এবি জুবায়েরের পোস্ট
বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদের (ডাকসু) সমাজসেবা সম্পাদক এবি জুবায়ের বলেছেন, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর জানাজাটা ঢাকার মাটিতে দিতে দেয় নাই এই তোফায়েল আহমেদরা। এমনকি ভোলার মাটিতে ছাত্রদল নেতা নুরে আলমের জানাজাও হতে দেয়নি। আজকে আওয়ামী লীগ নেতার জানাজায় কেউ বাঁধা দিচ্ছে না। এটা তার প্রতি আমাদের ইনসাফ। কারণ আমরা আমাদের শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই।
মঙ্গলবার ফেসবুক পোস্টে এবি জুবায়ের লিখেছেন, ‘আল্লামা সাইদির জানাজাটা ঢাকার মাটিতে দিতে দেয় নাই এই তোফায়েল আহমেদরা। টিয়ারগ্যাস মেরে গুলি করে লাশ ছিনিয়ে নিয়ে গেছে। ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করেও দেড় শতাধিক মানুষকে খুন করেছিলো। অথচ পুরো বিশ্ব জানতো আল্লামা নির্দোষ।
এই ভোলার মাটিতে ছাত্রদল নেতা নুরে আলমের জানাজা দিতে দেয় নাই তোফায়েলরা। ভোলা যুবদলের আবদুর রহিম খুনের ইতিহাস...কিছুই ভুলি নাই আমরা।
আজকে তোফায়েলের জানাজায় কেউ বাঁধা দিচ্ছে না। এটা তার প্রতি আমাদের ইনসাফ। কারণ আমরা আমাদের শত্রুর সাথেও ইনসাফ করতে চাই।
রক্ষিবাহিনী কেলেঙ্কারি থেকে শুরু করে তোফায়েলের আমলনামা অনেক লম্বা। চেতনার জোরে আজকে হয়তো অনেকেই আত্মপরিচয় ভুলে তাকে সেলিব্রেট করতেও পিছপা হচ্ছে না। সে যথার্থতা বিচারের দায়ভার যার যার বিবেকের। কিন্তু আল্লাহর আদালত বলতে একটা ব্যাপার আছে৷ আমরা বিশ্বাস করি আল্লাহ তাকে উত্তম প্রতিদানই দিবেন।
তার জানাজা হচ্ছে। হোক, কেউ বাঁধা দিবে না। এইটা আমাদের ইনসাফ। কিন্তু জানাজার নাম করে নিষিদ্ধ সংগঠনের কোনো তৎপরতা বরদাস্ত করা হবে না। কোনো উস্কানিমূলক কার্যক্রমকে ছাড় দেয়া হবে না।
রাজনীতি হয় রাজনৈতিক দলের সাথে, কোনো গণহ'ত্যাকারী জ'ঙ্গি সংগনের সাথে না। হাজারো মানুষকে হ'ত্যা করেও যাদের মধ্যে কোনো ধরনের অনুশোচনা নাই তাদের সাথে কোনো রাজনীতিও নাই।
ভোলা জেলা ছাত্রদল, যুবদলকে বিশেষ ধন্যবাদ। জামায়াত, এনসিপিকেও নিজ নিজ জায়গা থেকে ভুমিকা রাখতে হবে। কারণ, দল যার যার, লীগ প্রতিহত করার দায়িত্ব সবার।’