হোম > জাতীয়

জাটকা উৎপাদন বাড়াতে বিজ্ঞানীদের গবেষণায় সক্রিয় অংশগ্রহণ জরুরি: কৃষিমন্ত্রী

আমার দেশ অনলাইন

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, জাটকা সংরক্ষণ ও উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য বিজ্ঞানীদের আরও সক্রিয়ভাবে গবেষণায় যুক্ত হতে হবে। কীভাবে জাটকার উৎপাদন সর্বোচ্চ পর্যায়ে নেওয়া যায় এবং ইলিশ মাছের ডিমের সঠিক পরিস্ফুটন ঘটিয়ে জাটকার সংখ্যা বাড়ানো সম্ভব-এসব বিষয় নিয়ে পরিকল্পিতভাবে কাজ করা জরুরি বলে জানান তিনি।

বুধবার বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল অডিটোরিয়ামে “ইলিশ গবেষণা: অর্জিত সাফল্য, জাটকা সংরক্ষণ ও ভবিষ্যৎ করণীয়” -শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আমিন উর রশিদ বলেন, ইলিশের স্বাদ ও গুণগত মান অক্ষুণ্ন রেখে উৎপাদন আরও বাড়ানোর উপায় খুঁজে বের করতে বিজ্ঞানীদের গবেষণা করতে হবে। তিনি বলেন, এমন কোনো পদ্ধতি উদ্ভাবন করা প্রয়োজন, যাতে ইলিশের স্বাভাবিক স্বাদ ও বৈশিষ্ট্য নষ্ট না হয়, কিন্তু উৎপাদন বাড়ে এবং দেশের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হয়।

জেলেদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী বলেন, জাল ও নদী আপনাদের-তাই জাটকা ধরা বন্ধ করতে কী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, সে বিষয়ে আপনারাই সরকারকে কার্যকর প্রস্তাবনা দিতে পারেন। তিনি বলেন, ইলিশ না পাওয়ার সমস্যা এখন পুরো দেশের, তাই উৎপাদন বাড়িয়ে এই মূল্যবান মাছকে সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনতে হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এমপি বলেন, ইলিশ বাংলাদেশের একটি ভৌগোলিক নির্দেশক পণ্য এবং বিশ্বে মোট ইলিশ উৎপাদনের প্রায় ৭০–৮০ শতাংশই বাংলাদেশে হয়ে থাকে। তাই এই গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ রক্ষায় সবাইকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

তিনি বলেন, জাটকা ধরা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা গেলে ইলিশের উৎপাদন উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে, যা দেশের অর্থনীতিতে বড় অবদান রাখতে পারে এবং বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ করবে।

তিনি আরো বলেন, গত দুই মাসে ৪০ হাজার জেলে পরিবারকে খাদ্য সহায়তা দেওয়া শুরু হয়েছে। এই সহায়তার আওতায় প্রতি পরিবারকে ৮০ কেজি চাল, ১২ কেজি আটা, ১০ লিটার তেল, ৪ কেজি চিনি, ৮ কেজি ডাল এবং ১৬ কেজি আলু দেওয়া হচ্ছে, যার মোট মূল্য প্রায় ছয় হাজার টাকা। তিনি উল্লেখ করেন, অতীতে জেলেরা এত পরিমাণ সহায়তা পায়নি।

তিনি বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যরাও জেলেদের সহযোগিতা করে যাবেন। তাই ইলিশ ধরা নিষিদ্ধ সময়ে জেলেদের যেন মাছ ধরা থেকে বিরত থাকেন এবং আইন মেনে চলেন-সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান তিনি।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. অনুরাধা ভদ্রের সভাপতিত্বে গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন। এসময় আরও বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ এন্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. কাজী আহসান হাবীব, মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক ড. মো. মোতালেব হোসেন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশরাফুল আলম।

এসময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, বিএফআরআই, মৎস্য অধিদপ্তর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলে, মৎস্যজীবীসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফরের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত হয়নি

ভারতের কাছে হাসিনাকে ফেরত চেয়েছে বাংলাদেশ

সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ হলেন ৪০ বিচারক

প্রতিরক্ষা উপদেষ্টার সাথে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

উচ্চশিক্ষা খাতে নীতিমালা সহজীকরণের প্রস্তাব ব্রিটিশ প্রতিনিধির

রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আলোচনা বাদ দেওয়ার প্রস্তাব নাহিদের

জুলাই সনদে নোট অব ডিসেন্ট নিয়ে বিএনপি খোঁড়া যুক্তি দিচ্ছে: বদিউল আলম মজুমদার

ভোলা-বরিশাল সেতু প্রকল্প নীতিগত অনুমোদন

হিটের গবেষণা প্রকল্প মূল্যায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিতের আহ্বান ইউজিসি চেয়ারম্যানের

তারেক রহমানকে ‘শিশু মুক্তিযোদ্ধা’ স্বীকৃতির দাবি সংসদ সদস্যের