হোম > জাতীয়

যেভাবে হলো ইউনূস-তারেকের বৈঠকের ব্যবস্থা

ঢাবি সংবাদদাতা

ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তারেক রহমান

চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সোমবার যুক্তরাজ্যের উদ্দেশ্যে ঢাকা ছাড়েন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ৫ মিনিটের দিকে এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।

প্রধান উপদেষ্টার যুক্তরাজ্য সফরের ঘোষণা আসার পর থেকেই তারেক রহমানের সাথে বৈঠকের সম্ভাবনা নিয়ে দেশের রাজনীতিতে নানা আলোচনা চলছিল।

আলোচনা চললেও সোমবার পর্যন্ত এ নিয়ে সরকার কিংবা বিএনপির পক্ষ থেকে খোলাসা করে কিছু বলা হয়নি।

তবে ভেতরে ভেতরে যে একটা আলোচনা চলছিল সেটা আকার ইঙ্গিতে সরকার ও বিএনপির পক্ষ থেকে গত দুই দিনে ইঙ্গিতও মিলেছিল।

এসব বিষয় নিয়ে সোমবার রাতে বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।

এই বৈঠকেই সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয় যে, প্রধান উপদেষ্টার অধ্যাপক ইউনূসের সাথে তারেক রহমানের বৈঠক হবে।

বিএনপি জানিয়েছে, আগামী ১৩ জুন শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল নয়টা থেকে ১১টা পর্যন্ত লন্ডনের হোটেল ডোরচেস্টারে বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, বৈঠকের বিষয়ে মূল আগ্রহ দেখানো হয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের পক্ষ থেকেই। যে কারণে সায় দিয়েছে বিএনপি।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, "যত যা কিছুই হোক, সৌজন্য তো বজায় রাখতে হবে। আমরা স্টান্ডিং কমিটির বৈঠকে সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে ওনার (তারেক রহমানের) দেখা করা উচিত। দরকার হলে উনি সেই সুযোগে ওনার যা রাজনৈতিক আলাপ সেটা করবেন"।

মঙ্গলবার বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে বিষয়টি খোলাসা করেছেন।

তিনি বলেছেন, ‘‘এটা (বৈঠক) বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই, যখন প্রধান উপদেষ্টা লন্ডনে যাবেন সিদ্ধান্ত হয়েছে, তখন থেকেই মোটামুটি একটু আলোচনা হচ্ছিল যে, সেখানে যেহেতু আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মহোদয় আছেন একটা সাক্ষাৎ হতে পারে… এই সম্ভাবনা তখন থেকেই শুরু হয়েছিল।’’

"ওনাকে (তারেক রহমান) ফরমালি দাওয়াত করা হয়েছে মিটিংয়ের জন্যে। এই মিটিংয়ের জন্য আমাদের স্ট্যান্ডিং কমিটির পক্ষ থেকে স্বাগত জানানো হয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করছি, এটা বাংলাদেশের রাজনৈতিক সংকট কাটাতে পজিটিভ ভূমিকা রাখতে পারে", যোগ করেন মির্জা আলমগীর।

বিএনপি মহাসচিব বলেছেন, লন্ডনে প্রধান উপদেষ্টার সাথে বিএনপি নেতার এই বৈঠকে আগামী দিনের রাজনীতিতে নতুন মাত্রাও যোগ করতে পারে।

সম্প্রতি দক্ষিণ সিটিতে ইশরাক হোসেনের মেয়র পদ, গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ইস্যুতে সরকার ও বিএনপির টানাপড়েনের মধ্যেই পরের বছর এপ্রিলে নির্বাচনের সময়সীমা ঘোষণায় বেশ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখায় বিএনপি।

যে কারণে ঈদের পর আন্দোলনের জন্য অনেকটা মানসিকভাবেই প্রস্তুতি নিচ্ছিল দলটি।

এমন পরিস্থিতির মধ্যেই প্রধান উপদেষ্টার লন্ডন সফরের দিনক্ষণ চূড়ান্ত হওয়ার পর সরকারের কয়েকজন উপদেষ্টাই প্রধান উপদেষ্টা ও তারেক রহমানের বৈঠকের বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় তোলেন।

সূত্র: বিবিসি বাংলা

ব্যাবসায়িক শক্তির কাছে ইসি জিম্মি হয়ে গেছে: টিআইবি

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে শুরু হচ্ছে নির্বাচনি বিতর্ক প্রতিযোগিতা

‘হ্যাঁ’-এর প্রার্থী আপনি আমি আমরা সবাই: আলী রীয়াজ

৪১৯টি উপজেলায় অতিরিক্ত ওএমএস কর্মসূচির ভর্তুকি মূল্যে চাল বিক্রি শুরু

সামাজিক মাধ্যমে দেশের নির্বাচনি লড়াই

ম্যানচেস্টার ফ্লাইট স্থগিতের ব্যাখ্যা দিল বিমান

নির্বাচনে কোটিপতি প্রার্থী কতজন, জানাল টিআইবি

ভোটে যারাই নির্বাচিত হবে, তাদের সঙ্গেই কাজ করব

হাফিজ উদ্দিন খানের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

প্রার্থীদের প্রচারণার সীমারেখা: কী করা যাবে, কী যাবে না