হোম > জাতীয়

আগামী বিশ্বকাপ খেলা লাভজনক ইভেন্টে নিয়ে যাওয়া হবে: তথ্যমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার

আগামী বিশ্বকাপ শুধু বিনা মূল্যে দেখানোই নয়, শূন্য ব্যয়ের সীমা ছাড়িয়ে বিটিভির জন্য এটিকে একটি লাভজনক ইভেন্টে পরিণত করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন।

তিনি বলেন, বিনোদন জগতের বিজ্ঞাপনের বিশাল বাজার থেকে সরকার যাতে আয় করতে পারে, সেই লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে যুব ও ক্রীড়া এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের যৌথ সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আপনারা যদি সহযোগিতা করেন এবং এবারের এই উদ্যোগকে ধারাবাহিকভাবে উৎসাহিত করেন, তাহলে আমি বিশ্বাস করি, আগামী বিশ্বকাপের সময় আমরা এটিকে শুধু শূন্য ব্যয়ের জায়গায় সীমাবদ্ধ রাখব না; বরং এটিকে একটি লাভজনক ইভেন্টে পরিণত করতে পারব।

এর আগে বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২৬-এর খেলা সুন্দরভাবে সম্প্রচারের সুযোগ সৃষ্টি করায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল ইসলামের পক্ষ থেকে তথ্যমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা ও ধন্যবাদপত্র দেওয়া হয়।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, রাজস্ব থেকে কোনো অর্থ ব্যয় না করেই এবারের বিশ্বকাপ ফুটবল সম্প্রচার করতে পেরেছি। এ কাজে ক্রীড়া মন্ত্রণালয় উৎসাহ ও সহযোগিতা দিয়েছে। দেশে এ ধরনের সব সৃজনশীল উদ্যোগ ও অর্জন দেশবাসীর সামনে তুলে ধরতে ভবিষ্যতেও আরও সচেষ্ট থাকব।

তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশে কোনো সরকারই ক্রীড়া ক্ষেত্রকে স্পষ্টভাবে পেশা হিসেবে গুরুত্ব দেয়নি। এই সরকার দিচ্ছে। ক্রীড়াকে একটি সম্মানজনক পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্য সামনে রেখে তিনি যুবসমাজের প্রতি আহ্বান জানান।

এসআর

নভেম্বরের শুরুতে টানা ৩ দিনের ছুটির সুযোগ

গোষ্ঠীস্বার্থে গাজীপুর-বিমানবন্দর বিআরটি প্রকল্প বাতিল অগ্রহণযোগ্য: আইপিডি

দক্ষিণ কোরিয়ায় কর্মী পাঠাতে প্রতিমন্ত্রী নূরের বৈঠক

‘ভালো লোকের নির্বাচনে দাঁড়ানোর সুযোগ নেই’—স্পিকারের সমর্থনে যা বললেন জারা

সাইবার হামলা নিয়ে উচ্চ সতর্কতা জারি, হুমকিতে দেশের ব্যাংক-সরকারি পোর্টাল

স্তন ক্যানসার নিয়ে সচেতনতায় গোলাপি সড়ক শোভাযাত্রা শুক্রবার

প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় টোকিওতে থাকবেন না বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত

বৈশ্বিক ক্ষুধা সূচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ, পিছিয়েছে পাকিস্তান

জীবন বাঁচাতে বৃক্ষের বিকল্প নেই: দুলু

বাঁওড়ের উন্নয়ন ও জেলেদের জীবিকা সমৃদ্ধ করতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প