হোম > জাতীয়

মানসম্মত ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট চান আইসিটি মন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

ছবি: আমার দেশ

বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতে পরবর্তী চ্যালেঞ্জ শুধু সংযোগ বাড়ানো নয়। সেবার মান, সাশ্রয়, নির্ভরযোগ্যতা ও অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করাই এখন গুরুত্বপূর্ণ বলে মন্তব্য করেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম।

তিনি বলেন, ডিজিটাল সংযোগের মাধ্যমে নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করতে হবে। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে সহায়তা করতে হবে। দেশের যেকোনো প্রান্তের মানুষ যাতে প্রযুক্তির সুফল পান, তা নিশ্চিত করতে হবে।

সোমবার সকালে রাজধানীর রেডিসন ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে ‘৩৭তম এপিটি ওয়্যারলেস গ্রুপ (এডব্লিউজি-৩৭)’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, বাংলাদেশে বর্তমানে বড় ও দ্রুত পরিবর্তনশীল টেলিযোগাযোগ বাজার রয়েছে। ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত দেশে প্রায় ১৯ কোটি ১০ লাখ মোবাইল সংযোগ এবং প্রায় ১০ কোটি ইন্টারনেট সংযোগ রয়েছে। ১০ কোটি ৮০ লাখের বেশি গ্রাহক ফোর-জি সেবা ব্যবহার করছেন।

দেশের টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর মধ্যে রয়েছে ৪৯ হাজারের বেশি ফোর-জি সাইট, ৪৬ হাজার টাওয়ার এবং প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার কিলোমিটার অপটিক্যাল ফাইবার নেটওয়ার্ক।

মন্ত্রী বলেন, এসব পরিসংখ্যান দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের ব্যাপকতা তুলে ধরে। তবে সরকারের লক্ষ্য এখন শুধু আরো বেশি সংযোগ যুক্ত করা নয়; সেবার মান, সাশ্রয়ী মূল্য, নির্ভরযোগ্যতা ও অর্থবহ সংযোগ নিশ্চিত করাই অগ্রাধিকার।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ডিজিটাল সংযোগ নাগরিকদের জন্য নতুন সুযোগ তৈরি করবে। এটি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও সহায়তা করবে। মানুষ দেশের কোথায় বসবাস করেন, তার ওপর নির্ভর না করে প্রযুক্তির সুফল পাওয়ার সুযোগ তৈরি করতে হবে।

সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারেও বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। সেখানে আইসিটি ও টেলিযোগাযোগকে ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি হিসেবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, সাইবার নিরাপত্তা, সফটওয়্যার, হার্ডওয়্যারসহ প্রযুক্তিনির্ভর বিভিন্ন শিল্পে দেশের সক্ষমতা বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে। এর মাধ্যমে বৈশ্বিক ডিজিটাল অর্থনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান আরো শক্তিশালী করার লক্ষ্য রয়েছে।

তিনি বলেন, এই অগ্রযাত্রায় স্পেকট্রাম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ডেটার চাহিদা বাড়ার পাশাপাশি ফাইভ-জি, স্যাটেলাইট যোগাযোগ, ইন্টারনেট অব থিংস (আইওটি) এবং ভবিষ্যতের অন্যান্য ওয়্যারলেস প্রযুক্তির বিকাশ ঘটছে।

এসব প্রযুক্তির জন্য দূরদর্শী নীতি প্রয়োজন। এমন নীতি করতে হবে, যা উদ্ভাবন ও বিনিয়োগকে উৎসাহিত করার পাশাপাশি গ্রাহকদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করবে।

ফকির মাহবুব আনাম বলেন, ঢাকায় এডব্লিউজি-৩৭ আয়োজনের মাধ্যমে বাংলাদেশের নতুন টেলিযোগাযোগ ভাবনার সঙ্গে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের প্রযুক্তিগত অগ্রগতির সংযোগ ঘটানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে আঞ্চলিক অভিজ্ঞতা থেকে শেখা এবং বাংলাদেশের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার সুযোগও পাওয়া যাচ্ছে।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. এমদাদ উল বারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব বিলকিস জাহান রিমি উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া বিটিআরসির ভাইস চেয়ারম্যান ও কমিশনাররা, ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের কর্মকর্তারা, এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এএম

প্রাথমিকে শিক্ষক বদলি অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয় নির্বাচনে পোস্টার নিষিদ্ধ, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারে বাধা নেই

বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার করবে বাংলাদেশ-ইতালি

ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতদের সম্মানী ও উৎসব ভাতা দেবে সরকার

সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতি করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫১৪

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি

আগস্টে সড়কে ঝরল ৪৮১ প্রাণ, দুর্ঘটনা বেশি সকালে

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