হোম > জাতীয়

আধা ঘণ্টার বৃষ্টিতেই তলিয়ে গেল রাজধানীর অধিকাংশ সড়ক

স্বস্তির মধ্যেও অস্বস্তি

স্টাফ রিপোর্টার

ছবি: আমার দেশ

বৃষ্টিপাতের প্রভাবে আগের দিনের তুলনায় শনিবার রাজধানীতে এক ডিগ্রিরও বেশি তাপমাত্রা কমেছে। আজ এদিন রাজধানীতে সর্বোচ্চ রেকর্ড করা হয়েছে ৩৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এতে তীব্র ভ্যাপসা গরম থেকে রাজধানীবাসীর স্বস্তি মিললেও ঝুমবৃষ্টিতে জলবদ্ধতায় ভোগান্তি বেড়ে যায়। দুপুরে কম সময়ে অধিক বৃষ্টিতে রাজধানীজুড়েই তীব্র জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়।

আবহাওয়া অদিপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, আগের দিনের তুলনায় ৮ মিলিমিটার কম বৃষ্টি হলেও শনিবার রাজধানীজুড়ে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তি ছিল বেশি। রাজধানীতে আধা ঘন্টায় বৃষ্টি হয়েছে ৩৫ মিলিমিটার; যা আগের দিন দুই ঘন্টায় হয়েছে ৪৩ মিলিমিটার।

ঘড়ির কাঁটায় তখন দুপুর পৌনে দুইটা; হঠাৎ আকাশ কালো করে শুরু হয় বর্ষণ। মাত্র আধা ঘণ্টার ভারী বর্ষণেই কঙ্কালসার দশা ফুটে উঠে রাজধানী ঢাকার। নগরের প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অলিগলি—সবখানেই জমে যায় পানি। এতে একদিকে যেমন তীব্র যানজটে স্থবির হয়ে পড়ে জনজীবন, তেমনি ঘর থেকে বের হওয়া নগরবাসীকে পোহাতে হয় চরম ভোগান্তি। অবশ্য বৃষ্টি থামার পড়ার ধীরে ধীরে কম নামতে থাকে পানি, বিকালের দিকে জলাবদ্ধতা কেটে যায়।

দুপুরে রাজধানীর মিরপুর, কাজীপাড়া, শেওড়াপাড়া, মোহাম্মদপুর, ধানমন্ডি, মালিবাগ ও মতিঝিলের মতো গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে রাস্তাঘাট পানিতে ডুবে যাওয়ায় যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। এমন কি শনিবার দুপুরের বৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সামনে ও জাহাঙ্গীর গেইট এলাকায়ও পানি জমে যায়।

অনেক স্থানেই ড্রেনেজ ব্যবস্থার বেহাল অবস্থার কারণে পানি নিষ্কাশন হতে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। মূল সড়কের পাশাপাশি অলিগলির অবস্থাও শোচনীয় ছিল; অনেক নিচু এলাকায় বাসাবাড়ির নিচতলায় পানি ঢুকে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

বৃষ্টির সময় রাস্তায় চলাচলে পথচারী ও শিক্ষার্থীদের সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়তে দেখা গেছে। গণপরিবহনের স্বল্পতা এবং জলাবদ্ধতার কারণে রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাগুলোতে কয়েক গুণ বাড়তি ভাড়া দাবি করার অভিযোগ করেছেন সাধারণ যাত্রীরা। মিরপুরের কাজীপাড়া এলাকার বাসিন্দা আমজাদ হোসেন নামে এক ভুক্তভোগী বলেন, ‘আধাঘণ্টার বৃষ্টিতে শহরটা যেন পুকুরে পরিণত হয়েছে। রাস্তায় নামলে পায়ে নোংরা পানি আর যানজটে আটকে থেকে জীবন অতিষ্ঠ।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপরিকল্পিত নগরায়ণ এবং ঢাকা শহরের পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার দুর্বলতাই এই জলাবদ্ধতার মূল কারণ। ড্রেনগুলো নিয়মিত পরিষ্কার না করা এবং শহরের অধিকাংশ খাল দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ার ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত সরে যেতে পারছে না। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে বারবার আশ্বাস দেওয়া হলেও বর্ষা এলেই তা চরম বাস্তবতায় রূপ নেয়।

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আগামী কয়েকদিন আরও বৃষ্টি হতে পারে, যার ফলে নিচু এলাকাগুলোতে পানি জমার আশঙ্কা রয়েই যাচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর বলছে, দক্ষিণ পশ্চিম মৌসুমী বায়ু এখন সারাদেশেই সক্রিয়; এরর প্রভাবে রাজধানীসহ দেশের অনেক এলাকায় বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। টানা কয়েক দিনের ভ্যাপসা গরমের পর জ্যৈষ্ঠের শেষ দুইদিনে বৃষ্টিপাত বর্ষার জানান দিচ্ছে।

আবহাওয়াবিদ একেএম নাজমুল হক বলেন, ‘মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে রাজধানীসহ বৃষ্টি হচ্ছে। এখন কোথাও কোথাও স্বল্প থেকে মাঝারি বৃষ্টি হচ্ছে। তবে ভারি বর্ষণ এখনো শুরু হয়নি; ধীরে ধীরে বর্ষার বৃষ্টি বাড়বে।’

১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু হচ্ছে রোববার

মেধাবী প্রকৌশলীদের বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে হবে: আইনমন্ত্রী

সাবস্ক্রিপশন ফি দিয়েও খেলা মিস, গ্রাহকদের টাকা গ্রামীণফোনের পকেটে

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল চূড়ান্ত পর্যায়ে, যে কোনো দিন প্রকাশ

প্রস্তাবিত বাজেটে নিম্ন ও মধ্যবিত্তের স্বস্তি-অস্বস্তির দোলাচল

‘শ্রেষ্ঠ কৃষক পুরস্কার’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

সন্তানের ভবিষ্যতের কথা ভেবে একটি করে গাছ লাগান: প্রধানমন্ত্রী

শিশুশ্রম রোধে প্রয়োজন শক্তিশালী জন্মনিবন্ধন আইন

ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম নির্মূলে বাজেট বৃদ্ধি ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি

নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতা প্রতিরোধ সকলের দায়িত্ব: সমাজকল্যাণমন্ত্রী