হোম > জাতীয়

দেশে ফিরছেন কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসা সেই নারী

ইরাকে পাসপোর্ট ফিরে পেলেন ৭ বাংলাদেশি

বিশেষ প্রতিনিধি

প্রবাসী কল্যাণমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর তৎপরতায় কম্বোডিয়ার স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসা ৩৪ বছর বয়সি বাংলাদেশি নারীর দেশে ফেরার ব্যবস্থা হয়েছে। ব্যাংকক দূতাবাসের সহযোগিতায় ট্রাভেল পাসের মাধ্যমে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে উদ্ধার হওয়া নারী দেশে ফেরত আসবেন বলে দূতাবাস সূত্রে জানা গেছে।

সূত্রমতে, ২০২৫ সালের আগস্টে একটি ট্রাভেল এজেন্সির মাধ্যমে ওই নারী কম্বোডিয়া গমন করেন। কম্পিউটারের কাজ ও উচ্চ বেতন দেওয়ার কথা বলে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কম্বোডিয়া গমনের পর পাসপোর্ট কেড়ে নিয়ে তাকে একটি স্ক্যাম সেন্টারে বন্দী করা হয়। সেখানে তাকে দিয়ে নানা ধরনের আর্থিক জালিয়াতি, মোবাইল ও ইন্টারনেটের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নেওয়ার মত কাজ করানো হয়। সেখান থেকে একাধিকবার চেষ্টা করেও তিনি পালাতে ব্যর্থ হন।

অবশেষে ২০২৬ সালের ২০ মে দালালদের চোখ ফাঁকি দিয়ে স্ক্যাম সেন্টার থেকে পালিয়ে আসেন। অজানা জায়গায় আশ্রয় নিয়ে বাংলাদেশের প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরীর সাথে সরাসরি হোয়াটসঅ্যাপ কলে যোগাযোগ করে দেশে ফিরতে তার সহযোগিতা চান।

কল পেয়ে মন্ত্রী বাংলাদেশের ব্যাংকক দূতাবাসে নিয়োজিত শ্রম কাউন্সিলরের সাথে যোগাযোগ করে ওই নারীকে সহযোগিতার নির্দেশ দেন। দূতাবাস থেকে তরুণীর সাথে ভিডিও কলে যোগাযোগ করে তার অবস্থান নিশ্চিত হন কর্মকর্তারা। পরবর্তীতে কম্বোডিয়ার বাংলাদেশি কমিউনিটির সহায়তায় নমপেন শহর থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে কম্বোডিয়া সরকারের সহযোগিতায় ট্রাভেল পাস ইস্যুর মাধ্যমে ওই নারীকে বাংলাদেশ ফেরত আনার প্রক্রিয়া চলছে বলে ব্যাংকক দূতাবাস থেকে জানা যায়।

অপরদিকে গতকাল বুধবার ইরাকপ্রবাসী বাংলাদেশিদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী ইরাকে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস কে তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তদন্তে গিয়ে দূতাবাসের কর্মকর্তারা কোম্পানির নিকট সাত প্রবাসী বাংলাদেশির পাসপোর্ট জব্দ থাকার প্রমাণ পান। দূতাবাসের কর্মকর্তাদের প্রচেষ্টায় আজ সাতজন প্রবাসী তাদের পাসপোর্ট ফিরে পান। পাসপোর্ট পেয়ে প্রবাসীরা জানান তারা ইরাকে কাজ করতে চান এবং তাদের কাজের ব্যবস্থা তারা নিজেরা করেছেন।

শারীরিকভাবে নির্যাতনের অভিযোগ করে অপর দুই বাংলাদেশি ইরাক প্রবাসীর পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে ইরাক দূতাবাসকে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী।

অভিযোগে বলা হয়, রিজু মিয়া ও আইলান মিয়া নামক দুই বাংলাদেশি রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ইরাকে গিয়ে দালালের খপ্পরে পড়েন। দালালরা তাদের আটকে রেখে শারীরিক নির্যাতন করছে এবং তাদের ঠিক মতো খাবার সরবরাহ করছে না। অভিযোগের তদন্তে গিয়ে দূতাবাসের কর্মকর্তারা বাগদাদের আরাসাত নামক আবাসিক এলাকার ভাড়াকৃত বিল্ডিংয়ে দুই বাংলাদেশিকে খুঁজে পান। তবে তাদেরকে শারীরিক নির্যাতন করা বা অভুক্ত রাখার কোন প্রমাণ কর্মকর্তারা পাননি। দুজনকে দূতাবাসের সহায়তায় রিক্রুটিং এজেন্সির মাধ্যমে ৭ মে ইরাক হতে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে ফেরত পাঠানো হয়।

এএস

রামিসার বাবাকে সান্ত্বনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

গরীবের ‘কাটা ঘায়ে নুনের ছিটা’ শেষ ভরসা ডিম ও কাঁচা পেঁপের দামও চড়া

রামিসার বাসায় প্রধানমন্ত্রী

বৃষ্টিতে কমেছে তাপমাত্রা, কেন ভ্যাপসা গরম কমছে না

রামিসা হত্যা-ধর্ষণ মামলায় পরিবারের পক্ষে লড়বেন শিশির মনির

রামিসার বাসায় যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

স্বাস্থ্য খাতে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ চায় এনডিএফ

চট্টগ্রাম ওয়াসার নতুন এমডি সেলিম জানে আলম

মানবাধিকারের এবং স্বাধীন বিচার বিভাগের ক্ষেত্রে নিরেট-স্বচ্ছ আইনের দাবি

বিমান বাংলাদেশ প্রি-হজ কার্যক্রম শেষ করেছে