হোম > জাতীয়

বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদের নববর্ষ উদযাপন

স্টাফ রিপোর্টার

রাজধানী ঢাকায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে জাতীয় সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংগঠন-দেশীয় সাংস্কৃতিক সংসদ। পহেলা বৈশাখ ১৪৩৩ উপলক্ষে দিনব্যাপী শোভাযাত্রা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বৈশাখী মেলার আয়োজন করে সংগঠনটি।

মঙ্গলবার সকাল ৮টায় জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে শুরু হয় বৈশাখী শোভাযাত্রা, যা রমনা পার্কে গিয়ে শেষ হয়। একই দিন সকাল ১০টা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত রমনা পার্কে অনুষ্ঠিত হয় জমকালো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও বৈশাখী মেলা। অনুষ্ঠানটি দেশীয়র কেন্দ্রীয় সভাপতি সুরকার ও শিল্পী সাইফুল্লাহ মানছুরের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি জেনারেল ড. মনোয়ারুল ইসলাম এর পরিচালনায় কুরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হয়।

‘নববর্ষের নব স্বপ্নে নব উদ্যমে জাগো’ স্লোগানে আয়োজিত উৎসবটির প্রথম পর্বে ছিল ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’। জাতীয় প্রেসক্লাব থেকে রমনা পার্ক অভিমুখে ‘বৈশাখী শোভাযাত্রা’য় উপস্থিত ছিলেন ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন, চাঁপাইনবাবগঞ্জের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বুলবুল, ঢাকা-৪ আসনের সংসদ সদস্য কামাল হোসেন ও রাজনীতিবিদ দেলাওয়ার হোসেন।

উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সংগীত কেন্দ্রের সভাপতি শিল্পী তাফাজ্জল হোসাইন খান, বাংলাদেশ কালচারাল একাডেমির সভাপতি আবেদুর রহমান। এছাড়াও দেশবরেণ্য সাহিত্য-সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণকারীদের হাতে ছিল জাতীয় পতাকা, নাটাই-ঘুড়ি, হাতপাখা, চরকি, লাটিমসহ নানা সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গ। এছাড়া কাস্তে-কোদাল হাতে কৃষক, জেলে, ঘটকসহ নানান বাঙালি ঐতিহ্যের পোশাকে সজ্জিত হন বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠনের শিল্পীরা।

শোভাযাত্রা শেষে ঢাকার রমনা পার্কের অরুণোদয় গেট (যমুনার সামনে) সংলগ্ন বকুলতলায় অনুষ্ঠিত হয় জমকালো বৈশাখী উৎসব। সাংস্কৃতিক এ আয়োজনে ছিল চিরায়ত বাংলা গান, দেশাত্মবোধক গান, জারি-সারি, কবিতা আবৃত্তি, পুঁথিপাঠ, গম্ভীরা ও নাটিকা পরিবেশনা।

এতে অংশগ্রহণ করে দেশের বিভিন্ন সাংস্কৃতিক সংগঠন- সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্র, বাংলাদেশ কালচারাল একাডেমি, মহানগর শিল্পীগোষ্ঠী, রাজধানী শিল্পীগোষ্ঠী, উক্তি আবৃত্তি সংসদ, বাংলাদেশ সংগীত কেন্দ্র, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র ও নাট্য সংসদ, বাংলা সাহিত্য পরিষদ, কবিতা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ চারুশিল্প পরিষদ, সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী, অনুপম সাংস্কৃতিক সংসদ, উচ্চারণ শিল্পীগোষ্ঠী, জাগরণ শিল্পীগোষ্ঠী, সন্দীপন শিল্পীগোষ্ঠী, নিমন্ত্রণ সাংস্কৃতিক সংসদ, সওগাত সাহিত্য সাংস্কৃতিক সংসদ, সারগাম সাংস্কৃতিক সংসদ, আজাদী সাংস্কৃতিক সংসদ, স্পন্দন সাংস্কৃতিক সংসদ এবং জিনজিরা শিল্পীগোষ্ঠী।

বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানের উপস্থাপনা করেন বিশিষ্ট বাচিক শিল্পী শরীফ বায়জীদ মাহমুদ, সাহিত্য সংস্কৃতি কেন্দ্রের সভাপতি মাহবুব মুকুল, আহসান হাবীব খান।

বাংলা নববর্ষ বাঙালির প্রাণের উৎসব-লোকজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যেই এই আয়োজন বলে জানিয়েছেন আয়োজকরা।

জিয়াউর রহমানকে হত্যার পরের এক সপ্তাহে যা যা ঘটেছিল

প্রধানমন্ত্রীকে কাছে পেয়ে নূরজাহান বেগমের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ

জুলাইযোদ্ধাকে রাষ্ট্রপতি ‘চুপ্পুর ছেলের’ হুমকি

অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে নেতাকর্মীদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

মুক্তিযুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে রণাঙ্গনে বুক চিতিয়ে লড়াই করেছিলেন জিয়াউর রহমান

রাষ্ট্রপতি জিয়াকে হত্যার পর জেনারেল মঞ্জুর প্রাণ বাঁচাতে যা করেছিলেন

জিয়াউর রহমানকে হত্যার সময় কেমন ছিল চট্টগ্রামের পরিস্থিতি

সোমবার খুলছে অফিস, ছুটির বাইরে ছিলেন যারা

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ৮ শিশুর মৃত্যু

শহীদ জিয়ার আদর্শ ধারণ করে দেশ গঠনে এগিয়ে যেতে হবে