চীনের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগকে বাংলাদেশের বিমান বাহিনীর সক্ষমতা বাড়ানোর বড় পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে হেলিকপ্টার ও ইউএভি সংগ্রহের পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের আকাশ প্রতিরক্ষা, নজরদারি ও সামরিক অভিযান পরিচালনার সক্ষমতাও বাড়তে পারে।
বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর আধুনিকায়নের অংশ হিসেবে চীনের তৈরি জে-১০সিই বহুমুখী যুদ্ধবিমান কেনার প্রক্রিয়া এগিয়ে যাচ্ছে। একই সঙ্গে অ্যাটাক হেলিকপ্টার, ভিআইপি পরিবহন হেলিকপ্টার এবং ড্রোন বা ইউএভি ব্যবস্থা কেনার উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।
জে-১০সিই চীনের চেংদু জে-১০ যুদ্ধবিমানের রপ্তানি সংস্করণ। এটি চতুর্থ প্রজন্মের বহুমুখী যুদ্ধবিমান হিসেবে পরিচিত। আকাশযুদ্ধের পাশাপাশি স্থল লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালাতেও বিমানটি ব্যবহার করা যায়।
২০টি জে-১০সিই কেনার সম্ভাব্য ব্যয় প্রায় ২ দশমিক ৩ বিলিয়ন ডলার বলা হয়েছে। তবে সরকারিভাবে এখনো যুদ্ধবিমানের চূড়ান্ত সংখ্যা, মোট মূল্য বা সরবরাহের সময়সূচি ঘোষণা করা হয়নি। এসব বিষয় চূড়ান্ত আলোচনার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।
বাংলাদেশের বিমানবাহিনীতে বর্তমানে চীনা যুদ্ধবিমানের বড় উপস্থিতি রয়েছে। ফলে জে-১০সিই যুক্ত হলে বিদ্যমান চীনা প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে প্রশিক্ষণ, রক্ষণাবেক্ষণ ও সরবরাহ ব্যবস্থায় কিছু সুবিধা পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে নতুন যুদ্ধবিমান পরিচালনার জন্য পাইলট প্রশিক্ষণ, অস্ত্রব্যবস্থা, রক্ষণাবেক্ষণ অবকাঠামো ও দীর্ঘমেয়াদি খরচও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠবে।
সূত্র: ডেইলি সাবাহ, আনাদুলু এজেন্সি ও রয়টার্স