হোম > জাতীয়

৩২০ সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬০ শিক্ষার্থী নিহত: যাত্রী কল্যাণ সমিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিক্ষার্থীদের সচেতন করা গেলে নিরাপদ সড়ক বিনির্মাণের পাশাপাশি সুশৃঙ্খল জাতী গঠন সম্ভব হবে বলে মনে করেন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী। তিনি আরো বলেন, মিরসরাই ট্রাজেডির পুনরাবৃত্তি রোধে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতনতা তৈরির মত গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে নিয়মিত কর্মসূচি না থাকায় প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য শিক্ষার্থী প্রাণহানি ঘটছে। আহত হচ্ছে, অনেকে পঙ্গুত্ব বরণ করছেন।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুন পর্যন্ত শুধুমাত্র গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে দেখা গেছে ৩২০ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৬০ জন শিক্ষার্থী নিহত ও ১০৯ জন শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।

মিরসরাই ট্রাজেডির ১৫ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে আজ ১১ জুলাই শনিবার গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির মহাসচিব এ চিত্র তুলে ধরেন। তিনি আরো বলেন, ২০১১ সালের ১১ জুলাই চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় কয়েকটি স্কুলের শিক্ষার্থী বহনকারী একটি মিনিট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে শিক্ষার্থীসহ ৪৫ জন নিহত হয়। দেশের ইতিহাসে এক দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি প্রাণহানির এমন দুর্ঘটনার পরে সরকার শিক্ষার্থীদের সড়ক নিরাপত্তায় সচেতনতামুলক কোন কর্মসূচি নেয়নি। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের মধ্যে সচেতনতা গড়ে উঠেনি। এমন বাস্তবতায় প্রতিবছর সড়ক দুর্ঘটনায় অসংখ্য শিক্ষার্থীর প্রাণ ঝড়ছে দাবি করে অনতিবিলম্বে শিক্ষার্থীদের মূল্যবান জীবন রক্ষায় ৫ দফা দাবি তুলে ধরেন।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পরিসংখ্যানে দেখা যায়, জানুয়ারিতে ৫৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৭শিক্ষার্থী নিহত ও ২২ জন আহত হয়েছে। ফেব্রুয়ারি মাসে ৩৯ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৪৭শিক্ষার্থী নিহত ও ১১আহত হয়েছে। মার্চ মাসে ৫৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬৭শিক্ষার্থী নিহত ও ০১ জন আহত হয়েছে। এপ্রিল মাসে ৫১টি সড়ক দুর্ঘটনা ৫৬শিক্ষার্থী নিহত ও ২৫জন আহত হয়েছে। মে মাসে ৬১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৭৩শিক্ষার্থী নিহত ও ২৩ জন আহত হয়েছে। জুন মাসে ৫৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৬০শিক্ষার্থী নিহত ও ২৭ জন আহত হয়েছে।

সড়কে প্রাণহানি কমাতে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে ৫ দফা সুপারিশ পেশ করা হয়েছে।

১.পাঠ্যবইয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচতেনতামূলক পাঠ্যসূচি অন্তর্ভুক্ত করা।

২.প্রতিমাসে কমপক্ষে ০১ বার কমন রুমে ঘণ্টাব্যাপী শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সকল শিক্ষার্থীদের সাথে নিয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে অভিজ্ঞদের সমম্বয়ে সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ে সচেতনতামূলক সভার আয়োজন করা।

৩.জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে প্রতিটি সড়ক পারপারের স্পটে, বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্র্থীদের পারাপার স্থানে জেব্রা ক্রসিং অংকন করা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ড সাঁটানো।

৪.জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কের পাশে গড়ে উঠা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সড়ক পারাপারে “রোড সেইফটি গার্ড” লাল পতাকা হাতে নিয়ে পারাপারের ব্যবস্থা করা।

৫.প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র ও শিক্ষকের সমম্বয়ে সড়ক নিরাপত্তা কমিটি গঠন করা।

এমই

জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় সম্মিলিত উদ্যোগের বিকল্প নেই : পরিবেশমন্ত্রী

রংপুর দখলের কথা বললে আমরা কলকাতা দখল করব

হাম ও উপসর্গে মোট মৃত্যু ৭৫৩

আমার মাথায় হেলথ নেই, উনি আছেন, স্ত্রীকে দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী

জুবাইদার স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী

১২-২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য সুখবর

ডিসেম্বর পর্যন্ত অপেক্ষা কেন, এখনই আসুন

তাজউদ্দিনের অনুরোধেও স্বাধীনতার ঘোষণা দেননি শেখ মুজিব: স্পিকার

কওমি মহিলা মাদরাসা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা গ্রহণযোগ্য নয়

দেশের বন্যা পরিস্থিতি আরও অবনতির পূর্বাভাস