হোম > জাতীয়

যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ চুক্তিকে অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত

দ্য বেঙ্গল কাউন্সিলের নীতিপত্র প্রকাশ

আমার দেশ অনলাইন

ওয়াশিংটন-ভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান দ্য বেঙ্গল কাউন্সিল যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে নতুন নীতিপত্র প্রকাশ করেছে। ‘দ্য কটন করিডোর: বাংলাদেশ’স রিসিপ্রোকাল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট উইথ দ্য ইউনাইটেড স্টেটস অ্যান্ড দ্য পাথ ফরওয়ার্ড’ শীর্ষক এ প্রকাশনায় চলতি বছরের শুরুতে স্বাক্ষরিত দুই দেশের বাণিজ্য চুক্তির কৌশলগত গুরুত্ব, সম্ভাবনা ও বাস্তবায়ন-সংক্রান্ত বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করা হয়েছে।

ছয় পৃষ্ঠার নীতিপত্রে বলা হয়েছে, চুক্তিকে শুধু শুল্ক কমানোর উদ্যোগ বা রাজনৈতিক বিতর্ক হিসেবে না দেখে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি ও প্রাতিষ্ঠানিক অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা উচিত।

প্রতিবেদনে বাংলাদেশের রপ্তানি অর্থনীতি, চুক্তির মূল প্রতিশ্রুতি, বৈশ্বিক ভূরাজনৈতিক ও বাণিজ্যিক প্রেক্ষাপট, দ্বিপক্ষীয় অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা এবং বাস্তবায়নের প্রাতিষ্ঠানিক চ্যালেঞ্জ—এই পাঁচটি বিষয়ে বিশদ আলোচনা করা হয়েছে।

নীতিপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের উৎপাদিত তুলা ব্যবহার করে তৈরি পোশাকের জন্য শূন্য শুল্ক সুবিধা কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্পের জন্য তা একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা তৈরি করবে। তবে এর পাশাপাশি চুক্তির বিভিন্ন শর্ত যথাযথভাবে পালন, সংসদীয় পর্যালোচনা, প্রাতিষ্ঠানিক তদারকি এবং কৌশলগত বাস্তবায়নের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

এতে আরও বলা হয়, এই চুক্তি ইউরোপীয় ইউনিয়ন, ভারত, চীনসহ বাংলাদেশের অন্যান্য বাণিজ্যিক অংশীদারের সঙ্গে সম্পর্কেও প্রভাব ফেলতে পারে। পাশাপাশি বিনিয়োগ, প্রযুক্তি, সরবরাহ শৃঙ্খলের স্থিতিশীলতা, সাইবার নিরাপত্তা ও উন্নয়ন অর্থায়নের মতো খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর সুযোগও তৈরি হতে পারে।

চুক্তির কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য নীতিপত্রে আটটি সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—দ্রুত শূন্য শুল্ক করিডোর চালু করা, সংসদীয় তদারকির ব্যবস্থা গড়ে তোলা, তৃতীয় দেশের সঙ্গে সম্পর্ক কৌশলগতভাবে পরিচালনা করা, অভ্যন্তরীণ সংস্কারে চুক্তিকে কাজে লাগানো এবং ভবিষ্যৎ বাণিজ্য আলোচনায় অন্যান্য অংশীদার দেশের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা।

নীতিপত্রে বলা হয়েছে, এখন পর্যন্ত আলোচনায় বাংলাদেশ কী ছাড় দিয়েছে, সেটিই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে। তবে এর চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই চুক্তিকে কৌশলগতভাবে পরিচালনার মাধ্যমে বাংলাদেশ কীভাবে দীর্ঘমেয়াদে অর্থনৈতিক ও ভূরাজনৈতিক সুবিধা নিশ্চিত করতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধে কত বাংলাদেশি নিহত, জানালেন মন্ত্রী

যুগ্মসচিব পদে পদোন্নতি পেলেন ১৭২ জন কর্মকর্তা

উপজেলা থেকেই ডায়ালাইসিস সেবা নিতে পারবেন কিডনি রোগীরা

স্থানীয় নির্বাচন: চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ ৩১ আগস্ট

বিদেশে এক কোটি দক্ষ কর্মী পাঠাবে সরকার

হামে আরও ২ শিশুর মৃত্যু, একদিনে আক্রান্ত ৯৪৬

ডেঙ্গুতে আরো দুইজনের মৃত্যু, আক্রান্ত ১৯০

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পলাতক ৫৭ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত হচ্ছেন

শিক্ষার্থীদের কর্মসংস্থান উপযোগী দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ ইউজিসির

বন্যা ও জলাবদ্ধতায় স্বাস্থ্যঝুঁকি মারাত্মকভাবে বাড়ে, যে বিষয়গুলো অবশ্যই মনে রাখবেন