হোম > জাতীয়

সরকার বিচার বিভাগের হৃদপিণ্ডে হাত দিয়েছে, সর্বনাশ ঢেকে আনবে

মুক্ত আলোচনায় বক্তারা

স্টাফ রিপোর্টার

আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি আবদুল মতিন বলেছেন, জুলাই বিপ্লবের পর বিচার বিভাগের পূর্ণ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে অন্তবর্তী সরকার ‘সুপ্রিম কোর্ট বিচারক নিয়োগ ও পৃথক সচিবালয় অধ্যাদেশ’ জারি করেছিল। কিন্তু এই দুটি অধ্যাদেশ সংসদে বাতিল করে সরকার বিচার বিভাগের হৃৎপিণ্ডে হাত দিয়েছে। সরকারের এই আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত সর্বনাশ ডেকে আনবে।

শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘সুপ্রিমকোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ (রহিতকরণ) ও সুপ্রিমকোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ (রহিতকরণ) হতে লেগেছে ৫৫ বছর, স্বাধীনতা আর কতদূর?’ শীর্ষক মুক্ত আলোচনায় তিনি এ মন্তব্য করেন। মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যানিটি ফাউন্ডেশন এবং আইন ও বিচার পত্রিকা এ মুক্ত আলোচনার আয়োজন করে।

সঞ্চালনার দায়িত্বে ছিলেন সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও পত্রিকার সম্পাদক মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।

মুক্ত আলোচনায় অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মাসদার হোসেন বলেন, সুপ্রিমকোর্ট বিচারক নিয়োগ অধ্যাদেশ ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় অধ্যাদেশ বাতিলের ফল ভালো হবে না। ক্ষমতার মসনদে বসে আমরা মালিক হয়ে যাই। ভোটের আগে জনগণের হাত-পায়ে কত ধরেছিলেন।

তিনি সরকারের উদ্দেশে বলেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিয়ে আপনাদের এত ভয় কেন? কোনো সরকারই বিচার বিভাগের ভালো চায় না। বিচার বিভাগ এখন নির্যাতনের জায়গায় পরিণত হয়েছে। এটা বিচারপ্রার্থীর জায়গা নয়। এরপর আছে ৪৭ লাখ মামলার জট।

বিচার বিভাগ পৃথককরণ মামলার বাদী মাসদার হোসেন বলেন, জাতীয় সংসদ সার্বভৌম নয়। সন্তান হয়ে পিতার সঙ্গে বেইমানি করছে। ক্ষমতার মসনদে বসে এক কলমের খোচায় সব অধ্যাদেশ বাতিল করে দিচ্ছেন। এটা কি মগের মুল্লুক? দেশের শান্তি-শৃঙ্খখলা বজায় রাখার জন্য আইন প্রণয়ন করা হলে সংসদকে এটা অবশ্যই নিশ্চিত করতে হবে। গুটি কয়েক মানুষের চিন্তা-চেতনায় এসব কাজ করছেন। তার পরিণতি খুব ভালো হবে না। এইদিন দিন না, আরও দিন আছে। আপনারা পথ হারিয়ে ফেললে জনগণ আপনাদের সঠিক পথে নিয়ে আসবে।

তিনি বলেন, এই মুহূর্তে হ্যাঁ-না ভোট করুন, জরিপ করুন, ৯৯ ভাগ লোক আপনাদের কাজের বিরুদ্ধে মতামত দেবে। যেগুলো হচ্ছে বিচার বিভাগকে পদদলিত করা। গুম হয়ে যারা মৃত্যুর প্রহর গুনছিলেন তারা আজ সংসদ সদস্য। তাদের জিজ্ঞেস করে গুমের সংজ্ঞা ঠিক করুন। আপনারা এমনি এমনি উড়ে আসেননি। তাদের রক্তের সঙ্গে বেইমানি করবেন না বলেও সরকারকে হুঁশিয়ারি দেন সাবেক বিচারক মাসদার হোসেন।

মাসদার হোসেন বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়ার কারণে ২৮ জন বিচারককে শোকজ করা হয়েছে। কোন এখতিয়ার বলে আইন মন্ত্রণালয় তাদের কাছে ব্যাখ্যা চেয়েছে। মনে রাখবেন, জজদের একটা আলপিনের দরকার হলেও সুপ্রিম কোর্টের কাছে যেতে হয়। অথচ আইনমন্ত্রী কোন কর্তৃত্ব বলে এটা করেছেন।

মুক্ত আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন সুপ্রিমকোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার এহসান এ সিদ্দিক, ব্যারিস্টার ওমর ফারুক, আইনজীবী হাসান তারিক চৌধুরী, সাবেক যুগ্ম জজ ড. সাজ্জাদ হোসেন ও জুলাই আন্দোলনের নেতা আরিফ সোহেল প্রমুখ।

৪ সিটিতে হামের টিকা শুরু রোববার

গণভোট অধ্যাদেশ বাতিল করে সরকার গণবিরোধী অবস্থান নিয়েছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফর নিয়ে যা বললেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

দেশের এভিয়েশন শিল্প কঠিন সময় পার করছে : এওএবি

চাঁদাবাজদের নিরপেক্ষ তালিকা করছে র‍্যাব, শিগগির অভিযান

হাম ও উপসর্গ নিয়ে ২৮ দিনে ১৬৯ শিশুর মৃত্যু

বাংলাদেশসহ ১৭টি দেশে ফ্লাইট পুনরায় চালু করল এয়ার অ্যারাবিয়া

গণঅভ্যুত্থানের বিনিময়ে পাওয়া দেশকে নতুনভাবে গড়ে তুলতে চাই

৭২ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন শিক্ষার্থীরা

চলতি সপ্তাহে যেভাবে পাওয়া যাবে টানা ৫ দিনের ছুটি