হোম > জাতীয়

সাংবাদিক ফারুকের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক দুই মামলায় ক্র্যাবের নিন্দা

বিশেষ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব) এর স্থায়ী সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক, কলামিস্ট ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক গবেষক মো. আবুল হোসেন ওরফে এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে খাগড়াছড়ি সদর থানায় দুটি মিথ্যে ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ষড়যন্ত্রমূলক মামলা দায়ের এবং হয়রানির ঘটনায় গভীর উদ্বেগ, তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন (ক্র্যাব)।

গত ৩০ আগস্ট খাগড়াছড়ি সদর থানায় পৃথক দুটি মামলা করা হলেও সম্প্রতি তা জানাজানি হয়। মামলা করার বিষয়গুলো গোপন রেখে রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রভাব খাটিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ উঠেছে।

ক্র্যাব মনে করে, কোনো ব্যক্তিকে ফৌজদারি মামলায় আসামি করার ক্ষেত্রে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ, প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণ এবং ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে যথাযথ যাচাই থাকা প্রয়োজন।

মঙ্গলবার দপ্তর সম্পাদক ইসমাঈল হুসাইন ইমু স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ এইচ এম ফারুকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানির ঘটনায় ক্র্যাবের সভাপতি মির্জা মেহেদী তমাল ও সাধারণ সম্পাদক এম এম বাদশাহ্ যৌথ বিবৃতিতে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কোনো পেশাদার সাংবাদিকের ওপর কোনো ধরনের হয়রানি ক্র্যাব মেনে নেবে না এবং অবিলম্বে এসব হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানান নেতৃবৃন্দ।

খাগড়াছড়ি সদর থানায় মামলা দুটির ১টি তথ্য প্রযুক্তি আইনে এবং ২০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবির অভিযোগ করে মামলা করেছেন খাগড়াছড়ি জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদের সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত সদস্য এম এন আবছার।

তথ্য প্রযুক্তি আইনে আরেকটি মামলা করেছেন খাগড়াছড়ির সংসদ সদস্য ওয়াদুদ ভুইয়ার সাবেক এপিএস হিসেবে পরিচিত প্রফুল্ল ময় দত্ত ওরফে এইচ এম প্রফুল্ল।

অভিযোগের বিষয়ে সাংবাদিক ও কলামিস্ট এ এইচ এম ফারুক আমার দেশকে জানান, তিনি দীর্ঘ ২৫ বছর সাংবাদিকতা করছেন। বিশেষ করে বর্তমানে তিনি পার্বত্য চট্টগ্রাম সমস্যা, রোহিঙ্গা সমস্যা ও ভারত-মিয়ানমার সীমান্ত বিষয়ে গবেষণা করছেন। নিয়মিত বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমে উপসম্পাদকীয় লেখেন। বিভিন্ন টেলিভিশনের টকশোতেও অংশগ্রহণ করেন। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়ম দুর্নীতি নিয়ে কথা বলেন, লেখালেখি করেন।

তিনি অভিযোগ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের বঞ্চিত করে রহস্যজনকভাবে দলের কেউ নন এমন একাধিক ব্যক্তিদের চেয়ারম্যান ও সদস্য করা হয়েছে। তাছাড়া ইউপিডিএফের সঙ্গে যুক্ত এবং আওয়ামী লীগের কমিটিতে ছিল এমন একাধিক ব্যক্তিকেও জেলা পরিষদের সদস্য করা হয়েছে। এসব বিষয়ে লেখালেখি ও প্রতিবাদ করায় অভ্যন্তরীণ কিছু গ্রুপিংয়ের শিকার হতে হচ্ছে। কতিপয় প্রভাবশালী নেতা যারা দল ব্যবহার করে অপকর্মে লিপ্ত তারাও ক্ষুব্ধ হয়েছেন।

এ এইচ এম ফারুক দৈনিক ইনকিলাব, আলোকিত বাংলাদেশ, বাংলা টিভি, দৈনিক বাংলাদেশের খবর ও পরিবর্তন ডটকম এবং সর্বশেষ মানবাধিকার খবরের নির্বাহী সম্পাদক হিসেবেও কর্মরত ছিলেন।

এখন তিনি ফ্রিল্যান্সিং হিসেবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের উপসম্পাদকীয় ও কলাম লিখেন।

সরকার বৈধ উপায়ে কর্মী পাঠাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

একই দাগে সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি থাকলে আলাদা করে নামজারি

দুর্গাপূজায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে টানা ৭ দিনের ছুটি

প্রতিরক্ষা ও সামরিক প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বেগবান করার আশাবাদ বাংলাদেশ-চীনের

‘মানুষ লাথি মেরে যাদের বের করে দেয়, তাদের ফেরার চান্স খুব কম’

ঢাকার ঐতিহাসিক স্থান আর ধ্বংস হতে দেওয়া যাবে না: ডিএসসিসি প্রশাসক

বিরোধী দলসহ সবার সঙ্গে আলোচনা করে সংবিধান সংশোধন করতে চায় সরকার

২২ অক্টোবরও সরকারি ছুটি, দুর্গাপূজায় মোট ছুটি কত দিন

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণকে ‘দূরদর্শী ও দিকনির্দেশনামূলক’ বললেন রাষ্ট্রপতি

কিশোর গ্যাংয়ের পেছনের প্রভাবশালীদের উদ্ঘাটন করার নির্দেশ