হোম > জাতীয়

ট্রাভেল এজেন্সির নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ খসড়া বাতিলের দাবি: হাব

স্টাফ রিপোর্টার

বাংলাদেশ ট্রাভেল এজেন্সি নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ অধ্যাদেশ ২০২৫ এর প্রণীত খসড়ার সংশোধন না করলে শতকরা ৯০ভাগ হজ এজেন্সি বন্ধ হয়ে যাবে। তাই অনতিবিলম্বে এই অধ্যাদেশ বাতিল করে আগের অধ্যাদেশ বহাল করার সুপারিশ করেছে হজ্জ এজেন্সীজ এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

রোববার স্থানীয় এক হোটেলে সংবাদ সম্মেলনে হাব মহাসচিব ফরিদ আহমেদ মজুমদার এই দাবী জানান। এ সময় হাব সভাপতি সৈয়দ গোলাম সরওয়ার ও উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে মহাসচিব বলেন, ২০২১ সালের ৩৪ নং আইনের ধারা ৫ এর সংশোধন উক্ত আইনের ধারা ১১ এর “অনধিক ৬ মাসের কারাদন্ড অথবা অনধিক ৫লাখ টাকার পরিবর্তে অর্থদন্ড এর পরিবর্তে অনধিক ৩ (তিন) বছর কারাদন্ড অথবা অনধিক ৫০ লাখ টাকা অর্থ দন্ড প্রতিস্থাপিত হয়েছে। এখানে দন্ডের ব্যবধান প্রায় ১০গুন। এরকম অসামঞ্জস্যপূর্ণ আইন প্রতিস্থাপন করা অযৌক্তিক । চুড়ান্ত অধ্যদেশে উক্ত আইন প্রতিস্থাপন হলে মিথ্যা অভিযোগের সংখ্যা বেড়ে যাবে ফলে ট্রাভেল এজেন্সি ব্যবসা হুমকির সম্মুখীন হবে।

অধ্যাদেশে উল্লেখ করা হয়েছে অফলাইন ট্রাভেল এজেন্সীর ক্ষেত্রে, কোন- তফসিলি বাংকে ১০ লাখ টাকা জামানত রাখতে হবে । কিন্তু বাস্তবে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ ট্রাভেল এজেন্সীর ১০ লক্ষ টাকা জামানত রাখার সামর্থ নেই। উক্ত আইন চুড়ান্ত অধ্যাদেশে সংযোজিত হলে দুই তৃতীয়াংশ ট্রাভেল এজেন্সী বন্ধ হওয়ার শংকা দেখা দিবে। তাই সংযোজন না করার দাবি জানানো হয়।

ফরিদ আহমেদ মজুমদার বলেন, বর্তমানে দেশে নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্সির সংখ্যা ৫,৯৪৬টি । এরমধ্যে আয়াটা অনুমোদিত (যারা এয়ারলাইন্সের টিকেট নিজে ইস্যু করতে পারে ) এজেন্সির সংখ্যা আনুমানিক ১ হাজার। যারমধ্যে শতকরা ৫০ভাগের কোন ব্যাংক গ্যারান্টি নেই। ব্যবসা পরিচালনার লোকবলও নেই।

অর্থাৎ ৫হাজার ৪৪৬টি এজেন্সি বাকি ৫’শ এজেন্সি থেকে এয়ারলাইন্সের টিকেট সংগ্রহ করে। আইনটি বাস্তবায়ন করা হলে শতকরা ৯০ভাগ এজেন্সি বন্ধ হয়ে যাবে। যার ফলে এর সাথে সংশ্লিষ্ঠ প্রায় ৫০হাজার লোক বেকার হয়ে যাবে। এছাড়া একজন ট্রাভেল এজন্টের সব এয়ারলাইন্সের টিকেট ইস্যু করার অনুমতি থাকে না। যার ফলে সার্ভিস প্রদান করতে গিয়ে এক এজেন্ট অন্য এজেন্ট থেকে টিকেট ইস্যু করতে হয়।

তাই এই আইন করা হলে ব্যবসা ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। একজন আয়াটা নিবন্ধিত ট্রাভেল এজেন্ট শতকরা ৯৫ ভাগ টিকেট ইস্যু করতে পারে। যখন কোন এজেন্টের শতকরা ৯৫ভাগ টিকেট ইস্যু হয়ে যায় ,তখন তার টিকেট ইস্যু করার অথরিটি অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যায়।

এমতাবস্থায় তাকে টিকেট ইস্যু করার জন্য অন্য ট্রাভেল এজেন্টের কাছে যেতে হয়। বিশ্বের সব দেশেই ট্রাভেল এজেন্ট টু ট্রাভেল এজেন্ট ব্যবসার কোন প্রতিবন্ধকতা নেই।

তিনি বলেন, তাই অন্তরর্তীকালীন সরকারের মেয়াদকালে কোন অধ্যাদেশ জারি না করে নির্ধাচিত সরকার কর্তৃক জাতীয় সংসদের মাধযমে ট্রাভেল এজেন্সী নিবন্ধন ও নিয়ন্ত্রণ আইন (সংশোধনী) পাস করলে অধিক গ্রহনযোগ্য হবে বলে মনে করছি।

তিন বিভাগের বিএনপির এমপিদের নিয়ে দ্বিতীয় দিনের প্রশিক্ষণ কর্মশালা

দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: প্রধানমন্ত্রী

বাণিজ্যে নয়াদিল্লিকে কোনো ছাড় দেবে না ওয়াশিংটন

জিংকসমৃদ্ধ উচ্চ ফলনশীল আমনের নতুন জাত উদ্ভাবন

‘গণতন্ত্রের অগ্রযাত্রায় শ্রেষ্ঠ অদম্য নারী’ সম্মাননা পাচ্ছেন খালেদা জিয়া

সাংবাদিকদের সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব দেয়ার আহ্বান তথ্যমন্ত্রীর

৭ দিনে শাহজালালে ২৪৫ ফ্লাইট বাতিল

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলে আলোচনায় রাষ্ট্রপতি

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে যা জানাল সরকার

ইনফরমেশন শেয়ারিং-এর গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড অর্জন করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী