাবে। জাতীয়তা ও পুলিশ রেকর্ড যাচাইয়ের প্রক্রিয়াও আরও দ্রুত করা সম্ভব হবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) প্রধান ও অতিরিক্ত আইজিপি সরদার নুরুল আমিন, এসবির ডিআইজি (এসসিও) জাহাঙ্গীর হোসেন এবং অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের কাউন্সেলর রুবেন গ্রে প্রমুখ।
এমএমআর