হোম > জাতীয়

আইনজীবী আলিফ হত্যা: আরেক পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

গাজী শাহনেওয়াজ ও সাইদুর রহমান রুমী

আলোচিত আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি গণেশ প্রকাশ গনেজকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম।

রোববার দুপুরে র‌্যাব-৭ এর এক সংবাদ বিজ্ঞতে এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানানো হয়। গ্রেপ্তার গনেশ ওরফে গনেজ (১৯) নগরীর কোতোয়ালি থানার সেবক কলেনির শেরিপ দাশের ছেলে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘র‌্যাব জানায়, অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় গণেশ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে’ গনেশের অবস্থান জানতে পেরে শনিবার সন্ধ্যায় নগরীর লালদীঘির পাড়ে জেলা পরিষদ মার্কেট এলাকা থেকে গনেশকে গ্রেপ্তার করা হয়।

অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ হত্যা মামলায় গণেশ দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন। গোপন তথ্য ও গোয়েন্দা নজরদারির মাধ্যমে তার অবস্থান শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়।

গণেশ আইনজীবী আলিফ হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি। তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিল আদালত।

এরআগে গত ১৯ ডিসেম্বর বান্দরবান জেলার সদর থানার নীলাচল যৌথ খামার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এ মামলার আরেক আসামি সুকান্তকে (৩০) আটক করেছিল র‌্যাব।

গনেশের গ্রেপ্তারের মধ্যে দিয়ে এ মামলায় ২৩ জন আসামি গ্রেপ্তার হল; এখনো পলাতক ১৬ জন।

বিচারের জন্য আলিফ হত্যা মামলা ইতোমধ্যে চট্টগ্রামের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়েছে। আগামী ১৪ জানুয়ারি সেখানে শুনানির দিন ধার্য আছে।

২০২৪ সালের ২৬ নভেম্বর রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় জামিন নাকচ করে সনাতনী জাগরণ জোটের মুখপাত্র চিন্ময় কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ হলে চট্টগ্রাম আদালত প্রাঙ্গণে প্রিজন ভ্যান ঘিরে বিক্ষোভ করেন তার সমর্থকরা।

আড়াই ঘণ্টা পর পুলিশ সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে চিন্ময়কে কারাগারে নিয়ে যায়। বিক্ষোভকারীরা সে সময় আদালত সড়কে রাখা বেশ কিছু মোটরসাইকেল ও যানবাহন ভাঙচুর করে।

এরপর আদালতের সাধারণ আইনজীবী ও কর্মচারীরা মিলে তাদের ধাওয়া করে। ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে রঙ্গম কনভেনশন হল সড়কে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

ওই ঘটনায় ২৯ নভেম্বর নগরীর কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন আলিফের বাবা জামাল উদ্দিন। সেখানে ৩১ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতপরিচয় আরও ১৫/১৬ জনকে আসামি করা হয়। আসামিদের সবাই রঙ্গম কনভেনশন হল সংলগ্ন বান্ডেল সেবক কলোনির বাসিন্দা।

তদন্ত শেষে গত ১ জুলাই আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের সহকারী কমিশনার (কোতোয়ালি) মাহফুজুর রহমান।

সেখানে মোট ৩৯ জনকে আসামি করা হয়; চিন্ময় দাসকে করা হয় প্রধান আসামি।

পরে ২৫ অগাস্ট বাদির উপস্থিতিতে অভিযোগপত্র গ্রহণ করে আদালত। পরে মামলাটি বিচারের জন্য দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

তথ্য সচিবকে নিয়ে প্রকাশিত সংবাদ সম্পর্কে পিআইডির বক্তব্য

মৃত প্রবাসীর অনুদানেও ঘুষ, ৩ কর্মী বরখাস্ত

ভ্যাপসা গরমে দিশাহারা দেশবাসী, বৃষ্টির জন্য দোয়া

তাপমাত্রা বাড়ায় হজযাত্রীদের সতর্কতা অবলম্বনের অনুরোধ

রামিসা হত্যা মামলার বিশেষ পাবলিক প্রসিকিউটর নিয়োগ

প্রকৌশলীদের প্রতি জনগণের প্রত্যাশা অনেক বেশি: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

হেজেমনি মোকাবিলায় গরুসহ ভারতীয় সব পণ্য বয়কট করুন: মাহমুদুর রহমান

রামিসার ডিএনএ রিপোর্ট তদন্ত কর্মকর্তার কাছে হস্তান্তর সিআইডির

ত্রিশালে নজরুলজয়ন্তী উৎসবের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর