প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সংরক্ষণ এবং ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ শনাক্ত ও বাতিলের লক্ষ্যে সরকার কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে, তা সংসদে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান।
রোববার জাতীয় সংসদের অধিবেশনে নেত্রকোনা-৩ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হেলালের এক প্রশ্নের লিখিত জবাবে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান।
এর আগে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম হেলালী জানতে চান, প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা সংরক্ষণ এবং ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা সনদ শনাক্ত ও বাতিলের লক্ষ্যে সরকার বর্তমানে কী ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।
তার এই প্রশ্নের জবাবে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান জানান, মন্ত্রণালয় কিংবা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলে (জামুকা) অমুক্তিযোদ্ধা সংক্রান্ত কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে জামুকার উপ-কমিটির মাধ্যমে তা তদন্ত ও শুনানি করা হয়। যাচাই-বাছাইয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে প্রমাণিত না হলে তার গেজেট বাতিলের সুপারিশ করা হয়ে থাকে।
মন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, অভিযোগের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই এবং তদন্ত শুনানি পরিচালনা করা জাতীয় মুক্তিযোদ্ধা কাউন্সিলের একটি নিয়মিত ও চলমান প্রক্রিয়া। এর মাধ্যমে ভুয়া সনদধারীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।