হোম > জাতীয়

তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা আনোয়ারের

কূটনৈতিক রিপোর্টার

প্রতিরক্ষা খাতে সহযোগিতাসহ কৌশলগত অংশীদারত্ব জোরদারে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়া। এর পাশাপাশি বাণিজ্য, বিনিয়োগ, জ্বালানি, ডিজিটাল অর্থনীতি, সেমি-কন্ডাক্টর, হালাল শিল্প, শিক্ষাসহ বিভিন্ন খাতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে একমত হয়েছে দুই দেশ।

গতকাল সোমবার মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পেরদানা পুত্রা ভবনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যে একান্ত এবং প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক শেষে যৌথ বিবৃতিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগের ব্যাপারে বিদ্যমান শ্রমশক্তি অভিবাসন সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে একটি নতুন কাঠামো তৈরির জন্য যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ (জেডব্লিউজি) গঠনে সম্মত হয়েছে দুই দেশ। পাশাপাশি আরসিইপিতে (রিজিওনাল কমপ্রিহেনসিভ ইকনোমিক পার্টনারশিপ) যোগদান এবং আসিয়ানের সঙ্গে সম্পৃক্ততা জোরদারে বাংলাদেশের প্রতি সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে মালয়েশিয়া।

বৈঠক শেষে যৌথ সংবাদ সম্মেলনেও দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন। এ ছাড়া দুদেশের মধ্যে সাংস্কৃতিক বিনিময়বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক সই এবং সন্ত্রাস দমনবিষয়ক দুটি দলিল বিনিময় হয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে দায়িত্ব নেওয়ার পর মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। গতকাল মালয়েশিয়ায় স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৩০ মিনিটে দেশটির প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় পেরদানা পুত্রা ভবনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হয়। পরে উভয়ের নেতৃত্বে প্রতিনিধি পর্যায়ের বৈঠক হয়। বৈঠকে তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সামগ্রিক বিষয় পর্যালোচনা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে মতবিনিময় করেন। দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও যৌথ সংবাদ সম্মেলন শেষে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তার সফরসঙ্গীরা।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, দুই নেতা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম। বাংলাদেশের জন্য এটিকে শান্তি, স্থিতিশীলতা ও অগ্রগতির প্রত্যাশার বিষয়ে নতুন অধ্যায়ের সূচনা বলেও অভিহিত করেন তিনি। প্রস্তাবিত মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ মুক্ত-বাণিজ্য চুক্তি (এমবিএফটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে। দুই দেশ ২০২৭ সালের মধ্যে চুক্তিটি সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে।

বৈঠকে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রবাহ বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। উভয় নেতা উল্লেখ করেন, দক্ষিণ এশিয়ায় মালয়েশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম বাণিজ্যিক সহযোগী বাংলাদেশ। উভয় দেশের বেসরকারি খাতের মধ্যে নিয়মিত যোগাযোগের একটি কাঠামোবদ্ধ প্ল্যাটফর্ম হিসেবে মালয়েশিয়া-বাংলাদেশ জয়েন্ট বিজনেস কাউন্সিল (জেবিসি) গঠনের অগ্রগতিকেও তারা স্বাগত জানান। টেলিযোগাযোগ, জ্বালানি, অবকাঠামো, বন্দর ও লজিস্টিকস, হালাল শিল্প, কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ, শিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়ন, ডিজিটাল অর্থনীতি, সেমিকন্ডাক্টর এবং স্মার্ট ম্যানুফ্যাকচারিংসহ বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে সম্মত হন দুই নেতা।

বিশ্বের বৃহত্তম বাণিজ্য জোট আরসিইপিতে যোগদানে বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষার প্রতি সমর্থন জানিয়েছে মালয়েশিয়া। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান অর্থনৈতিক গুরুত্ব এবং এই অঞ্চলে কৌশলগত ভূমিকার স্বীকৃতি দিয়ে মালয়েশিয়া জানায়, ভবিষ্যতে আরসিইপিতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সংযোগ, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও সরবরাহ শৃঙ্খলকে আরো শক্তিশালী করবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সেক্টরাল ডায়ালগ পার্টনার মর্যাদা অর্জনের মাধ্যমে দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশগুলোর জোট আসিয়ানের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ককে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার দৃঢ় আকাঙ্ক্ষার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের এই আগ্রহকে স্বাগত জানান এবং আসিয়ানের কাঠামোর মধ্যে ঢাকার আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে মালয়েশিয়ার গঠনমূলক সমর্থনের আশ্বাস দেন।

