হোম > জাতীয়

গাজায় ‘স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ পাঠানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করেনি কোনো রাজনৈতিক দল

ফরহাদ মজহার

স্টাফ রিপোর্টার

জাতীয় প্রেস ক্লাবে বক্তব্য দেন কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার। ছবি: আমার দেশ

কবি ও চিন্তক ফরহাদ মজহার বলেছেন, গাজায় তথাকথিত ‘স্ট্যাবিলাইজেশন ফোর্স’ পাঠানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা কোনো রাজনৈতিক দল করেনি। দেশের প্রতিটি রাজনৈতিক দল যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কোনো না কোনোভাবে যুক্ত, অনেকে প্রকাশ্যে ভারতবিরোধী অবস্থান নিলেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে তেমন সোচ্চার ভূমিকা দেখা যায় না।

শুক্রবার জাতীয় প্রেস ক্লাবে ‘দেশব্যাপী গ্যাস বিদ্যুৎ ও বিশুদ্ধ পানির সংকট: নাগরিক সমাজের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আয়োজক সংগঠন গণঅভ্যুত্থান সুরক্ষা মঞ্চের পক্ষ থেকে বক্তব্য দেন কবি ও চলচ্চিত্রকার মোহাম্মদ রোমেল, রাজনীতি ও নিরাপত্তা বিশ্লেষক মেজর অবসরপ্রাপ্ত আহমেদ ফেরদৌস।

জুলাই বিপ্লব, গণতান্ত্রিক প্রেক্ষাপট ও রাজনৈতিক দলের নেতাদের আচরণ নিয়ে সমালোচনা করেন ফরহাদ মজহার।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর ৮ আগস্ট এই সরকার গঠনের মধ্য দিয়ে একটি সাংবিধানিক প্রতিবিপ্লব সংগঠিত হয়েছে। সেদিনই জুলাইয়ের বিপ্লব বেহাত হয়ে গেছে, ছিনতাই হয়ে গেছে।

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই এই নির্বাচনের বিরোধী। আমরা চাই আগে রাষ্ট্র গঠন করেন, লুটপাটতন্ত্রকে উৎখাত করেন। তারপর নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার গঠন করেন। এই নির্বাচনের মাধ্যমে মাফিয়া ও লুটপাটতন্ত্রের হাতে কিভাবে ক্ষমতা ফিরিয়ে দেবেন, সে চেষ্টা করছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

তিনি বলেন, একটি শক্তিশালী রাজনৈতিক কাঠামো তৈরি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনকে কোনো কর্তব্যমূলক গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে গণ্য করা উচিত নয়।

বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অর্থনৈতিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ খাতে দুর্বল নীতির কারণে জনগণকে মূলধারার সামর্থ্য বঞ্চিত করা হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানির মৌলিক দিকে সরকার যদি নজর না দেয়, তাহলে নাগরিক জীবনের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা আরো দুর্বল হবে।’

মজহার বর্তমান রাজনৈতিক দলগুলোর ভূ-রাজনৈতিক নীতি ও আচরণের ওপরও প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, ‘অনেক দল ভারতবিরোধী কথা বললেও মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ বিরোধী অবস্থান নেয় না। এতে দেখা যায় যে বিদেশি নীতিগুলো আমাদের দেশীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের মধ্যে গভীরভাবে মিশে গেছে, যা একটি দীর্ঘমেয়াদি সংকেত এবং নাগরিক হিসেবে আমাদের নাগরিক বোধ ও ন্যায্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।’

বিদ্যুৎ খাতের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘ভারতীয় বিদ্যুৎ কোম্পানির মালিক আদানির পাওনা পরিশোধ করছেন, অথচ দেশীয় কোম্পানিগুলোর ব্যাংক হিসাব ফ্রিজ করে রাখছেন। এটাও লুটপাটতন্ত্রের ধারাবাহিকতা। দেশীয় যেসব কোম্পানি বিদেশ থেকে বিনিয়োগ এনেছে, ডলার এনেছে, তাদের ব্যাংক হিসেব ফ্রিজ করে রেখেছেন কী কারণে?’

বাড়ছে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সম্মানি

তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

অর্থনীতি-বাণিজ্যে সহযোগিতা বাড়াতে তারেক রহমান ও এরদোয়ানের বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত

রোহিঙ্গাদের সম্মানজনক প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

বিশ্বশান্তি রক্ষায় বাংলাদেশের দৃশ্যমান ও গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা তুলে ধরলেন ড. খলিল

হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তারেক রহমানের সাইডলাইন বৈঠক

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিশ্বব্যাংক প্রেসিডেন্টের বৈঠক

পিপিআর-এফএমডি নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত বৈশ্বিক উদ্যোগ জরুরি: টুকু