হোম > জাতীয়

বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেলের দাবি আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের

স্টাফ রিপোর্টার

বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রেখে একধাপে বৈষম্যহীন ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন এবং জরুরি ভিত্তিতে গেজেট প্রকাশের দাবি জানিয়েছে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কেন্দ্রীয় সংগঠন বাংলাদেশ আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশন। অন্যথায় বৃহত্তর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার হুঁশিয়ারি দিয়েছে সংগঠনটি।

শনিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানানো হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য উপস্থাপন করেন ফেডারেশনের চেয়ারম্যান মো. সেলিম মিয়া।

তিনি বলেন, ২০১৫ সালে বৈষম্যমুক্ত ৮ম পে-স্কেল কার্যকরের পর থেকে দীর্ঘ ১১ বছর ধরে দেশের সর্বস্তরের গণকর্মচারীরা গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে বৈষম্যমুক্ত ৯ম পে-স্কেল প্রবর্তনের দাবিতে মানববন্ধন, স্মারকলিপি প্রদানসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছেন। পে-কমিশনের কাছে আমাদের দাবি— দেশের বাজারব্যবস্থা বিশ্লেষণ, ছয় সদস্যের পরিবারের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং বেতন বৈষম্যের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ন্যায্যতার ভিত্তিতে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হোক।

তিনি আরও বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পে-কমিশন গঠন করলেও এখনো পে-স্কেল বাস্তবায়ন না হওয়ায় দেশের ১৯ লাখ গণকর্মচারী আশাহত হয়েছেন। তবে বর্তমান সরকার পে-স্কেল বাস্তবায়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে বিভিন্ন সময় আমরা গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি।

ফেডারেশনের চেয়ারম্যান বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে ইতিপূর্বে গঠিত পে-কমিশনের প্রতিবেদন দ্রুত যাচাই-বাছাই করে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা-সরকারি কর্মচারীদের জন্য পে-স্কেল প্রণয়নের নির্দেশনা দেওয়ায় আমরা কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাচ্ছি। তবে বিভিন্ন গণমাধ্যমের মাধ্যমে জানতে পেরেছি, সরকার তিন ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়নের পরিকল্পনা করছে। এ ধরনের খবরে গণকর্মচারীরা হতাশ হয়ে পড়েছেন এবং তাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।”

তিনি বলেন, “১১ বছর বঞ্চিত রাখার পর তিন ধাপে পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হলে কর্মচারীরা তা কোনোভাবেই মেনে নেবেন না।”

তাদের দাবি, বাজেটে পর্যাপ্ত বরাদ্দ রেখে একধাপে ৯ম পে-স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে এবং জরুরি ভিত্তিতে গেজেট প্রকাশ করতে হবে। ছয় সদস্যের একটি পরিবার যাতে মর্যাদার সঙ্গে জীবনযাপন করতে পারে, সে অনুযায়ী পে-স্কেল নির্ধারণ করতে হবে। একই সঙ্গে ৮ম পে-স্কেলে বাতিল করা টাইম স্কেল ও সিলেকশন গ্রেড পুনর্বহালের দাবিও জানানো হয়।

ফেডারেশনের মহাসচিব মো. জামাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মুখ্য সমন্বয়ক মো. ওয়ারেছ আলী, আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কর্মচারী ফেডারেশনের প্রধান উপদেষ্টা মহিউদ্দিন খন্দকার, মুখপাত্র খন্দকার গোলাম সিদ্দিক, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী সমন্বয় পরিষদের সভাপতি এম. এ. হান্নান ও মহাসচিব বেল্লাল হোসেন, কর্মচারী কল্যাণ ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক খায়ের আহম্মেদ মজুমদারসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

এর পরে প্রেসক্লাব এলাকায় মৌন মিছিল করেন কর্মচারী ফেডারেশনের নেতাকর্মীরা।

এসআর

জাতীয় স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব: নাহিদ ইসলাম

ঢাকা-কক্সবাজার রুটে আজ থেকে চলবে ‘মহানগর এক্সপ্রেস’

নিরাপদ খাদ্য পাওয়াই বড় চ্যালেঞ্জ

রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রীর বেতন বৃদ্ধিতে ধীরে চলো নীতি

জাপানে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জার্মানি ও চেক প্রজাতন্ত্র সফর করলেন বিমান বাহিনী প্রধান

চার দিনের সফরে জাপানের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আমার দেশ-এর প্রেসের সামনে দুই ককটেল নিক্ষেপ

অক্টোবরের ২৪ দিনে ২৬ হাজার ৪১১ কোটি টাকার রেমিট্যান্স

বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরো শক্তিশালী হচ্ছে: মার্কিন রাষ্ট্রদূত