দুই নেতার আলোচনায় গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসে শ্রমিক নেওয়া অব্যাহত রাখার বিষয়টি। মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশের কর্মী নিয়োগের ব্যাপারে বিদ্যমান শ্রমশক্তি অভিবাসন সমঝোতা স্মারক পর্যালোচনা করে বর্তমান বাস্তবতা ও প্রয়োজন অনুসারে একটি নতুন, হালনাগাদ কাঠামো তৈরির জন্য যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপ (জেডব্লিউজি) গঠনে সম্মত হয়েছে দুই দেশ।

যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ডিজিটাল অর্থনীতি, ফিনটেক, সাইবার নিরাপত্তা ও ডিজিটাল গভর্ন্যান্সের মতো অগ্রসরমান প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা সুদৃঢ় করতে সম্মত হয়েছেন দুই নেতা।

তারা সেমিকন্ডাক্টর প্যাকেজিং ও পরীক্ষণ খাতে মালয়েশিয়ার বৈশ্বিক সক্ষমতার কথা উল্লেখ করে দুই পক্ষ বাংলাদেশি প্রকৌশল স্নাতকদের প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নে বিশেষজ্ঞ বিনিময় এবং জ্ঞান-আদান-প্রদান কর্মসূচির মাধ্যমে দ্বিপক্ষীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন কাঠামো নিয়ে আলোচনা করেন। দুই নেতা বৈশ্বিক ইসলামি অর্থনীতির ক্রমবর্ধমান বাণিজ্যিক গুরুত্বের স্বীকৃতি দেন এবং বাংলাদেশের হালাল খাতের উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করতে একমত হন।

মালয়েশিয়ায় অধ্যয়নরত প্রায় ১১ হাজার বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর বিষয়টি উল্লেখ করে দুই প্রধানমন্ত্রী উচ্চশিক্ষা, বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অংশীদারত্ব, যৌথ গবেষণা উদ্যোগ এবং কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ (টিভিইটি) খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণে একমত হন। সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতি, যৌথ ডিগ্রি কর্মসূচি এবং শ্রমবাজারের চাহিদার সঙ্গে শিক্ষাক্রমের সামঞ্জস্য আরো জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তারা।

জ্বালানি সহযোগিতা ছিল আলোচনার অন্যতম বিষয় । উভয়পক্ষ তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) সরবরাহ, এলএনজি অবকাঠামো এবং পেট্রোলিয়াম পণ্যবিষয়ক বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় সমঝোতার সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সম্মত হয়েছে। মালয়েশিয়ার কোম্পানিগুলোকে বঙ্গোপসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, কয়লা ও চুনাপাথরসহ অনাবিষ্কৃত খনিজ সম্পদ উত্তোলন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পে বিনিয়োগের আমন্ত্রণ জানায় বাংলাদেশ।

দুই দেশের দীর্ঘস্থায়ী প্রতিরক্ষা সম্পর্কের প্রশংসা করে বিদ্যমান প্রতিরক্ষা সহযোগিতা সমঝোতা স্মারক পুরোপুরি কার্যকর করার অঙ্গীকার করেন দুই নেতা। সামরিক বিজ্ঞান, কারিগরি দক্ষতা ও প্রতিরক্ষা শিল্প অংশীদারত্বে সহযোগিতা সম্প্রসারণে একমত হন তারা। ভবিষ্যৎ সহযোগিতার জন্য একটি কাঠামোগত রূপরেখা তৈরির লক্ষ্যে প্রতিরক্ষা সহযোগিতাবিষয়ক যৌথ কমিটি (জেসিডিসি) বৈঠক আয়োজনের প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন তারা।

উভয়পক্ষ জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে যৌথ প্রশিক্ষণ, কৌশলগত মহড়া ও জ্ঞান বিনিময়ের মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে। পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদ, সহিংস উগ্রবাদ, মানবপাচার ও আন্তঃদেশীয় অপরাধ মোকাবিলায় সহযোগিতা জোরদারের কথাও জানান তারা।

আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক ইস্যুর মধ্যে দীর্ঘস্থায়ী রোহিঙ্গা সংকট নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন দুই নেতা। মালয়েশিয়া জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করে এবং বাংলাদেশের প্রতি সংহতি পুনর্ব্যক্ত করে। নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানের প্রতি সমর্থনের কথাও পুনর্ব্যক্ত করে কুয়ালালামপুর।

দুই নেতা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় করেন। তারা সংলাপ ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য ন্যায়সঙ্গত ও স্থায়ী শান্তির পক্ষে সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। জলবায়ু পরিবর্তন, খাদ্য নিরাপত্তা, মানবপাচার, আন্তঃদেশীয় অপরাধ এবং অন্যান্য প্রচলিত ও অপ্রচলিত নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় যৌথ পদক্ষেপের প্রয়োজনের ওপরও জোর দেন দুই প্রধানমন্ত্রী।

জাতিসংঘ ও ওআইসিসহ আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মধ্যে আরো ঘনিষ্ঠ সমন্বয়ের অঙ্গীকার করে দুই দেশ। একই সঙ্গে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা, আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

এদিকে পুত্রজায়ায় মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার দ্রুত উন্মুক্ত করতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের প্রতি আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমকে আরো বেশি বাংলাদেশি কর্মী নিয়োগ এবং দ্রুত শ্রমবাজার উন্মুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনার কথা বলেছি। পাশাপাশি অনিয়মিত শ্রমিকদের বৈধকরণ এবং আটক বাংলাদেশিদের সম্ভাব্য প্রত্যাবাসনের বিষয়টিও উত্থাপন করেছি।

সংবাদ সম্মেলনের শুরুতে আনোয়ার ইব্রাহিমকে ধন্যবাদ জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, গত ফেব্রুয়ারিতে আমি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করার পর প্রথম যে শুভেচ্ছা বার্তা পেয়েছিলাম, তা ছিল প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের। তিনি আমাকে অভিনন্দন এবং মালয়েশিয়া সফরের আমন্ত্রণ জানান।

তিনি বলেন, তার আন্তরিক আমন্ত্রণ গ্রহণ করতে পেরে আমি সম্মানিত বোধ করছি। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমার প্রথম বিদেশ সফরে স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়ে মালয়েশিয়ায় আসতে পেরে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

পিতা প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯৭৯ সালে মালয়েশিয়া সফরের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, সেই সফর দুই দেশের রাজনৈতিক সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী করেছিল। একই সঙ্গে শ্রমবিষয়ক সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপন করেছিল।

তিনি বলেন, আমি আমার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ১৯৯৩ সালের মালয়েশিয়া সফরের কথাও স্মরণ করছি। তার সেই সফর আমাদের বন্ধুত্বকে আরো গভীর এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচন করেছিল। তিনি বলেন, আমরা মধুর স্মৃতি নিয়ে দেশে ফিরছি।

মালয়েশিয়ার রাজার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

মালয়েশিয়ার রাজা সুলতান ইব্রাহিম ইবনে আলমারহুম সুলতান ইস্কান্দারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। গতকাল স্থানীয় সময় দুপুরে রাজপ্রাসাদ ইস্তেনায় রাজার সঙ্গে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতের সময় রানী জারিথ সোফিয়া উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফর ফলপ্রসূ হয়েছে, দ্রুত খুলছে শ্রমবাজার

পলাশী ট্র্যাজেডির সেই দিন আজ

পবিত্র আশুরা নিয়ে ডিএমপির যেসব নির্দেশনা

এমপিপুত্রকে কে ধরালেন, কে ছাড়ালেন

অবশেষে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করল ‘বাংলার জয়যাত্রা’

দেশে নিবন্ধিত গণমাধ্যম ১ হাজার ৯৬৯টি: তথ্যমন্ত্রী

চীনে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

রাজধানীতে ভূমিকম্প অনুভূত

গ্যাস সরবরাহ নিয়ে দুঃসংবাদ দিল তিতাস

এমপিপুত্রকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার কারণ জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী