হোম > জাতীয়

থাকছে না হাসিনা আমলের দিবস, নতুন পরিপত্র জারি

স্টাফ রিপোর্টার

সরকারনির্ধারিত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবসগুলো পালন নিয়ে নতুন পরিপত্র জারি করা হয়েছে। বিগত হাসিনা সরকার আমলের বিভিন্ন জাতীয় দিবস বাতিলের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছে নতুন বিএনপি সরকার।

গতকাল বুধবার (১১ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই পরিপত্র জারি করা হয়েছে। এর আগের পরিপত্রটি ২০২৪ সালের ২৩ অক্টোবর জারি করা হয়েছিল। এখন সেটি বাতিল হয়ে গেল।

অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ঐতিহাসিক ৭ মার্চ, ১৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম দিবস ও জাতীয় শিশু দিবস, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার ভাই শহীদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের জন্মবার্ষিকী, ৮ আগস্ট শেখ হাসিনার মা বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জন্মবার্ষিকী, ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুর মৃত্যুবার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস, ১৮ অক্টোবর শেখ হাসিনার ছোট ভাই শেখ রাসেল দিবস, ৪ নভেম্বর জাতীয় সংবিধান দিবস ও ১২ ডিসেম্বর স্মার্ট বাংলাদেশ দিবস বাতিল করেছিল। বিএনপি সরকারও সেই সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে।

নতুন পরিপত্রেও ক-শ্রেণিতে ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিনটিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালনের কথা জানানো হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৪ সালের গণ-আন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে ছাত্র আবু সাঈদের নিহত হওয়ার দিন ১৬ জুলাইকে 'জুলাই শহীদ দিবস' পালন করা হবে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারই এ সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। নতুন সরকারের সময়েও তা বহাল থাকল।

নতুন পরিপত্রেও আগের মতোই দিবসগুলোকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করা হয়েছে। ক-শ্রেণিতে থাকা জাতীয় পর্যায়ের ১৭টি দিবস/উৎসবকে যথাযোগ্য মর্যাদায় উদ্‌যাপন বা পালন করা হবে। খ-শ্রেণির ৩৭টি দিবসের মধ্যে যেসব দিবস ঐতিহ্যগতভাবে পালন করা হয়ে থাকে বা বর্তমান সময়ে দেশের পরিবেশ সংরক্ষণ, উন্নয়ন ও সামাজিক উদ্ধুদ্ধকরণের জন্য বিশেষ সহায়ক, যেসব দিবস উল্লেখযোগ্য কলেবরে পালন করা যেতে পারে।

মন্ত্রীরা এসব অনুষ্ঠানের সম্পৃক্ত থাকবেন এবং এ ধরনের অনুষ্ঠানের গুরুত্ব বিবেচনায় প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এ পর্যায়ে অনুষ্ঠান আয়োজনের জন্য সরকারি উৎস থেকে সর্বোচ্চ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দেওয়া যেতে পারে বলে পরিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।

গ-শ্রেণিতে থাকা ৩৫টি দিবস নিয়ে পরিপত্রে বলা হয়েছে, বিশেষ খাতের প্রতীকী দিবসগুলো সীমিত কলেবরে পালন করা হবে। মন্ত্রীরা এসব দিবসের অনুষ্ঠানে উপস্থিতির বিষয় বিবেচনা করবেন। উন্নয়ন খাত থেকে এসব দিবস পালনের জন্য কোনো বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হবে না।

পরিপত্রে বলা হয়, তিন ধরনের দিবস ছাড়াও বিভিন্ন মন্ত্রণালয় বা বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো আরও কিছু দিবস পালন করে থাকে যেগুলো গতানুগতিক ধরনের। কোনো কোনো ক্ষেত্রে এগুলো পুনরাবৃত্তিমূলক এবং বর্তমান সময়ে তেমন কোনো গুরুত্ব বহন করে না।

সরকারের সময় এবং সম্পদ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সরকারি সংস্থাগুলো এ ধরনের দিবস পালনের সঙ্গে সম্পৃক্ততা পরিহার করতে পারে।

বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির নতুন চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আব্দুস সালাম

প্রাথমিক বিদ্যালয় গোল্ডকাপ টুর্নামেন্টে ৬৫ হাজারের বেশি স্কুল অংশগ্রহণ করেছে

আগস্টে চালু হচ্ছে পাবনা-ঢাকা সরাসরি ট্রেন চলাচল

উত্তরের চার জেলায় বন্যার শঙ্কা, বিপৎসীমার কাছাকাছি নদীর পানি

শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত হলেন কবি আল মুজাহিদী

খেলাধুলার পাশাপাশি লেখাপড়াতেও এগিয়ে যেতে হবে

সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ: তাজুল ইসলাম

গ্যালারিতে বসে খুদে ফুটবলারদের খেলা দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

পরিবেশ ও জলবায়ু খাতের বরাদ্দ যথাযথ খাতে বাস্তবায়ন করতে হবে: বাপা

অনিয়মের দায়ে ৯ নৌযানকে জরিমানা