১৮ মাসে ১ কোটি চাকরি
নির্বাচনি ইশতেহারে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে নানা উদ্যোগ নিয়েছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকার। প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে অগ্রাধিকারের অন্যতম প্রধান হলো কর্মসংস্থান। এ লক্ষ্য সামনে রেখে প্রথম ১৮ মাসে প্রায় ১ কোটি মানুষের কর্মসংস্থান তৈরির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে অগ্রাধিকারমূলক নয়টি প্রধান খাত ধরে কর্মপরিকল্পনা সাজিয়েছে সরকার। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও দপ্তরগুলোকে ইতোমধ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, এত বিশাল কর্মসংস্থানের উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। কিন্তু অল্প সময়ে এত বিশাল মানুষের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করাটাই সরকারের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। সেই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের ওপর চাপিয়ে দেওয়া আমেরিকা-ইসরাইলের যুদ্ধ সরকারের এই কর্মপরিকল্পনাকে আরো কঠিন করে তুলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এ কারণে, কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে কর্মপরিকল্পনাকে ঢেলে সাজানো জরুরি বলে মনে করছেন তারা।
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর একটি হোটেলে দলীয় ইশতেহার ঘোষণা করেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। ইশতেহারে ‘করব কাজ, গড়ব দেশ’ নীতির ভিত্তিতে বিভিন্ন খাতভিত্তিক কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনার কথা তুলে ধরা হয়। কর্মসংস্থানকে তাদের প্রথম ও প্রধান অগ্রাধিকার উল্লেখ করে ইশতেহারে বলা হয়, ধারাবাহিকভাবে, দেশের অর্থনীতির সার্বিক সংস্কার, খাত ও অঞ্চলভিত্তিক অর্থনীতিকে চাঙা করে এবং শিল্প-বাণিজ্যে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ বাড়িয়ে দেশব্যাপী এক কোটি কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হবে। বিএনপির নেতারাও বিভিন্ন সময়ে দেওয়া বক্তব্যে সরকার গঠনের ১৮ মাসের মধ্যে এই লক্ষ্যমাত্রা পূরণের প্রতিশ্রুতি দেন।
দলীয় সূত্রে জানা গেছে, দেশে বেকারত্ব কমানো এবং তরুণ জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনশীল কাজে যুক্ত করার জন্য শিল্প, কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তি, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এসএমই), বিদেশে কর্মসংস্থান, জ্বালানি, খুচরা ব্যবসা, সুনীল কর্মসংস্থান কর্মসূচি এবং অপ্রতিষ্ঠিত বা ইনফরমাল খাত— এই নয়টি খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি খাতেই বিনিয়োগ বাড়ানো, জনশক্তির দক্ষতা উন্নয়ন এবং বাজার সম্প্রসারণের মাধ্যমে কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।
বিএনপির কর্মসংস্থান পরিকল্পনার সঙ্গে সম্পৃক্ত একাধিক সূত্র জানিয়েছে, সরকারের নয়টি অগ্রাধিকারমূলক খাতের মধ্যে শিল্পখাতে সবচেয়ে বেশি ২১ লাখ কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা করছে সরকার। পাশাপাশি কৃষি, তথ্যপ্রযুক্তিতে (আইটি) ও বিদেশে কর্মসংস্থানের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, কৃষি খাতে ২০ লাখ, বিদেশে কর্মসংস্থানে ২০ লাখ, আইটিতে ১০ লাখ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগে ৩ লাখ, জ্বালানিতে ৩ লাখ, খুচরা ব্যবসায় ১১ লাখ, সুনীল কর্মসংস্থান কর্মসূচিতে ১০ লাখ এবং অপ্রতিষ্ঠিত খাতে ২০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করেছে সরকার। এই ৯ খাতে প্রায় ১ কোটি ১৩ লাখ মানুষের কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা করা হয়েছে।
এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেÑ দেশজুড়ে নাগরিকদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে নতুন করে প্রায় এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ, যার ৮০ ভাগ হবেন নারী। অন্যদিকে পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ ও সবুজ কর্মসংস্থানের উদ্যোগের মাধ্যমে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে সাড়ে তিন লাখ সবুজ কর্মসংস্থান তৈরির চিন্তা করছে বিএনপি সরকার। এই বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে ১০ হাজার নতুন নার্সারি উদ্যোক্তা গড়ে তোলা হবে, যেখানে আড়াই লক্ষাধিক কর্মসংস্থান তৈরি হবে বলে মনে করছে সরকার। সে হিসাবে পরিবেশ সংরক্ষণ ও টেকসই উন্নয়ন কার্যক্রমের মাধ্যমে ৬ লাখ কর্মসংস্থান করা হবে। এছাড়া বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় অঞ্চলভিত্তিক ‘মেটেরিয়াল রিকভারি সেন্টার’ স্থাপন ও দুই লাখ ভ্রাম্যমাণ পেশাজীবীদের আনুষ্ঠানিক খাতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
কর্মসংস্থান তথা ইশতেহার বাস্তবায়নের বিষয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল আমার দেশকে বলেন, ‘কর্মসংস্থানের বিষয়ে প্রত্যেকটা মন্ত্রণালয়কে তাদের মতো করে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া মন্ত্রণালয়গুলোর কাছ থেকে তাদের আগামী ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কোন খাতে কী কী পারফরমেন্স, সেটার একটা চেকলিস্ট তৈরি করা হবে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, দেশের অর্থনীতির হৃৎপিণ্ডখ্যাত প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) ও রপ্তানি আয়ের খাতকে গুরুত্ব দিচ্ছে বিএনপি সরকার। এরই অংশ হিসেবে বিদেশে নতুন ২০ লাখ কর্মসংস্থান তৈরির লক্ষ্যে পরিকল্পনা সাজাচ্ছে সরকার। শিল্প খাতে নতুন ২১ লাখ জনবল নিয়োগের লক্ষ্যে এই খাতের সম্প্রসারণে সরকার ইতোমধ্যে বন্ধ ও রুগ্ণ কারখানাগুলো চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। এছাড়া ২০ লাখ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কৃষিবান্ধব দেশ গড়ার লক্ষ্যে কাজ করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তারই অংশ হিসেবে ১০ হাজার টাকা কৃষিঋণ সুদসহ মওকুফ করার প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে করেছে সরকার। মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকেই এটি কার্যকরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর আওতায় সারা দেশে প্রায় সাড়ে ১২ লাখ কৃষক সুদসহ কৃষিঋণ মওকুফের সুবিধা পাচ্ছেন।
তথ্যপ্রযুক্তি খাতকে কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। তরুণদের আইটি দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ কর্মসূচি সম্প্রসারণ, ফ্রিল্যান্সিং ও আউটসোর্সিং বাজারে অংশগ্রহণ বাড়ানো এবং স্টার্টআপ উদ্যোগকে সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই খাতে অন্তত ১০ লাখ কর্মসংস্থানের লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে সরকার।
এদিকে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগের (এসএমই) বিকাশেও জোর দেওয়া হচ্ছে। অর্থনীতিবিদদের মতে, এসএমই খাত শক্তিশালী হলে স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান দ্রুত বাড়ে। সে কারণে সহজ শর্তে ঋণ, উদ্যোক্তা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং নতুন বাজার তৈরির মাধ্যমে এই খাতকে আরো গতিশীল করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া পর্যটন খাতের উন্নয়ন, অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প এবং সেবাখাত সম্প্রসারণের মাধ্যমেও কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ রয়েছে।
বিএনপির পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, হিসাব কষেই এক কোটি কর্মসংস্থানের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরের নভেম্বরে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, ‘আমাদের সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও অভিজ্ঞতা রয়েছে। সেটা সমৃদ্ধ। আমরা যে প্রতিশ্রুতি দিই; সেটা জনকল্যাণে, দেশের কল্যাণে। আমরা মনে করি- দায়িত্ব নেওয়ার এক থেকে দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থান করতে পারব।’
তবে এক কোটি কর্মসংস্থান বাস্তবায়নের সময়সীমা ঘোষণায় তাড়াহুড়োর প্রবণতা দেখছেন বিশেষজ্ঞরা। সেই সঙ্গে এত বিশাল পরিমাণ কর্মসংস্থানের ঘোষণা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলেও মনে করেন তারা। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে সরকারের এই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন আরো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে ঘোষিত লক্ষ্য অর্জন করতে হলে কার্যকর পরিকল্পনা, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং দক্ষ জনশক্তি তৈরির ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি খাতের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলেও মনে করেন বিশ্লেষকরা। সরকারের জনবান্ধব বিশেষ করে তারুণ্যকে প্রাধান্য দেওয়া এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশে কর্মসংস্থানের নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে বলেও মনে করেন তারা।
জানতে চাইলে চাকরিবিষয়ক ওয়েবসাইট বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী ফাহিম মাশরুর আমার দেশকে বলেন, আমাদের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কর্মসংস্থান। এক কোটি কর্মসংস্থান করাটা খুবই প্রয়োজন। কিন্তু সমস্যা হচ্ছেÑ এর জন্য যে কর্মপরিকল্পনা দরকার, সেটা কোনো রাজনৈতিক দলের ইশতেহারে আমরা দেখিনি, ইনক্লুডিং বিএনপি। আমাদের যদি প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি করতে হয়, তাহলে নতুন করে কলকারখানা চালু করতে হবে। সেই অবস্থা আগামী দুই-তিন বছরে বাংলাদেশে সম্ভব হবে না। এটা ইরান যুদ্ধের আগেই সম্ভব হতো না, আর এখন তো আরো কঠিন।
ফাহিম মাশরুর আরো বলেন, জ্বালানি তেলের দাম, গ্যাসের দামÑসব বেড়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া আমাদের ব্যাংক খাতে এখনো সমস্যা আছে। এখনো আমাদের ইন্টারেস্ট রেট যেটা আছে, তাতে স্থানীয় বা বিদেশি বিনিয়োগ আসাটা কঠিন হবে। সেখানে ১৮ মাস কেনÑ আগামী দুই-তিন বছরেও এক কোটি নতুন কর্মসংস্থান তৈরি করা প্রায় অসম্ভব।
বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ থাকলেও সীমাবদ্ধতা তুলে ধরে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সাবেক এই সভাপতি বলেন, এখন মধ্যপ্রাচ্যের বাজার থেকে অনেক লোক দেশে ফিরে আসছে। সেজন্য নতুন বাজারকে টার্গেট করতে হবে। জাপান, কোরিয়া, ইউরোপÑ এসব বাজারকে টার্গেট করতে হবে। সেজন্য সঠিক নীতিমালা দরকার। মধ্যপ্রাচ্য আর মালয়েশিয়া ছাড়া অন্য কোনো বাজারে কীভাবে কাজ করা যায়, সে সম্পর্কে কোনো ধারণাই নেই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের। গত ১০-১৫ বছর জাপান কিংবা ইউরোপে আমাদের প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তেমন কেউ যায়নি। যারা গেছেন সবাই নিজস্ব উদ্যোগে গেছেন। সেই জায়গাতে সক্ষমতার অভাব আছে। এ কারণে এসব ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা বা রোডম্যাপ তৈরি করতে হবে, যেটা আসলে এখনো পর্যন্ত সরকারের থেকে আমরা দেখতে পাইনি।
কর্মসংস্থানের তুলনামূলক পরিসংখ্যান তুলে ধরে ফাহিম মাশরুর বলেন, দেশে প্রতিবছর কমবেশি ২২ লাখের মতো কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়। আর ১০ লাখের বেশি মানুষ চাকরিতে প্রবেশ করে না। অবশিষ্ট অংশ ফাঁকাই থাকে। আর যারা আসলে কাজ করার যোগ্য, তারাও এখন অনেক ক্ষেত্রেই জব পাচ্ছেন না। বিশেষ করে শিক্ষিত গ্রাজুয়েটদের মধ্যে বেকারত্ব সবচেয়ে বড় সমস্যা। প্রতিবছর দেশে ৭-৮ লাখ গ্র্যাজুয়েট বের হচ্ছে। এদের প্রায় ৫০-৬০ শতাংশ বেকার থাকছে। কারণ, তারা সব ধরনের কাজে ঢুকতেও পারেন না।
এত বিশাল কর্মসংস্থানের লক্ষ্যকে সরকারের উচ্চাভিলাসী পরিকল্পনা বলে মনে করেন বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী। তিনি বলেন, কর্মসংস্থানও খুবই জরুরি। কিন্তু এই বিশাল লক্ষ্য পূরণ করা বিএনপির জন্য বড় চ্যালেঞ্জ, বিশেষ করে চলমান যুদ্ধ এবং তার পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতিতে। এ কারণে সরকারকে নতুন কৌশল নিতে হবে।
জানতে চাইলে রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ড. দিলারা চৌধুরী বলেন, ‘কর্মসংস্থানে সব সরকারেরই অগ্রাধিকার থাকা উচিত। এক কোটি কর্মসংস্থানের এতবড় লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করাটা সরকারের অবশ্যই চ্যালেঞ্জ।’
তিনি বলেন, ‘সরকার যদি স্পেসিক্যালি বলে দিতÑ আমরা এই এই প্রোগ্রামের দ্বারা, এই নীতির দ্বারা বা ইনভেস্টমেন্টের দ্বারা চাকরি তৈরি করব। তাহলে এটা একটা ওয়েট ক্যারি করত। কিন্তু যে পরিকল্পনা দেখা যাচ্ছে, সেটি ঠিক বিশ্বাসযোগ্য মনে হয় না। কথাটা হয়তো রূঢ় হয়ে যাচ্ছে। কিন্তু সরকারের মধ্যে একটা তাড়াহুড়ো ভাব দেখা যাচ্ছে।’