হোম > জাতীয়

বিজয়া দশমী ও প্রতিমা বিসর্জন আজ

স্টাফ রিপোর্টার

হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার বিদায়ের সুর বাজছে। আজ বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীর পূজা ও প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হবে এই উৎসবের। সকালে দশমীর বিহিত পূজায় মণ্ডপগুলোতে ভক্তদের ঢল নামবে। পূজা শেষে হবে দর্পণ ও বিসর্জন। দুপুরের পর বের হবে শোভাযাত্রা। পরে প্রতিমা বিসর্জনপর্বে অংশ নেবেন ভক্তরা। হিন্দু শাস্ত্রীয় পণ্ডিতদের মতে, ‘এবার দেবী দুর্গা মর্ত্য ছেড়ে কৈলাসে ফিরে যাবেন দোলায় চড়ে।’

সনাতন ধর্মাবলম্বীদের বিশ্বাস, মানুষের মনের অসুরিক প্রবৃত্তি, কাম, ক্রোধ, হিংসা, লালসা বিসর্জন দেওয়াই মূলত বিজয়া দশমীর মূল তাৎপর্য। এই প্রবৃত্তিগুলোকে বিসর্জন দিয়ে একে অন্যের সঙ্গে ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই এ আয়োজনের উদ্দেশ্য।

এর আগে গতকাল দুর্গোৎসবের চতুর্থ দিনে মহানবমীতে রাজধানীসহ সারা দেশের পূজামণ্ডপে বেজে ওঠে বিদায়ের ঘণ্টাধ্বনি।

সংশ্লিষ্টদের বিশ্বাসমতে, নবমীতেই দেবী দুর্গা তীব্র লড়াইয়ের মাধ্যমে অসুর বিনাশ করেন। মহিষাসুর বধের এই বিজয় দিবসটি তাই দেবীভক্তদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেবী এ দিনে ভক্তদের মনোবাসনা পূরণ করেন। সে কারণে এ দিনের প্রধান ধর্মীয় আচার হলো অসুরবিনাশী দেবীকে অঞ্জলি নিবেদন। ভক্তরা ফুল হাতে দেবীর পায়ে এই অঞ্জলি নিবেদন করেন।

গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপে সকাল থেকেই ছিল ভক্তদের ভিড়। বনানী পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক চন্দন লোধ বলেন, সকাল ৯টা থেকে নবমী বিহিত যজ্ঞ ও পূজা শুরু হয়। ১২টা ১৫ মিনিট থেকে শুরু হয় অঞ্জলি দেওয়া। এ সময় ভক্তরা করজোড়ে পুরোহিতের সঙ্গে মন্ত্রপাঠ করে দেবীকে প্রণাম করেন। অঞ্জলি নিবেদন শেষে তারা চরণামৃত ও যজ্ঞের ফোঁটা সংগ্রহ করেন। সন্ধ্যার পর থেকে শুরু হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

এদিকে গতকাল রাজধানীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন সরকারের বিভিন্ন উপদেষ্টা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতারা। এ সময় তারা পূজামণ্ডপ পরিদর্শন ও হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

গত রোববার ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থার কারণে এবার বড় কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণভাবে পূজা উদযাপিত হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে মহাসপ্তমী, মহাঅষ্টমী ও কুমারী পূজা এবং গতকাল মহানবমী অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্যমতে, এ বছর সারা দেশে ৩৩ হাজার ৩৫৫টি পূজামণ্ডপ তৈরি করা হয়েছে। এর মধ্যে রাজধানীতে মণ্ডপ হয়েছে ২৫৯টি। রাজধানীর অধিকাংশ মণ্ডপের প্রতিমা বিসর্জন হবে বুড়িগঙ্গায়। এ ছাড়া সারা দেশে নিজ নিজ এলাকায় দেবী বিসর্জন করবেন ভক্তরা।

এদিকে বিজয়া দশমীর দিন নদীপথে প্রতিমা বিসর্জনের স্থানগুলোতে দুর্ঘটনা এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে থাকবেন কোস্ট গার্ডসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর সদস্যরা। বুধবার সকালে নারায়ণগঞ্জ রামকৃষ্ণ মিশন আশ্রম পূজামণ্ডপ পরিদর্শন শেষে ব্রিফিংকালে কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মো. জিয়াউল হক এ কথা বলেন।

শীতলতম মাসেও স্বাভাবিকের চেয়ে ৪ ডিগ্রি বেশি তাপমাত্রা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা নামে রাজশাহীর ডিসিকে বার্তা পাঠানো যুবক গ্রেপ্তার

বাংলাদেশের পরিবর্তন করতে হলে গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিতে হবে

৮০ লাখ টাকা খরচে যুক্তরাষ্ট্রে, ৩৬ বাংলাদেশি ফিরলেন খালি হাতে

পদ্মা সেতুর টোল থেকে ৩ হাজার কোটি টাকা আয়

ঝুঁকিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে সিসিটিভি স্থাপনে প্রায় ৭২ কোটি টাকা বরাদ্দ

রমজানের আগে এলপিজি সরবরাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগ

পোস্টাল ব্যালট সফল হলে বিশ্বে বাংলাদেশের নাম উজ্জ্বল হবে: সিইসি

পদ্মা সেতুতে টোল আদায়ে ৩ হাজার কোটি টাকার মাইলফলক স্পর্শ

জুলাই সনদের পক্ষে ‘হ্যাঁ’ ভোটের আহ্বান মুক্তিযোদ্ধা সংসদের