ট্রাইব্যুনালে চিফ প্রসিকিউটর
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর রামপুরা এলাকায় ২৫ মার্চের কালরাতের মতো হত্যাযজ্ঞ চালানো হয়েছিল। এটা ছিল হটস্পট। বাসাবাড়িতে ঢুকে গুলি করে লোকজনকে হত্যা করা হয়েছিল। ইতিহাসে এটি নজিরবিহীন। এর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
রামপুরায় আন্দোলন দমাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে ২৮ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আজ মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সূচনা বক্তব্যে চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
শুনানির সময় ট্রাইব্যুনালে উপস্থিত ছিলেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সাবেক কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কর্নেল রেদোয়ানুল ইসলাম ও মেজর মো. রাফাত-বিন-আলম মুন। এই মামলায় পলাতক রয়েছেন পুলিশের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) মো. রাশেদুল ইসলাম ও রামপুরা থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মশিউর রহমান।
চিফ প্রসিকিউটরের সূচনা বক্তব্যের পর বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ মানবতবিরোধী অপরাধের এই মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শুরু হয়। এদিন সাক্ষ্য দেন বিশ্বজিৎ রাজবংশী। তাঁর বাবা গঙ্গাচরণ রাজবংশী রামপুরায় আন্দোলন চলাকালে বিজিবির গুলিতে নিহত হন।
সাক্ষ্য গ্রহণের পর জেরা করার জন্য আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল।