হোম > জাতীয়

ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে পণ্য রাখতে ব্যবস্থা নেবে সরকার

চট্টগ্রামে বাণিজ্যমন্ত্রী

আমার দেশ অনলাইন

ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে পণ্য রাখতে সরকার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির। তিনি বলেন, বাজারে ভোজ্যতেলের পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। কোথাও কোথাও খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা হতে পারে, সেটি সামগ্রিক বাজার পরিস্থিতির প্রতিফলন নয়। অহেতুক আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। বিশ্বে কোথাও সংঘাত হলে সরবরাহে চাপ ও দামের ঊর্ধ্বগতি হতে পারে।

রোববার দুপুরে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সম্মেলনকক্ষে আয়োজিত ‘মধ্যপ্রাচ্য সংঘাত: ভোগ্যপণ্য সরবরাহ ও মূল্য পরিস্থিতি–সংক্রান্ত পর্যালোচনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বর্তমানে বাজারে যে পণ্য সরবরাহ রয়েছে, সেগুলোর বেশির ভাগই যুদ্ধ শুরুর আগেই দেশে এসেছে। সরকারের কাছে পর্যাপ্ত জ্বালানি তেল মজুত রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে দামের ওঠানামা হলে সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী বিভিন্ন নীতিগত ব্যবস্থা নিতে পারে, যাতে ভোক্তাদের ওপর চাপ কম পড়ে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, দেশের পাইকারি ও খুচরা বাজারে অনেক পণ্যের ক্ষেত্রে অগ্রহণযোগ্য দামের ব্যবধান দেখা যায়। এই ব্যবধানের প্রকৃত কারণ অনুসন্ধান করতে ব্যবসায়ী প্রতিনিধি, প্রশাসনের সদস্য এবং প্রয়োজনে অন্য পেশাজীবীদের সমন্বয়ে একটি ফ্যাক্ট-ফাইন্ডিং কমিটি গঠন করা হবে। কমিটি বিষয়টি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করে প্রয়োজনীয় সুপারিশ দেবে।

খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ এখনো অনেক ক্ষেত্রে আমদানিনির্ভর দেশ। আন্তর্জাতিক বাজারে পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি, ডলারের মূল্যবৃদ্ধি কিংবা পরিবহন ব্যয় বাড়লে তার প্রভাব দেশের বাজারেও পড়া স্বাভাবিক। তবে অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনা বা বাজার নিয়ন্ত্রণজনিত কোনো কারণে যাতে পণ্যের দাম অযৌক্তিকভাবে না বাড়ে, সে বিষয়ে সরকার সতর্ক রয়েছে।

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, মুক্তবাজার অর্থনীতিতে ব্যবসা-বাণিজ্যের মূল চালিকা শক্তি ব্যবসায়ীরাই। সরকারের দায়িত্ব হলো ব্যবসা ও বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা এবং বাজার ব্যবস্থাপনা যেন স্বাভাবিক ও বাধাহীনভাবে চলতে পারে, তা নিশ্চিত করা। পাশাপাশি বাজার তদারকির সময় ব্যবসায়ীদের অযথা হয়রানির শিকার না হতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার নির্দেশও দেন তিনি।

বিদেশি ফল আমদানির প্রসঙ্গে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, কিছু ফল রয়েছে, যা সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে থাকা প্রয়োজন, যেমন আপেল, আঙুর ও কমলা। এসব ফলের দাম মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে রাখতে সরকার প্রয়োজন হলে নীতিগত পদক্ষেপ বিবেচনা করবে। তবে অত্যধিক দামি বিলাসী ফলের ক্ষেত্রে শুল্ক কমানোর প্রয়োজন নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা পরিষদের প্রশাসক হলেন হারুনুর রশীদ

জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়ে তোলা হবে: সংস্কৃতিমন্ত্রী

সাভার ও কুমিল্লায় দুই প্রতিষ্ঠান উদ্বোধন করলেন সেনাপ্রধান

৫ জেলায় নতুন ডিসি

ঈদের ছুটিতে হাসপাতালগুলোকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ১৬ নির্দেশনা

ঈদের দিন সারাদেশে বৃষ্টির পূর্বাভাস

জ্বালানি তেলের বিষয়ে ডিসিদের ৯ নির্দেশনা

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি পদে মস্কোর সমর্থন চাইলো ঢাকা

ডিএমপির ৬ এডিসি ও ৩ এসি বদলি

মানবজাতির জন্য কল্যাণ, ক্ষমা ও রহমত লাইলাতুল কদর