নোয়াখালীবাসী মহাত্মা গান্ধীর ছাগল খায়নি বলে দাবি করেছেন লক্ষ্মীপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম। মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এমন দাবি করেন।
বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেন সেলিম নিজের নির্বাচনি এলাকার সম্পর্কে বলতে গিয়ে মহাত্মা গান্ধীর ছাগলের প্রসঙ্গটি তোলেন। তিনি বলেন, আমার জন্মভূমি লক্ষ্মীপুরের করপাড়া গ্রাম থেকে ১৯৪৬ সালে পাকিস্তান আন্দোলনের সুচনা হয়েছে। আমরা ডাইরেক্ট অ্যাকশনে গিয়েছি। সেই ডাইরেক্ট অ্যাকশনের প্রেক্ষিতে মহাত্মা গান্ধী আমাদের গ্রামে এসেছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন আমাদের গ্রামে অবস্থান করেন। সেখানে অবস্থান করে একটি শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার চেষ্টা করেন। আমরা সেই গ্রামের উত্তরাধিকারী। যদিও আমাদের বলা হয়- আমরা মহাত্মা গান্ধীর ছাগল খেয়ে ফেলেছি। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা।
ভারত বিভক্তির আগে ১৯৪৬ সালে নোয়াখালীতে যখন দাঙ্গা হয় তখন মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধী অর্থাৎ মহাত্মা গান্ধী নোয়াখালী এসেছিলেন। ওই সময় তিনি চার মাস সেখানে অবস্থান করে দাঙ্গা প্রশমনের চেষ্টা করেন। তিনি নোয়াখালীতে সফরের সময় দুগ্ধ পানের জন্য সঙ্গে করে একটি ছাগল এনেছিলেন। কথিত রয়েছে ‘কাশেম ফৌজের’ লোকজন তার ছাগলটি চুরি করে তার জন্য মাংস রেঁধে পাঠিয়েছিলেন।
উল্লেখ, সংসদ সদস্য শাহাদাত হোসেনের সেলিমের নির্বাচনী এলাকা লক্ষ্মীপুর এক সময় নোয়াখালীর আওতাভুক্ত ছিলেন। ১৯৮৪ সালে নোয়াখালী ভেঙ্গে ফেনী ও লক্ষ্মীপুর নামে আরও দুটি নতুন জেলা সৃষ্টি হয়।