হোম > জাতীয়

মৃত্যুদণ্ড রায়ের পর যা বললেন কামাল

আতিকুর রহমান নগরী

চব্বিশের জুলাই–আগস্টে সংঘটিত গণহত্যা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় ঘোষণা করেছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। দীর্ঘ তদন্ত, সাক্ষ্যগ্রহণ ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে সোমবার দুপুরে এ বহুল আলোচিত মামলার রায় দেন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। সকাল থেকেই ট্রাইব্যুনাল চত্বরে ছিল বাড়তি নিরাপত্তা ও হাজারো মানুষের ভিড়।

দুপুরে বিচারপতি মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী ছয় অধ্যায় ও ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায়ের পাঠ শুরু করেন। তার সঙ্গে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদার এবং বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন। প্রায় দুই ঘণ্টা রায় পাঠের পর দুপুর ২টা ৫০ মিনিটে আদালত ঘোষণা করেন—চব্বিশের জুলাই–আগস্টে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, আগুন দেওয়া এবং বেসামরিক নাগরিকদের ওপর হামলার দায়ে আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হলো।

রায়ের সময় তিনি পলাতক ছিলেন। অপরদিকে সাবেক আইজিপি মামুন প্রায় এক বছর ধরে কারাগারে আছেন এবং তিনি এ মামলায় রাজসাক্ষী হয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সরাসরি সাক্ষ্য দিয়েছেন। প্রসিকিউশন জানায়, তার শাস্তি নির্ধারণের বিষয়টি আদালতের ওপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বরে উভয় পক্ষের প্রতিক্রিয়া দেখা যায়; কেউ দাবি করেন বিচার হয়েছে, কেউ প্রশ্ন তুলেন আদালতের স্বাধীনতা নিয়ে।

রায় ঘোষণার কয়েক ঘণ্টা পরই সোমবার বিকেল ৪টায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জার্মান আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ডয়চে ভেলে (DW)–কে অডিও সাক্ষাৎকার দেন। সেখানে তিনি রায়, ট্রাইব্যুনালের বৈধতা, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এবং প্রতিবেশী ভারতের সম্ভাব্য অবস্থান নিয়ে বিস্তৃত প্রতিক্রিয়া জানান। তিনি সাক্ষাৎকারে বলেন—

“এই ট্রাইবুনালটা অবৈধ ট্রাইব্যুনাল। আমাদের এখানে যুদ্ধাপরাধী এবং গণহত্যার জন্য এই ট্রাইবুনাল তৈরি করা হয়েছিল। লিবারেশন ওয়ারের সময় গণহত্যা হয়েছে। কাজেই এই ট্রাইব্যুনাল তৈরি হয়েছে লিবারেশন ওয়ারে যারা নাকি দেশে বিরোধিতা করেছে, আগুন ধরিয়েছ। মাইলের পর মাইল বাড়ি ঘর পুড়িয়ে দিয়েছিল তাদের জন্য। সে কোর্টে মুক্তিযোদ্ধদের বিচার হবে সেটি অবিশ্বাস্য। আমি মনে করি এই অবৈধ ট্রাইব্যুানালে রয়েছে একটি দলের সমর্থকরা। কাজেই তারা কি রায় দেবে আমরা আগে থেকে জানি। আমরা মনে করি বাংলাদেশের মানুষ এই রায় এক্সেপ্ট করবে না।”

ডয়চে ভেলে তখন তাকে প্রশ্ন করে— “আপনার কি মনে হয় যে এই রায়ের পরে ভারতের উপর চাপ আরো বাড়বে আপনাদের কে হস্তান্তর করার জন্য?”

উত্তরে কামাল তিনি বলেন— “ভারত একটি বড় দেশ, পার্শ্ববর্তী দেশ। ভারত বাংলাদেশকে সবসময় সহযোগিতা করে আসছে সব রকমভাবে। এখন এই অবৈধ সরকারকে ভারত কখনো পছন্দ করে না আমি জানি। সেখানে ভারত কিভাবে দেখবে সেটা ভারতের ব্যাপার।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জাপানের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

স্থানীয় নির্বাচনে পোস্টার নিষিদ্ধ, সামাজিক মাধ্যমে প্রচারে বাধা নেই

বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো জোরদার করবে বাংলাদেশ-ইতালি

মানসম্মত ও সাশ্রয়ী ইন্টারনেট চান আইসিটি মন্ত্রী

ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতদের সম্মানী ও উৎসব ভাতা দেবে সরকার

সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীল রাজনীতি করার আহ্বান রাষ্ট্রপতির

রাজধানীতে ডিএমপির অভিযানে ২৪ ঘণ্টায় গ্রেপ্তার ৫১৪

ঠাকুরগাঁও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন রাষ্ট্রপতি

আগস্টে সড়কে ঝরল ৪৮১ প্রাণ, দুর্ঘটনা বেশি সকালে

উপজেলা নির্বাচনে পোস্টার-মিছিল নিষিদ্ধ