গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকারে সরকার নতুন যে বিলের অনুমোদন দিয়েছে সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন গুমের শিকার ব্যক্তি ও আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটি।
রোববার আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ জাতীয় কমিটির উদ্যোগে জাতীয় সংসদ অভিমুখে পদযাত্রা অনুষ্ঠান করেছে। জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের অনেক নেতা এই পদযাত্রায় অংশ নিয়েছেন।
বিকেল পৌনে পাঁচটায় এই পদযাত্রা সংসদের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে পৌঁছায়। সেখানে ছয়টা পর্যন্ত এই অনুষ্ঠান চলে। এই পদযাত্রা থেকে স্পিকারের কাছে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়।
পদযাত্রায় অংশ নিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাসিনুর রহমান গুম প্রতিরোধের নতুন আইন নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। বিষয়টি তিনি স্পিকারকে জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন।
তিনি বলেন, “যে আইনটা করা হইছে এই আইনে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সম্মানিত স্ত্রী কী প্রমাণ করতে পারবেন যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুম ছিলেন, চ্যালেঞ্জ পারবেন না। আমরা এই ধরনের আইন চাই না।”
গত ২৭ শে অগাস্ট জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেছেন বর্তমান সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যদিও উত্থাপিত বিলটির খসড়া মন্ত্রিসভায় অনুমোদনের পর থেকেই এ নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছিল।
বিশেষ করে, গুমসংক্রান্ত অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব পৃথক স্বাধীন প্রতিষ্ঠানের হাতে দেওয়ার বদলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অধীনে রাখার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনা করছেন অনেকে।