পর্যটন একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক শিল্প যার সঙ্গে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের পর্যটন খাতকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে চান। বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান মাত্র ২-৩ শতাংশ। আমরা এই অবদানকে ৭-৮ শতাংশে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ করছি।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এ কথা বলেন।
আজ সোমবার সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ঐতিহাসিক স্থাপনা ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের সাথে পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন শীর্ষক আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় সভাপতিত্ব করেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান।
মন্ত্রী আরো বলেন, আজকের সভায় প্রাথমিকভাবে একসঙ্গে কাজ করার লক্ষ্যে দুই মন্ত্রণালয়ের মধ্যে সমঝোতা স্বারক স্বাক্ষর করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। সাক্ষরের পরে অভিন্ন নীতিমালা প্রণয়নের কাজ শুরু হবে। দেশের কালচারাল ট্যুরিজমকে এগিয়ে নেয়ার জন্য জয়েন্ট টাস্কফোর্স ফর কালচারাল ট্যুরিজম গঠন করা হবে।
সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম দেশের বিমানবন্দরে বিদেশ থেকে আগত যাত্রীদের জন্য নজরুল বর্ষের প্রচারণার প্রস্তাব করলে পর্যটন মন্ত্রী বলেন, নজরুল বর্ষ উপলক্ষে প্রয়োজনীয় প্রচারণার উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।
সভাপতির বক্তব্যে সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী বলেন, আমাদের দেশীয় ঐতিহ্য হাজার বছরেরে পুরনো। এই ঐতিহ্যকে সংরক্ষণ করে সারাবিশ্বে ছড়িয়ে দিতে চায় বর্তমান সরকার। আমাদের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোকে পর্যটন থিমকে লক্ষ্য রেখে উন্নয়ন করা হবে। আমাদের ৫৫৪ টি প্রত্নতাত্ত্বিক প্রতিষ্ঠান আছে যেগুলোতে পর্যায়ক্রমে মন্ত্রণালয়ের ঞধংশভড়ৎপব পরিদর্শন করবেন। এরপর উন্নয়নমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।
সভায় অন্যান্যদের মধ্যে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব ফাহমিদা আখতার, এনডিসি সহ উভয় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।