হোম > জাতীয়

তথ্য কমিশনের স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে: টিআইবি

স্টাফ রিপোর্টার

রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব এবং তথ্য কমিশনকে অকার্যকর রাখার প্রবণতা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তিনি বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের ধারাবাহিকতায় অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালেও তথ্য অধিকার প্রতিষ্ঠায় সদিচ্ছার ঘাটতি ছিল। এমনকি অনেক ক্ষেত্রে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে দেখা গেছে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর ধানমন্ডিতে 'তথ্য অধিকার ফোরাম' আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কথা জানান।

সংবাদ সম্মেলনে ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, তথ্য অধিকার আইন থাকার মূল লক্ষ্যই হলো জনগণের তথ্য প্রাপ্তি নিশ্চিত করা। কিন্তু আমরা দেখেছি, আওয়ামী লীগ সরকারের ১৬ বছরের শাসনামলে তথ্য কমিশনকে একটি অকার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা হয়েছিল।

দুঃখজনক বিষয় হলো, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কালেও আমরা সেই একই চিত্র দেখেছি। হয়তোবা তাদেরও এমন কিছু লুকানোর ছিল, যার কারণে পুরো চর্চাটাই ছিল অন্ধকারের মধ্যে।

তিনি আরও যোগ করেন, ঔপনিবেশিক আমল থেকে চলে আসা গোপনীয়তার সংস্কৃতি থেকে উন্মুক্ততার সংস্কৃতিতে যাওয়া একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে দেশের মানুষের যে প্রত্যাশা ছিল, তারা তথ্য কমিশন গঠন না করে সেই আস্থার অমর্যাদা করেছে। আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকা সত্ত্বেও দেড় বছর তথ্য কমিশনকে প্রতিষ্ঠিত হতে না দেওয়া অত্যন্ত বিব্রতকর।

সংবাদ সম্মেলনে ড. ইফতেখারুজ্জামান বর্তমান ও বিগত সময়ের শাসন প্রক্রিয়ার তুলনা করে বলেন, আওয়ামী লীগের আমলে যে ‘চোরতন্ত্রের’ শাসন চলেছে, সেখানে অন্য সব কমিশনের মতো তথ্য কমিশনকেও ঠুঁটো জগন্নাথে পরিণত করা হয়েছিল। তবে অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ও রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো স্বচ্ছতার পরোয়া করা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে তথ্য অধিকার ফোরামের পক্ষ থেকে দেশের তথ্য প্রাপ্তির পরিবেশ উন্নত করতে বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট দাবি তুলে ধরা হয়। দাবিগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো: ১) দলীয় প্রভাবমুক্ত কমিশন: রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত এবং সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিদের সমন্বয়ে দ্রুততম সময়ের মধ্যে তথ্য কমিশন গঠন করতে হবে। ২) আইনি সংস্কার: অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারিকৃত তথ্য অধিকার অধ্যাদেশটি জাতীয় সংসদে পেশ করার আগে তথ্য অধিকার ফোরামের প্রস্তাবিত সংশোধনীগুলো অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। ৩) জনমত যাচাই: কোনো আইনি পরিবর্তন বা অধ্যাদেশ চূড়ান্ত করার আগে তা জনসাধারণের মতামতের জন্য উন্মুক্ত করতে হবে।

সংবাদ সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য অধিকার ফোরামের আহ্বায়ক শাহীন আনাম। এছাড়া আলোচনায় অংশ নেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার, সাবেক শ্রমবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান সৈয়দ সুলতান উদ্দিন আহমেদ, এমআরডিআই-এর নির্বাহী পরিচালক হাসিবুর রহমান এবং নাগরিক উদ্যোগের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন প্রমুখ।

অনেক তরুণ আইসিটিতে কাজ করতে পরিকল্পনা নিয়ে আসছেন

বিদ্যুৎকেন্দ্র চালু রাখতে সরকারের সহযোগিতা চান মালিকরা

নেপালে সফল ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিনন্দন

উপবৃত্তির টাকা বিতরণে সরকারের যে পদক্ষেপ

ফেসবুক আইডি ডিঅ্যাকটিভ করার কারণ জানালেন জুমা

ফ্যামিলি কার্ডের ভাতার পরিমাণ বাড়তে পারে

ওসমান হাদি হত্যার পরিকল্পনাকারী এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে: জাবের

সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ১ দিনের ‘মেডিটেশন’ সহ ১০ নির্দেশনা

দুদকের মহাপরিচালক হলেন আলী হোসাইন

১৫ বছর পর চাকরি ফিরে পেলেন ডিসি কোহিনূর